• search

আপৎকালে অস্ত্র কিনতে পারার বিশেষ ক্ষমতা পাচ্ছে ভারতীয় সেনা

  • By Sritama Mitra
Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    উরি হামলার পর থেকে ভারতীয় সেনার ওপর বেশ কিছু দায়িত্ব ছেড়ে দিতে শুরু করে কেন্দ্রীয় সরকার। বিশেষত কোন সময়ে কী ধরণের যুদ্ধ সামগ্রী প্রয়োজন, কতটা প্রয়োজন, সে সম্পর্কে এবার থেকে সেনাই যেন সিদ্ধান্ত নিতে পারে তার পথও প্রশস্ত করে দেওয়া হয়।[আরও পড়ুন:চিনের বিভিন্ন প্রান্তকে পারমাণবিক অস্ত্রের আওতায় আনছে ভারত, চাঞ্চল্যকর দাবি মার্কিন পত্রিকার]

    সূত্রের খবর, আপৎকালীন অবস্থায় সমরাস্ত্র কেনার ক্ষেত্রে এবার থেকে আর্থিক ক্ষমতার এক্তিয়ার সেনার হাতে তুলে দেওয়া র কথা ভাবছে কেন্দ্র। আগামী বছরগুলির জন্য প্রায় ৪০, ০০০ কোটি পাউন্ড অর্থমূল্যের টাকা বরাদ্দও করা হয়েছে এজন্য।

    আপৎকালে অস্ত্র কিনতে পারার বিশেষ ক্ষমতা পাচ্ছে ভারতীয় সেনা

    ২০১৫ সালে ক্যাগের একটি রিপোর্টে প্রকাশিত হয় , যে ভারতীয় সেনার কাছে অস্ত্রসস্ত্রের কমতি রয়েছে বিশাল পরিমাণে। যা দিয়ে হয়তো বা বাকি কুড়ি দিন চালানো যাবে খুব জোর। তারপরই নড়েচড়ে বসে ভারত সরকার। সূত্রের দাবি, কাশ্মীরে উরির সেনা ক্যাম্পে হামলার পর , সেনার হাতে অস্ত্র কেনার আর্থিক ক্ষমতা তুলে দেওয়া হয় ৩ মাসের জন্য। এবার সেই ক্ষমতায় কোনও সময়সীমা না বেঁধে দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

    এই বিসেষ সুবিধার ফলে বর্তমানে ৪৬ ররকমের অস্ত্র কেনার কথা ভাবছে ভারতীয় সেনা । যার মধ্যে থাকবে বিশেষ ধরনের যুদ্ধ ট্যাঙ্ক, মাইন ও অত্যাধুনিক বহু সমরাস্ত্র।

    English summary
    Sources said that the financial powers conferred by the government would facilitate the emergency procurement of ammunition and spares worth an estimated ₹40,000 crore over the next few years, subject to availability of budgetary support. Buying ammunition and spares for in-service equipment is less complicated than making a purchase from scratch, army officers said.

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more