চিকিৎসা পরিষেবায় এই প্রথম, হেলিকপ্টারে একজনের হার্ট-কিডনি-ফুসফুস গেল ৬ জনের কাছে
রাজস্থানে অঙ্গ প্রতিস্থাপন প্রচেষ্টায় একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক ছুঁল চিকিৎসা পরিষেবা। কমপক্ষে ৬ জনের জীবন বাঁচাতে রবিবার একজন ব্রেন-ডেথ ব্যক্তির গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলিকে ঝালাওয়ার থেকে জয়পুর এবং যোধপুরের বিমানে পাঠানো হল নির্দিষ্ট স্থানে। এই প্রথমবার অঙ্গ প্রতিস্থাপন জন্যে হেলিকপ্টারের সাহায্য নেওয়া হল।
জয়পুর এবং যোধপুরে ট্রান্সপ্লান্ট সার্জারির জন্য প্রথমবারের মতো হেলিকপ্টারে অঙ্গগুলি পরিবহন করা হল, এমনটাই কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

ঝালাওয়ার জেলার মনপুরা পিপাজির ৩৩ বছর বয়সী দাতা বিষ্ণু প্রসাদ ১০ ডিসেম্বর সংঘর্ষের সময় গুরুতর আহত হন। তাঁর মাথায় চোট লাগে। এরপর ১২ ডিসেম্বর চিকিৎসকরা তাকে ব্রেন-ডেথ বলে ঘোষণা করেন। অঙ্গ দানের জন্য তার পরিবারের সম্মতি পাওয়া মাত্রই, পরবর্তী পদক্ষেপ শুরু করেন চিকিৎসকেরা। অন্তত ছয় রোগীর জীবন বাঁচাতে তার অঙ্গ পাঠানো হয় বিভিন্ন দিকে।
সওয়াই মান সিং (এসএমএস) হাসপাতালের সুপারিনটেনডেন্ট ডাঃ দীপক মহেশ্বরী বলেন, যে জয়পুরের রোগীদের মধ্যে একটি কিডনি, দুটি ফুসফুস এবং হৃদপিণ্ড প্রতিস্থাপন করা হচ্ছে, অন্য একটি কিডনি এবং লিভার যোধপুর এইমস-এ পাঠানো হয়েছে৷
অঙ্গগুলি বহনকারী হেলিকপ্টারটি জয়পুরের এসএমএস মেডিকেল কলেজে অবতরণ করে , যেখান থেকে অঙ্গগুলিকে এসএমএস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য গ্রীন করিডোর তৈরি করা হয়েছিল। এরপর হেলিকপ্টারটি রিফুয়েল করে যোধপুরের উদ্দেশ্যে উড়ে যায়।
ঝালাওয়ার মেডিকেল কলেজের ঝালাওয়ারের নিউরোসার্জন ডাঃ রামসেবক যোগী বলেন, যে বিষ্ণু প্রসাদকে ১১ ডিসেম্বর গুরুতর জখম অবস্থায় নিয়ে এসে ভর্তি করা হয়েছিল। ঠিক পরের দিনই মেডিকেল কমিটি তাকে ব্রেন ডেথ ঘোষণা করে।
ঝালাওয়ার জেলা কালেক্টর অজয় সিং রাঠোর এবং অন্যান্য সিনিয়র ডাক্তারদের উপস্থিতিতে, বিষ্ণু প্রসাদের বাবা এবং স্ত্রী অনিতাকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল এবং তারা অঙ্গদানের জন্য তাদের সম্মতি প্রদান করে। আর তারপরই অঙ্গ প্রতিস্থাপনে নতুন ইতিহাস গড়ল চিকিৎসা পরিষেবা।












Click it and Unblock the Notifications