সীমান্তে নিহত বিএসএফ জওয়ান, বিজিবির অভিযুক্ত কম্যান্ডারের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে বলল ভারত
নিহত বিএসএফ জওয়ান, বিজিবির অভিযুক্ত কম্যান্ডারের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে বলল ভারত
সীমান্তে চলা ভারত–বাংলাদেশ 'ফ্ল্যাগ মিটিং’–এর সময়ই বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিজিবি) গুলিতে প্রাণ হারান বিএসএফ জওয়ান বিজয়ভান সিং। আহত হন আরও একজন। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করে বাংলাদেশকে চিঠি পাঠিয়েছে ভারতের আধা সেনা বাহিনী। বিএসএফের পক্ষ থেকে এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে জানানো হয়েছিল যে তাঁদের জওয়ান প্রথমে গুলি চালায়নি। বরং বিজিবি গুলি চালানোর পরও পাল্টা আক্রমণ হয়নি। যদিও বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে বিএসএফ গুলি চালায় প্রথম এবং আত্ম–রক্ষার জন্য তারাও পাল্টা গুলি চালায়।

ঘটনার উল্লেখ করে বাংলাদেশকে চিঠি
বিএসএফ তাদের চিঠিতে জানিয়েছে, ভারতীয় মৎস্যজীবী বাংলাদেশ সীমান্ত বাহিনীর হাতে ধরা পড়ার পর বিএসএফের পক্ষ থেকে নৌকায় কমলা ফ্ল্যাগ লাগিয়ে বন্ধুত্বপূর্ণ 'ফ্ল্যাগ মিটিংয়ে’ যোগ দিতে যায় বিএসএফ। নৌকায় বিএসএফের পাঁচজন নিরস্ত্র জওয়ান ছিলেন। যাঁদের ওপর বাংলাদেশ আচমকা হামলা করে। চিঠিতে এই ঘটনার প্রতিবাদ করে বিজিবিকে বিএসএফ জানায় যে তাদের যে কনস্টেবল গুলি চালিয়েছিল, তার বিরুদ্ধে বিজিবি কড়া পদক্ষেপ করুক। কিন্তুউ বিজিবির পক্ষ থেকে চিঠির কোনও জবাব পাওয়া যায়নি। বিএসএফ জানিয়েছে, বিজিবির পোস্ট কম্যান্ডার বিএসএফ নৌকাকে লক্ষ্য করে প্রথম গুলিবর্ষণ করে। বিজিবি প্রায় ১৫ রাউন্ড গুলি চালায় একে–৪৭ রাইফেল থেকে। এই ঘটনায় বিএসএফের প্রধান কনস্টেবল মারা যান এবং এক জওয়ান আহত হন।
ইন্দো–বাংলাদেশ সীমান্তে উত্তেজনা
এই ঘটনার জেরে ইন্দো–বাংলাদেশ সীমান্তে উত্তেজনা তুঙ্গে ওঠে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে বিএসএফ প্রধান ভিকে জোহরি এই ঘটনা নিয়ে আলোচনা করার জন্য বিজিবির প্রধান মেজর জেনারেল শইফিনুল ইসলামকে ডেকে পাঠান। বিজিবির গুলিতে যে বিএসএফ জওয়ান নিহত হয়েছেন তিনি ৫১ বছরের প্রধান কনস্টেবল বিজয় ভান সিং। তিনি উত্তরপ্রদেশের ফিরোজাবাদের চামারোলি গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তান রয়েছে। এই ঘটনার পরও এখনও এক মৎস্যজীবীকে ছাড়েনি বাংলাদেশ। সে এখনও এই দেশের জেলে রয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications