Bengaluru: বেঙ্গালুরুর তরুণ আত্মহত্যার ঘটনায় এবার পুলিশের জালে তাঁর প্রাক্তন স্ত্রী
বেঙ্গালুরুর প্রযুক্তিবিদ তরুণ অতুল সুভাষের আত্মহত্যা মামলায় এবার চাঞ্চল্যকর মোড়। এবার এই ঘটনায় তাঁর প্রাক্তন স্ত্রী নিকিতা সিংহানিয়াকে গ্রেফতার করলো পুলিশ। আত্মহত্যায় প্ররোচনার জন্য হরিয়ানার গুরুগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাঁকে। পুলিশ রবিবার গ্রেফতারির বিষয়টি প্রকাশ্যে নিয়ে এসেছে।
নিকিতা সিংহানিয়ার মা নিশা এবং তাঁর ভাই অনুরাগকে এর আগেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এমনকি বেঙ্গালুরুতে আদালতে তাঁদেরকে হাজির করা হলে, তাঁদেরকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। আর এবার এই মামলায় প্রধান অভিযুক্ত অর্থাৎ অতুল সুভাষের প্রাক্তন স্ত্রীকে গ্রেফতার করল পুলিশ।

স্ত্রী এবং শ্বশুরবাড়ির করা ক্রমাগত অপমাণের কারণে বেঙ্গালুরুর প্রযুক্তিবিদ তরুণ অতুল সুভাষ আত্মহত্যা করেন সম্প্রতি। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে তরুণের পরিবারের সদস্যরা। কেননা পারিবারিক আদালতে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা সহ একের পর এক অভিযোগ ওঠে বেঙ্গালুরুর ওই তরুণের বিরুদ্ধে।
সম্প্রতি সেই মামলায় রায়ও যায় তাঁর বিপক্ষে। আর সেই চাপ সহ্য করতে না পেরেই আত্মঘাতী হন সেই তরুণ। তিনি এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে একটি ভিডিও শ্যুট করেছিলেন এবং ২৪ পৃষ্ঠার একটি সুইসাইড নোট লিখেছিলেন যাতে তিনি যে মানসিক যন্ত্রণার শিকার হন তার বিবরণ দিয়েছিলেন। আর সেই সব প্রমাণের ভিত্তিতেই নিকিতা সিংহানিয়া ও তাঁর পরিবারকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গত ১৪ ডিসেম্বর সকালে গুরুগ্রাম থেকে নিকিতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তার মা ও ভাইকে আগেই প্রয়াগরাজ থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।
অতুল সুভাষের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর থেকে নিকিতা এবং তার পরিবার পলাতক ছিল বলে জানা গেছে। যার ফলে এই সপ্তাহের শুরুতে মারাঠাহল্লি পুলিশ এফআইআর নথিভুক্ত করে। এর আগে, নিকিতা পলাতক হওয়ার পরে, বেঙ্গালুরু পুলিশ উত্তরপ্রদেশের জৌনপুরে তার বাসভবনের বাইরে একটি নোটিশ আটকেছিল যাতে তাদের তিন দিনের মধ্যে হাজির হতে বলা হয়।
অতুল অভিযোগ করেছিলেন যে তার স্ত্রীর পরিবার বিবাহবিচ্ছেদের মীমাংসা হিসাবে ৩ কোটি টাকা দাবি করেছিল। আর সেই টাকা পাওয়ার জন্যেই বিভিন্ন ভাবে তাঁকে মানসিক চাপ দেওয়া হত। সেই চাপই সহ্য করতে না পেরে আত্মঘাতী হন বেঙ্গালুরুর তরুণ।












Click it and Unblock the Notifications