EPFO Online Update: কারও ভরসায় বসে থাকতে হবে না, ইপিএফে দুই বড় আপডেট কর্মচারীরা নিজেই করতে পারবেন
EPFO Online Update: আর অফিসের ভরসায় বসে থাকতে হবে। মুখাপেক্ষী হয়ে থাকতে হবে কোনও এজেন্টদের কাছেও। এবার থেকে এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন অর্থাৎ ইপিএফও সদস্যরা (epfo members) নিজেরাই তাদের ব্যক্তিগত তথ্য (Personal Details) আপডেট করা থেকে শুরু করে অ্যাকাউন্ট ট্রান্সফারের (Account Transfer) কাজ অনলাইনে সারতে পারবেন। যার ফলে টাকা ট্রান্সফার করা ও নাম, জন্মতারিখের মতো তথ্য সংশোধন করার কাজ অনায়াসেই সম্ভব হবে।
কেন্দ্রীয় শ্রম মন্ত্রকের (Labor Ministry) তরফে জানানো হয়েছে, ইপিএফে কেআইসি যাদের করা রয়েছে, তারা আধার লিঙ্ক করা মোবাইল নম্বরে আসা ওটিপি দিলেই অনলাইনে ইপিএফ অ্যাকাউন্ট ট্রান্সফার করতে পারবেন। এক্ষেত্রে অফিসের কোনও হস্তক্ষেপের প্রয়োজন পড়বে না। পাশাপাশি ব্যক্তিগত তথ্যে ভুল সংশোধনের কাজও সহজেই সারতে পারা যাবে অনলাইনে। দুটি নতুন পরিষেবার ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডবীয়।

মন্ত্রী জানান, ইপিএফের সদস্যদের করা অভিযোগের প্রায় ২৭ শতাংশই সদস্যদের প্রোফাইল আপডেট কিংবা কেওয়াইসি আপডেটের বিষয়ে। তাই নতুন দুই পরিষেবা ঘোষণার ফলে সেসংক্রান্ত অভিযোগের দ্রুত নিষ্পত্তি সম্ভব হবে। একইসঙ্গে অভিযোগের সংখ্যাও কমে আসবে। এক্ষেত্রে অফিসগুলিরও চাপ কমবে। বর্তমান বা প্রাক্তন কর্মীরা নিজেরাই নিজেদের তথ্য আপডেট বা অ্যাকাউন্ট ট্রান্সফারের কাজ অনলাইনে করে নিলে অফিসের উপর চাপ কমবে বলে ব্যাখ্যা মন্ত্রীর।
সংশ্লিষ্ট অফিস বা ইপিএফওর অনুমোদন ছাড়াই নাম, জন্ম তারিখ, লিঙ্গ, জাতিগত পরিচয়, বাবা মায়ের নাম, বৈবাহিক পরিচয়, স্ত্রী অথবা স্বামীর নাম, অফিসে জয়েনিংয়ের তারিখ ও অফিসে শেষ কাজের তারিখ আপডেট করা যাবে এবার থেকে।
তবে মন্ত্রী এও জানিয়েছে, যাদের ইউএএন বা ইউনিভার্সাল অ্যাকাউন্ট নম্বর গত ২০১৭ সালের ১ অক্টোবরের পর তৈরি হয়েছে, তাদের ক্ষেত্রেই এই পরিষেবা দেওয়া হবে। এক্ষেত্রে অনলাইনে আবেদনে কোনও ডকুমেন্টেরও প্রয়োজন নেই বলে জানিয়ে দেন তিনি।
এতদিন এসংক্রান্ত আপডেটের জন্য অফিস ও ইপিএফওর অনুমোদনের অপেক্ষায় বসে থাকতে হত। ভুল সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় নথি দিয়ে আবেদন করতে হত কর্মচারীদের। প্রথমে তা যাচাই করে দেখত অফিস। তারপর তা পাঠানো হত ইপিএফওর কাছে।
শুধু ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষেই দেখা গিয়েছে ৮ লক্ষ আবেদনের মধ্যে ৪০ শতাংশ সম্পূর্ণ হয়েছে ৫ দিনেই। ১০ দিনে মাত্র ৪৭ শতাংশ আবেদন নিষ্পত্তি হয়েছে। কর্মীদের আবেদনের নিষ্পত্তি করতে গড়ে ২৮ দিন করে সময় নিয়েছে বিভিন্ন অফিস। নতুন ঘোষণার ফলে সেই কাজ সেকেন্ডের মধ্যে করতে পারবেন কর্মচারীরা।












Click it and Unblock the Notifications