দাদুর ইচ্ছাপূরণ! বিজেপিতে যোগ দিলেন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতির নাতি
দাদুর ইচ্ছাপূরণ! বিজেপিতে যোগ দিলেন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতির নাতি
বিজেপিতে (bjp) যোগ দিলেন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি জ্ঞানী জৈল সিং (ex president Giani Zail Singh) -এর নাতি ইন্দরজিত সিং ( Inderjeet Singh)। দিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরে এই যোগদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ পুরী। ইন্দরজিত সিংকে স্বাগত জানান, বিজেপির পঞ্জাব শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা দুষ্মন্ত গৌতম।

দাদুর স্বপ্ন সত্যি হল
এদিন বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরে ইন্দরজিৎ সিং বলেন, দাদুর স্বপ্ন সত্যি হল। দাদু চেয়েছিলেন তিনি বিজেপিতে যোগদান করবেন। দাদুই তাঁকে প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ী এবং প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লালকৃষ্ণ আডবানীর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন বলেও জানান। কংগ্রেস তাঁর দাদুর সঙ্গে সঠিক ব্যবহার করেনি বলে অভিযোগ করেন তিনি। ইন্দরজিৎ সিং বলেন, মদনলাল খুরানার সময়ে তিনি দিল্লিতে বিজেপির হয়ে প্রচার করেছিলেন। তিনি বলেছেন, দাদু মারা যাওয়ার পরে পঞ্জাবে ফিরে গিয়ে বিশ্বকর্মা সমাজের জন্য কাজ শুরু করেন।

ওবিসি সম্প্রদায়ের নেতার কাজের প্রশংসায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী
ইন্দরজিৎ সিং রামগড়িয়া শিখ সম্প্রদায়ের সদস্য। এই সম্প্রদায় পঞ্জাবে ওবিসি ভুক্ত। এই সম্প্রদায়ের উপস্থিতি রয়েছে পঞ্জাবের দোয়াবা এবং মাঝায়। এদিন বিজেপিতে যোগদান পর্বের অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ পুরী ইন্দরজিৎ সিং-এর কাজের প্রশংসা করেছেন। বর্তমান পঞ্জাব সরকারের সঙ্গে তাঁদের সংঘাতের কথাও উল্লেখ করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

পঞ্জাবে ঘরোয়া কোন্দলে কংগ্রেস
পঞ্জাবে বিজেপির সেই অর্থে শক্তি না থাকলেও ঘরোয়া কোন্দলে জেরবার কংগ্রেস। একদিকে মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং এবং অন্যদিকে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি নভজ্যোত সিং সিধু। একে অপরকে দেখতে না পারলেও, সোনিয়া গান্ধী দুজনকেই একসঙ্গে কাজ করার পরামর্শ দিয়েছেন। যদিও দুই নেতাই যে যার শক্তি প্রদর্শনে ব্যস্ত। সেই কোন্দল সামনের বিধানসভা নির্বাচনে পড়তে পারে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশষেষজ্ঞরা।

জ্ঞানী জৈল সিং
প্রয়াত জ্ঞানী জৈল সিং ছিলেন আদ্যপান্ত কংগ্রেসী এবং প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর আস্থাভাজন। তিনি দেশের সপ্তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে ১৯৮২ থেকে ১৯৮৭ সাল পর্যন্ত কার্যভার সামলেছেন। রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনের আগে তিনি ১৯৭২ সালে পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তিনি দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছাড়াও বিভিন্ন মন্ত্রকের দায়িত্ব সামলেছিলেন। ১৯৮০ সালে লোকসভা নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর তাঁকে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দায়িত্ব দিয়েছিলেন ইন্দিরা গান্ধী। তিনি রাষ্ট্রপতি থাকার সময়েই পঞ্জাবের স্বর্ণমন্দিরে ১৯৮৪ সালে অপারেশন ব্লুস্টার পরিচালনা করে সেখানে থেকে শিখ জঙ্গিদের বের করে দেওয়া হয়। সেই বছরেরই ৩১ অক্টোবর নিজের দুই দেহরক্ষীর গুলিতে প্রাণ হারান তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। ১৯৯৪ সালে এক গাড়ি দুর্ঘটনায় আহত হওয়ার পরে মৃত্যু হয় তাঁর।












Click it and Unblock the Notifications