Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

চার দশক পরে ফের খুলল পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের রত্ন ভাণ্ডার! কী কী পাওয়া গেল সেখানে, রহস্যই বা কী

ওড়িশার পুরীর দ্বাদশ শতাব্দীর জগন্নাথ মন্দিরের রত্ন ভান্ডার খোলা হল রবিবার, ৪৬ বছর পরে। শেষবার এই রত্ন ভাণ্ডার খোলা হয়েছিল ১৯৭৮ সালে। এদিন বিকেলে ওড়িশা সরকার গঠিত ১১ সদস্যের কমিটির সদস্যরা জগন্নাথ মন্দিরে প্রবেশ করেন।

যাঁরা এদিন রত্ন ভাণ্ডারে প্রবেশ করেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন, ওড়িশা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি বিশ্বনাথ রথ, শ্রী জগন্নাথ মন্দিরের প্রশাসনের প্রধান প্রশাসক অরবিন্দ পাধী, এএসআই সুপারইনটেনডেন্ট ডিবি গদানায়ক এবং পুরীর রাজা জগপতি মহারাজরা পরিবারের একজন প্রতিনিধি। এছাড়াও সেখানে ছিলেন চারটি মন্দিরের পরিচারকরাও।

Ratna bhandar

এদিন সকালে রত্ন ভাণ্ডার পুনরায় খুলতে অনুমোদন চাওয়া হয, তার জন্য আচার অনুষ্ঠানও সম্পন্ন হয়। রত্ন ভান্ডারে জগন্নাথ, বলভদ্র ও সুভদ্রার মূল্যবান অলঙ্কার রয়েছে, যা বহু শতাব্দী ধরে ভক্ত এবং আগেকার রাজারা দান করেছিলেন। এটি বাইরেরর কক্ষ এবং অভ্যন্তরীণ কক্ষ, এই দুইভাগে বিভক্ত।

বারো শতকের মন্দিরের বাইরের কক্ষটি বার্ষিক রথযাত্রার সময় খোলা হয়। শেষবার ১৯৭৮ সালে কোষাগারের একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছিল।

কমিটির সদস্যরা এদিন যখন রত্ন ভাণ্ডার খুলতে যান, সেই সময় সাপ ধরার দুটি দলও উপস্থিত ছিল। কারণ রত্ন ভাণ্ডারের ভিতরে সাপ রয়েছে বলেও আগে ধরা পড়েছিল।

রত্ন ভান্ডার খোলার আগে কমিটি পুরো প্রক্রিয়ার জন্য তিনটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর তৈরি করে। এই তিনটি এসওপির মধ্যে একটি রত্ন ভাণ্ডারের পুনরায় খোলার সঙ্গে সম্পর্কিত, দ্বিতীয়টি অস্থায়ী রত্ন ভান্ডারের ব্যবস্থাপনার জন্য এবং তৃতীয়টি মূল্যবান জিনিসপত্রের তালিকা সম্পর্কিত।

জানা গিয়েছে, স্বর্ণকার এবং অন্য বিশেষজ্ঞদের জড়িত থাকার বিষয়ে সরকারের অনুমোদন পাওয়ার পরে ইনভেন্টরির কাজ শুরু করা হবে। সরকার য়রত্ন ভাণ্ডারের মূল্যবান জিনিসপত্রের একটি ডিজিটাল ক্যাটল তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।

এর আগে ২০১৮ সালে রত্ন ভাণ্ডার খোলার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়। চেম্বারের চাবি না পাওয়ায় রাজ্য জুড়ে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তবে এই বেসমেন্ট শেষবার ১৯৮৫ সালে খোলা হয়েছিল। সেই সময় রাজার মুকুট থেকে শুরু করে্ রত্ন ভাণ্ডারে অন্য তফাতগুলি চোখে পড়েছিল।

২০১৮ সালে তৎকালীন আইনমন্ত্রী প্রতাপ জেনা বিধানসভায় বলেছিলেন, যখন এটি শেষবার অর্থাৎ ১৯৭৮ সালে খোলা হয়েছিল, সেই সময় প্রায় ১২ হাজার ভরি সোনার গয়না ছিল। সেগুলি ছিল মূল্যবান পাথরের সঙ্গে। এছাড়া ২২ হাজার ভরি মূল্যের রুপোর পাত্র ছিল। এছাড়া আরও অনেক গয়না ছিল, যা তখন ওজন করা হয়নি।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+