• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

দিল্লি হাইকোর্ট আমিষ ও নিরামিষ খাবার নিয়ে দিলেন রায়, লেবেল লাগানো উচিত না অনুচিত?

Google Oneindia Bengali News

কোন ব্যক্তি কি খাচ্ছে সেটা জানার অধিকার অবশ্যই আছে এমনটাই জানালেন দিল্লি হাইকোর্ট। হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়ে বলেন, কোন কোন খাবারে কী কী উপাদান আছে তা যদি কোন গ্রাহক জানতে চায় তাহলে তাঁকে জানাতে বাধ্য থাকবে রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ীরা।


দিল্লি হাইকোর্ট কি রায় দিলেন

দিল্লি হাইকোর্ট কি রায় দিলেন

ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্য করে হাইকোর্ট বলেন, কোনও কোড ব্যবহার করা যাবে না। কি কি দিয়ে খাদ্যটি, তাছাড়া খাবারের মধ্যে আর কী কী আছে তা গ্রাহককে জানাতে হবে খাদ্য ব্যবসায়ীদের। কোন গবেষণাগার বা কোন রাসায়নিক খাবারে ব্যবহার করা হয়েছে কিনা তা জানাতে হবে রেস্তোরাঁ বা খাবারের দোকানগুলো। মঙ্গলবার এমনই রায় দিল্লি হাইকোর্ট।

২০১১ সালে রেগুলেশনে কি বলা আছে

২০১১ সালে রেগুলেশনে কি বলা আছে

২০১১ সালে রেগুলেশনের অধীনে বলা আছে আমিষ খাবারকে উদ্দেশ্য করে পাখি, স্বাদু পানি বা সামুদ্রিক প্রাণী বা ডিম বা যেকোন প্রাণীর উৎপত্তি -সহ যেকোনো প্রাণীর সম্পূর্ণ বা অংশ, কিন্তু দুধ বা দুগ্ধজাত দ্রব্য ছাড়া। সমস্ত আমিষভোজী খাবারে অবশ্যই একটি বাদামী রঙের লেবেল করা উচিত হয়। একটি বর্গক্ষেত্রের ভিতরে বাদামী আউটলাইন সহ বৃত্তের ব্যাসের দ্বিগুণ পার্শ্বযুক্ত লেবেল করা উচিত। যেখানে ডিমই একমাত্র আমিষ-নিরামিষার উপাদান। নিরামিষ খাবারে অবশ্যই সবুজ রঙের লেবেল লাগানো উচিত। তাহলে আমিষ নিরামিষের তফাত বোঝা যাবে।

আমিষ ও নিরামিষ খাবারের লেবেল আলাদা করা দরকার

আমিষ ও নিরামিষ খাবারের লেবেল আলাদা করা দরকার

রাম গৌয়া রক্ষা দল যারা একটি বেসরকারী ট্রাস্ট যা গরুর নিরাপত্তা ও কল্যাণের জন্য কাজ করে থাকেন। বিদ্যমান এই নিয়মগুলি অক্টোবরে একটি পিটিশনে দাখিল করা হয়েছে। খাদ্য সামগ্রীর জন্য, পিটিশনে লেবেলে শুধু উপাদান নয়, উৎপাদন প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত আইটেমগুলিও চাওয়া হয়েছে। ট্রাস্ট, যার সদস্যরা নামধারী সম্প্রদায়ের অনুসারী, তারা বলেন, যারা নিরামিষাশী তাদের প্রাণীজ পণ্য ধারণকারী পণ্যগুলির ব্যবহার নিষিদ্ধ করা উচিত। যদি জিনিসে লেবেলের রঙ উল্লেখ থাকে তাহলে অসুবিধা অনেক কমবে।

 আদালত খাবার নিয়ে কি বললেন

আদালত খাবার নিয়ে কি বললেন

আদালত রায় দিয়ে বলেন, প্রতিটি খাদ্যের ওপর সেটি কী খাবার বলা উচিত। খাদ্যটি নিরামিষ না আমিষ। আদালত রাসায়নিক ডিসোডিয়াম ইনোসিনেটের উদাহরণ দিয়েছেন। তাৎক্ষণিক নুডলস এবং আলুর চিপসে পাওয়া একটি খাদ্য সংযোজন, যা বাণিজ্যিকভাবে মাংস বা মাছ থেকে তৈরি করা হয়। গুগলে এ একটু সার্চ করলে দেখা যায় যে এটি প্রায়শই শূকরের চর্বি থেকে উৎসারিত হয়।

যখন এই জাতীয় উপাদানগুলি ব্যবহার করা হয়, প্রায়শই প্যাকেজিংয়ে প্রকৃতপক্ষে উৎস কী তা প্রকাশ না করেই কেবল উপাদানগুলির কোডগুলি প্রকাশ করা হয়, যেমন এটি উদ্ভিদ ভিত্তিক, নাকি প্রাণী ভিত্তিক, বা এটি একটি গবেষণাগারে রাসায়নিকভাবে তৈরি। আদালত বলেন। অনেক খাদ্য সামগ্রী যেখানে প্রাণীদের থেকে উৎসারিত উপাদান রয়েছে, সবুজ বিন্দু লাগিয়ে নিরামিষ হিসাবে চালিয়ে দেয় । যা খুব অপরাধযোগ্য।

২০০৬ সালের আইনে কী বলা আছে

২০০৬ সালের আইনে কী বলা আছে

এধরনের খাদ্য সামগ্রীকে আমিষ-নিরামিষাশী হিসেবে পরিনত করবে, এবং কঠোর নিরামিষাশীদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক সংবেদনশীলতা, অনুভূতিকে আঘাত করবে এবং তাদের অধিকারে হস্তক্ষেপ করবে। স্বাধীনভাবে তাদের ধর্ম ও বিশ্বাসের প্রচার, অনুশীলন এবং প্রচার করা। এই ধরনের ত্রুটিগুলি পরীক্ষা করতে কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতা খাদ্য নিরাপত্তা ও মান আইন, ২০০৬ এবং প্রবিধানগুলির অসম্মতির দিকে পরিচালিত করছে বলে জানায় আদালত।

খবরের ডেইলি ডোজ, কলকাতা, বাংলা, দেশ-বিদেশ, বিনোদন থেকে শুরু করে খেলা, ব্যবসা, জ্যোতিষ - সব আপডেট দেখুন বাংলায়। ডাউনলোড Bengali Oneindia

English summary
delhi high court has ruled in favor of non vegetarian and vegetarian food
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
Desktop Bottom Promotion