গঙ্গাবক্ষে নৌকায় বর্ষবরণে প্রচার করলেন বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়
বাংলা বছরের শুরুর দিনেই অভিনব প্রচার লকেট চট্টোপাধ্যায়। বিশাল নৌকায় গঙ্গাবক্ষে প্রচার করলেন বিজেপি প্রার্থী। চন্দননগর থেকে ত্রিবেণী, বিস্তীর্ণ রাস্তা নৌকাতেই প্রচার করলেন হুগলির বিদায়ী বিজেপি সাংসদ।
গঙ্গাবক্ষে নৌকার মধ্যেই বাংলা নতুন বছরের অনুষ্ঠান হয়। ঢাক, ঢোল বাজানো হয়৷ বিজেপি মহিলা মোর্চার সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। লাল পাড় সাদা শাড়িতে মহিলাদের দেখতে পাওয়া যায়। একাধিক অনুষ্ঠানের আয়োজনে মুখরিত ছিল সময়।

চড়া রোদে পিছিয়ে আসেননি লকেট চট্টোপাধ্যায়। নৌকাতে তিনি ঢাকও বাজিয়েছেন। ঢাকের বোলে বিজেপি মহিলা মোর্চার সদস্যরা লাল সাদা শাড়িতে কুলো হাতে নববর্ষে অনুষ্ঠান করেন। চন্দননগর রানী ঘাট থেকে শুরু করে চুঁচুড়া বাঁশবেড়িয়া হয়ে ত্রিবেনী পর্যন্ত চলে এই প্রচার।
বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায় সকলে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা - ভালোবাসা জানিয়েছেন। নতুন বছর সকলের ভালো কাটুক। সকলের স্বপ্নপূরণ হোক। এই আশা করেছেন তিনি। চন্দননগর, চুঁচুড়া,সপ্তগ্রাম, বলাগড় চারটি বিধানসভা এলাকা আছে হুগলিতে।
তিনটি বিধানসভা এলাকা নদী পথে ঘুরলেন লকেট চট্টোপাধ্যায়। প্রচারে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করলেন তিনি৷ এমনই মনে করছে বিজেপি৷ জলপথে প্রচুর মানুষ যাতায়াত করেন। এদিন নদীর পাড়েও দেখা গিয়েছে সাধারণ মানুষদের।
বলাগড়ে গঙ্গার ভাঙন দেখতে পাওয়া যায়। সেখানে মানুষজন আতঙ্কিত। গঙ্গার পাড় ভাঙতে দেখা যাচ্ছে দীর্ঘ সময় ধরে। লকেট কেন নৌকা নিয়ে বলাগড় গেলেন না? কেন ভাঙন কবলিত এলাকাগুলি পরিদর্শন করলেন না জলপথে? সেই প্রশ্ন এদিন উঠেছে।
গঙ্গার ভাঙন এখন গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা। বলাগড়ে তো বটেই দেশের একাধিক জায়গাতেই গঙ্গা নদীর ভাঙন দেখা যাচ্ছে। বলাগড়ে ভাঙন রোখার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার প্রচুর টাকা পাঠিয়েছিল। কিন্তু সেই টাকা কাজে না লাগিয়ে পকেটে ভরেছে তৃণমূল। এমনই মারাত্মক অভিযোগ করলেন লকেট।
লোকসভা নির্বাচন মিটে গেলে ভাঙন প্রতিরোধে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই বার্তা দিয়েছেন লকেট চট্টোপাধ্যায়। গোটা বাংলার মানুষের ভালো চায়নি তৃণমূল। কটাক্ষ বিজেপি প্রার্থীর।












Click it and Unblock the Notifications