• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

(ছবি) মহাত্মার জন্ম জয়ন্তী : জেনে নিন তাঁকে নিয়ে অজানা নানা তথ্য

জাতির জনক মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী সম্পর্কে আলাদা করে বলার বিশেষ নেই। অহিংসার পূজারী এই মানুষটি সারাজীবন দেশের হয়ে, দশের হয়ে সংগ্রাম করে গিয়েছেন। স্বাধীনতার এতবছর পরও তাঁর আদর্শ অন্যতম পাথেয় বলে বিবেচ্য হয়েছে সারা বিশ্বে। ['স্বচ্ছ ভারত' অভিযানের সূচনা প্রধানমন্ত্রীর]

আজ তাঁর জন্ম জয়ন্তী। ঠিক একবছর আগে আজকের দিনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গান্ধীজীকে শ্রদ্ধা জানাতে শুরু করেছিলেন 'স্বচ্ছ্ব ভারত অভিযান'। ২০১৯ সালে মহাত্মার জন্মের সার্ধ শতবর্ষের আগেই দেশকে জঞ্জালমুক্ত করতে হবে, এটাই ছিল মোদীজীর উদ্দেশ্য। [ধর্ষণকারী ছেলে মরুক, চেয়েছিলেন বাপু]

একইসঙ্গে কয়েক বছরের মধ্যে সবার জন্য বাড়ি ও শৌচাগার নির্মাণের লক্ষ্যেও বিশেষ প্রোজেক্ট শুরু করেছে কেন্দ্র। তবে জীবদ্দশায় মহাত্মা যে মহান আদর্শ নিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন তা সম্পূর্ণ বাস্তবায়িত হবে কিনা তা সময়ই বলবে।

তার আগে মহাত্মার জন্ম জয়ন্তীতে নিচের স্লাইডে ক্লিক করে জেনে নিন তাঁর সম্পর্কে অজানা কয়েকটি তথ্য।

চেনা অচেনা জাতির জনক

চেনা অচেনা জাতির জনক

নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য পাঁচবার মনোনীত হন মহাত্মা গান্ধী। সেসময়ে নোবেল কমিটি বারবারই দুঃখপ্রকাশ করে, কারণ সেসময়ে মরণোত্তর নোবেল পুরস্কার দেওয়ার রীতি ছিল না।

চেনা অচেনা জাতির জনক

চেনা অচেনা জাতির জনক

৪টি মহাদেশের ১২টি দেশের গণ আন্দোলনের সঙ্গে জড়িয়ে ছিলেন মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী।

চেনা অচেনা জাতির জনক

চেনা অচেনা জাতির জনক

যে ইংরেজদের সঙ্গে লড়াই করে দেশকে স্বাধীনতা এনে দেন গান্ধী, সেই ব্রিটেন মহাত্মার জন্ম শতবর্ষ উপলক্ষ্যে ১৯৬৯ সালে তাঁর নামে ডাক টিকিট চালু করে।

চেনা অচেনা জাতির জনক

চেনা অচেনা জাতির জনক

জানা গিয়েছিল, মহাত্মা প্রতিদিন ১৮ কিলোমিটার পথ হাঁটতেন। সেই হিসাবে পৃথিবী পরিক্রমায় বের হলে তিনি দু'বার পৃথিবী চষে ফেলতে পারতেন।

চেনা অচেনা জাতির জনক

চেনা অচেনা জাতির জনক

একসময়ে সেনাদলে নাম লিখিয়েছিলেন মহাত্মা গান্ধী। তবে যুদ্ধের বীভৎসতা দেখে তিনি এর ভয়াবহতা আঁচ করতে পেরে অহিংসার প্রতি আরও বেশি করে আকৃষ্ট হন।

চেনা অচেনা জাতির জনক

চেনা অচেনা জাতির জনক

স্বাধীনতা পাওয়ার পরে ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর প্রথম বক্তৃতার সময়ে সেখানে উপস্থিত ছিলেন না গান্ধী। ধর্মীয় সংহতি বজায় রাখতে কলকাতায় ছিলেন তিনি।

চেনা অচেনা জাতির জনক

চেনা অচেনা জাতির জনক

গান্ধীর ব্যবহৃত বহু সামগ্রী, এমনকী যে বস্ত্র পরিহৃত অবস্থায় তিনি খুন হন, সেটিও মাদুরাইয়ের গান্ধী মিউজিয়ামে সংরক্ষিত করে রাখা রয়েছে।

চেনা অচেনা জাতির জনক

চেনা অচেনা জাতির জনক

মহাত্মা গান্ধীর ইংরেজি উচ্চারণের মধ্যে আইরিশ প্রভাব ছিল। কারণ তাঁর প্রথম শিক্ষক ছিলেন একজন আইরিশ।

চেনা অচেনা জাতির জনক

চেনা অচেনা জাতির জনক

লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন মহাত্মা। এরপর অ্যাটর্নি হন। তবে প্রথমবার আদালতে বক্তব্য রাখতে উঠে নার্ভাস হয়ে পড়েন গান্ধী। কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে বসে পড়েন ও মামলা হেরে যান।

চেনা অচেনা জাতির জনক

চেনা অচেনা জাতির জনক

মহাত্মা গান্ধীর ভক্ত ছিলেন অ্যাপেলের স্রষ্টা স্টিভ জোবস। তাঁর দেখাদেখি জোবসও গোলাকার ফ্রেমের চশমা পরতেন। পরে সেটাই হয়ে উঠেছিল জোবসের স্টাইল স্টেটমেন্ট।

চেনা অচেনা জাতির জনক

চেনা অচেনা জাতির জনক

একজোড়া বাঁধানো দাঁত ছিল গান্ধীর। প্রয়োজনের সময় ছাড়া সেটিকে কাপড়ে মুড়ে কাছে রাখতেন তিনি।

চেনা অচেনা জাতির জনক

চেনা অচেনা জাতির জনক

মহাত্মা গান্ধীর নামে ছোট রাস্তাগুলি বাদে মোট ৫৩টি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক রয়েছে।। এছাড়া দেশের বাইরে মহাত্মার নামে মোট ৪৮টি রাস্তা রয়েছে।

চেনা অচেনা জাতির জনক

চেনা অচেনা জাতির জনক

দক্ষিণ আফ্রিকাতে থাকাকালীন বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে ফুটবলের প্রসারে ব্রতী হন গান্ধী। তিনি ডারবান, প্রিটোরিয়া ও জোহানেসবার্গে ফুটবল ক্লাব খুলতে উদ্যোগী হন। তিনটিরই নাম ছিল, 'প্য়াসিভ রেসিস্টার্স সকার ক্লাব'।

চেনা অচেনা জাতির জনক

চেনা অচেনা জাতির জনক

গান্ধীজী কখনও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যাননি। তবে সেখানেও তাঁর ভক্ত কম নেই। তাঁর অন্যতম বড় অনুরাগী ছিলেন হেনরি ফোর্ড। এক সাংবাদিকের হাত দিয়ে তাঁকে একটি চরকা উপহার দেন গান্ধী।

English summary
Tribute : Some facts you need to know about Mohandas Karamchand Gandhi
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more