East Bengal: এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগে বিরাট জয় ইস্টবেঙ্গলের, চার গোলে চূর্ণ বাংলাদেশের বসুন্ধরা কিংস
East Bengal: চলতি আইএসএলে টানা হারের হ্যাটট্রিকের পর এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগ খেলতে ভুটান গিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। প্রথম ম্যাচে ড্রয়ের পর আজ বড় জয় পেল অস্কার ব্রুজোর প্রশিক্ষণাধীন লাল হলুদ।
ব্রুজো আগে ছিলেন বসুন্ধরা কিংসের কোচ। বাংলাদেশের সেই দলকেই এদিন উড়িয়ে দিল ইস্টবেঙ্গল। জয় এলো ৪-০ গোলে। প্রথমার্ধেই চারটি গোল। অনেক দিন পর অচেনা, কিন্তু স্বমহিমায় ফেরা ইস্টবেঙ্গলকে নিয়ে স্বস্তি সমর্থকরা।

গ্রুপ এ-তে পারো এফসির বিরুদ্ধে ভালো খেলেও ইস্টবেঙ্গলকে ২-২ গোলে ড্র রেখে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল। শুক্রবার গ্রুপের শীর্ষে থাকা লেবাননের নেজমেহ এফসি (Nejmeh FC)-র মুখোমুখি হওয়ার আগে এদিনের জয় ইস্টবেঙ্গলের আত্মবিশ্বাসও বাড়াতে ইতিবাচক ভূমিকা নেবে।
নেজমেহ এখনও অবধি ২টি ম্যাচেই জয় পেয়েছে। ইস্টবেঙ্গল তাদের চেয়ে ২ পয়েন্টে পিছিয়ে। ফলে জিতলেই গ্রুপের শীর্ষে থেকে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে যাবে ইস্টবেঙ্গল। তা না হলে তাকিয়ে থাকতে হবে অন্য গ্রুপের ম্যাচগুলির ফলাফলের দিকে।
বসুন্ধরার বিরুদ্ধে ১ মিনিটের মাথাতেই এগিয়ে যায় লাল হলুদ। বাঁদিক থেকে ক্রস ভাসিয়েছিলেন লালচুংনুঙ্গা। তা বিপন্মুক্ত করতে পারেনি বসুন্ধরা। সেই ক্রস থেকেই গোল করে যান দিমিত্রিয়স দিয়ামান্তাকস। লাল হলুদের গোলমেশিন এই গোলটির সৌজন্যে একটি ঈর্ষণীয় রেকর্ড গড়লেন। তাঁর গোলটি আসে কিক-অফের ঠিক ৩৩ সেকেন্ডের মাথায়। যা যে কোনও এএফসি প্রতিযোগিতার ইতিহাসে ইস্টবেঙ্গল ফুটবলারের করা দ্রুততম গোল।
ম্যাচের ২০ মিনিটের মাথায় তিনিই আরেকটি গোলের সুযোগ পেয়েছিলেন। তবে শটটি বারের উপর দিয়ে চলে যায়। এর কয়েক সেকেন্ড পরেই লাল হলুদের দ্বিতীয় গোল। সাউল ক্রেসপো বক্সে বল পাঠিয়েছিলেন, তা পেয়ে যান সৌভিক চক্রবর্তী। তিনি বল জালে জড়াতে কোনও ভুল করেননি। ২৬ মিনিটে মাদিহ তালালের অ্যাসিস্টে নন্দকুমার সেকরের গোলে ইস্টবেঙ্গল ৩-০ গোলে এগিয়ে যায়।
ম্যাচের ৩৩ মিনিটে অনেকটা দূর থেকে বিশ্বমানের গোল করেন আনোয়ার আলি। বসুন্ধরার রক্ষণভাগ বলটি ঠিকভাবে ক্লিয়ার করতে পারেনি। বক্সের বাইরে তা পেয়ে যান আনোয়ার। সেখান থেকেই শট নেন, যা বসুন্ধরার গোলকিপারের নাগাল এড়িয়ে জালে জড়িয়ে যায়।
ইস্টবেঙ্গল দ্বিতীয়ার্ধে আর কোনও গোল পায়নি। ব্যবধান কমাতে পারেনি বসুন্ধরা কিংসও। ফার্নান্দেজ, মিগুয়েল ফিগুয়েরা লাল হলুদ গোলকিপারকে পরীক্ষার মুখেও ফেলতে পারেননি। শুধু ফিগুয়েরার একটি প্রয়াস ৮২ মিনিটে পোস্টে প্রতিহত হয়। ফলে লাল হলুদকে কোনও গোল হজম করতে হয়নি।












Click it and Unblock the Notifications