Bangladesh: শাকিব আল হাসানের বেতন মেরে দেওয়ার প্ল্যান ইউনূসদের! কয়েক লক্ষ টাকা বকেয়া রেখে বড় বুলি বাংলাদেশের
Bangladesh: শাকিব আল হাসানের বেতন মেরে দেওয়ার ছক কষেছে মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার! বাংলাদেশের অলরাউন্ডারের কয়েক লক্ষ টাকা আটকে রেখেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড।
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে দেশে ফিরেছে বাংলাদেশ দল। তারপর ক্রিকেটারদের জন্য বিসিবি বড় ঘোষণা করতেই সামনে এলো লজ্জার চিত্র।

শাকিব আল হাসানকে আর বাংলাদেশের জার্সিতে ক্রিকেট মাঠে দেখতে পাওয়ার সম্ভাবনা কম। টি২০ আন্তর্জাতিক থেকে অবসর নিয়েছেন। দেশের মাটিতে শেষ টেস্ট খেলার স্বপ্ন ছিল। কিন্তু দেশেই ঢুকতে পারেননি। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতেও শাকিবকে দলে রাখেনি বাংলাদেশ।
শাকিব বাংলাদেশের সংসদ সদস্য হয়েছিলেন আওয়ামি লিগের টিকিটে। কিন্তু শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ছাড়ার পর থেকেই সমস্যা বাড়ে শাকিবের। খুন-সহ নানা মামলা দায়ের হয়েছে শাকিবের বিরুদ্ধে। বাংলাদেশে অশান্তি শুরুর পর থেকে আর দেশেই ফিরতে পারেননি।
বাংলাদেশের প্রাক্তন অধিনায়ক তথা বিশ্বের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার শাকিবের সঙ্গে বাংলাদেশে যে আচরণ চলছে তার সমালোচনা হচ্ছে সব মহলেই। এরই মধ্যে ক্রিকবাজের প্রতিবেদনে দাবি করা হলো, শাকিব বিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকায় যে বেতন পাওয়ার দাবিদার, তা আটকে রাখা হয়েছে।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড গতকালই প্লেয়ারদের ম্যাচ ফি বাড়ানোর কথা ঘোষণা করেছে। কিন্তু তার মধ্যেই জানা গেল, শাকিব দেশের হয়ে যে শেষ চার মাস খেলেছেন তার বকেয়া বেতন দেওয়াই হয়নি। সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর অবধি শাকিব বকেয়া বেতন যে পাননি, তা স্বীকার করছে বিসিবি।
জানা যাচ্ছে, শাকিবের বকেয়া বেতনের পরিমাণ বাংলাদেশের মুদ্রায় ৪৮ লক্ষ টাকা। কর বাদ দিয়ে যা ৩৩ লক্ষ টাকার কম নয়। গত বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি বোর্ডের যে সেন্ট্রাল কন্ট্রাক্ট লিস্ট বেরিয়েছিল তাতে দেখা গিয়েছিল লিটন দাস, মেহিদি হাসান মিরাজ, নাজমুল হোসেন শান্ত, শরিফুল ইসলামের মতো শাকিব তিন ফরম্যাটেই চুক্তিবদ্ধ।
শাকিবের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলি গত নভেম্বর মাসেই ফ্রিজ করে দেওয়া হচ্ছে। সে কারণেই শাকিবকে বেতন দেওয়া যায়নি বলে যুক্তি বিসিবির। শাকিব বিভিন্ন মামলায় দোষী সাব্যস্ত না হওয়া অবধি বাংলাদেশের হয়ে খেলতে পারেন বলে জানিয়েছিল বিসিবি। কিন্তু তারপরও জোরালো বিক্ষোভ শুরু হয়।
শেষে ল্যাজ গুটিয়ে বিসিবি গোটা ঘটনা থেকে দূরত্ব বাড়ায়। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট খেলতে দেশে ফেরার জন্য রওনা দিলেও দুবাইয়েই আটকে যেতে হয়েছিল শাকিবকে। পরে ফিরে যান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। বোলিং অ্যাকশন নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল। সেই সমস্যাও মিটে গিয়েছে। বিসিবি ক্রিকেট অপারেশন চেয়ারম্যান নাজমুল আবেদিন বলেছেন, শাকিব খেলুন বা না খেলুন, তাঁর প্রাপ্য বকেয়া পেয়ে যাবেন চুক্তিমাফিকই। কিন্তু প্রশ্ন হলো আর কবে?












Click it and Unblock the Notifications