ফের কেষ্টর ডেরায় বিক্ষোভের মুখে শতাব্দী, খয়রাশোলের পর মহম্মদবাজারে দিদির দূত কর্মসূচিতে সাংসদকে ঘিরে অসন্তোষ
ফের কেষ্টর ডেরায় বিক্ষোভের মুখে শতাব্দী রায়
পঞ্চায়েত ভোটের আগে ক্রমশ বেলাগাম হচ্ছে বীরভূমের পরিস্থিতি। প্রকাশ্যে একদিকে যখন দলের নেতা অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছে। সেকারকমই দিদির দূত কর্মসূচিতে গিয়ে একের পর এক বিক্ষোভের মুখে পড়তে হচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ শতাব্দী রায়কে। গতকাল খয়রাশোলে বিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন তিনি। সোমবার আবার মহম্মদ বাজারে দিদির দূত কর্মসূচিতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদকে।

কয়েকদিন আগে বীরভূমের তৃণমূল কংগ্রেস নেতা কাজল শেখ প্রকাশ্যে অভিযোগ করেছিলেন অনুব্রত মণ্ডল জেলে বসেই দল পরিচালনা করছেন। ফোনে কথা হচ্ছে তাঁর সঙ্গে। সেকারণেই পঞ্চায়েত ভোটের আগে কোনও রকম কোর কমিটির বৈঠক ডাকা হচ্ছে না। এই মন্তব্যের কয়েকদিন পরেই আবার প্রাণ সংশয়ের আশঙ্কা প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। প্রকাশ্যেই তিনি বলেছিলেন, যেকোনও মুহূর্তে খুন হয়ে যেতে পারি। কেষ্টকে নিয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য করার কারণেই যে তাঁকে খুন করা হতে পারে তা আর আলাদা করে বলার অপেক্ষা রাখে না।
এদিকে পর পর ২ দিন বীরভূমে দিদির দূত কর্মসূচিতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ শতাব্দী রায়কে। গতকাল খয়রাশোলে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছিল তাঁকে। তার পরের দিন মহম্মদবাজারে বিক্ষোভের মুখে পড়েন তিনি। সাংসদ দিদির দূত কর্মসূচি নিয়ে গ্রামবাসীদের কাছে গিয়েছিলেন। সেখানে গ্রামবাসীরা তাঁকে দেখেই তাঁদের ক্ষোভ উগরে দেন। বিধবা ভাতা, বার্ধক্য ভাতা কোনও কিছুই তাঁরা পাচ্ছেন না বলেঅভিযোগ করেছেন। সাংসদ জানিয়েছেন জেলার উন্নয়নে ৯৯ শতাংশ শৌচাগার তৈরির রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে তারপরেও কেন কাজ হয়নি তা তিনি খতিয়ে দেখবেন।
এদিকে কেষ্টর জায়গায় কাউকে জেলা সভাপতির পদে বসাননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জেলার দায়িত্ব নিজের হাতেই রেখেছেন। এবং ফিরহাদ হাকিম তাঁকে সাহায্য করবেন বলে জানিয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রীতিমত চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন অনুব্রতকে কতদিন জেলে আটকে রাখা হতে পারে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications