প্রকাশ্যে দক্ষিণেশ্বরে Shoot out! পুলিশকে লক্ষ্য করে চলল গুলি

প্রকাশ্য দিবালকে গুলির লড়াই দক্ষিণেশ্বরে। এলাকার একটি হোটেলে ঘাঁটি গেড়ে রয়েছে বেশ কয়েকজন ডাকাত। আর তাঁদেরকে ধরতে গেলে পুলিশকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি ছোঁড়া হয় বলে

প্রকাশ্য দিবালকে গুলির লড়াই দক্ষিণেশ্বরে। এলাকার একটি হোটেলে ঘাঁটি গেড়ে রয়েছে বেশ কয়েকজন ডাকাত। আর তাঁদেরকে ধরতে গেলে পুলিশকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি ছোঁড়া হয় বলে অভিযোগ। আর এই ঘটনায় এক সিভিক পুলিশ গুরুতর আহত হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। প্রথমে তাঁকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

দক্ষিণেশ্বরে হোটেলে এলোপাথাড়ি গুলির লড়াই!

অবস্থা গুরুতর হওয়াতে দ্রুত বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় ওই সিভিক কর্মীকে। অন্যদিকে ঘটনার খবর পেয়েই ছুটে আসেন বারাকপুর কমিশনারেটের আধিকারিকরা। পুরো পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে।

জানা যাচ্ছে, রহড়ার একটি ডাকাতির ঘটনার সুত্র ধরে আজ শুক্রবার দক্ষিণেশ্বর-আদ্যাপীঠ সংলগ্ন ওই হোটেলে হানা দেন পুলিশের আধিকারিকরা। গোপন সূত্রে খবর আসে যে ওই হোটেলে তিনজন ডাকাত গা ঢাকা দিয়ে রয়েছে। আর এরপরেই পুলিশ আধিকারিকরা বেশি সময় নষ্ট করেননি। দ্রুত ওই হোটেল ঘিরে ফেলেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। পুলিশের একটা অংশ পৌঁছে যান ওই হোটেলের রিসেপশনে। সেখানে ছবি দেখিয়ে পুলিশ আধিকারিকরা নিশ্চিত হন যে ওই ডাকাত দল ওই হোটেলেই লুকিয়ে রয়েছে।

আর এরপরেই একেবারে পরিকল্পনা করে হোটেলের একটি ঘরে লুকিয়ে থাকা ডাকাতদলকে ঘিরে ফেলে পুলিশ। কিন্তু ততক্ষণে টের পেয়ে যান লুকিয়ে থাকা ডাকাত দল। কিছু বুঝে ওঠার আগেই পুলিশকে লক্ষ্য করে একেবারে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে লুকিয়ে থাকা ডাকাত দল। আর তাতে পুলিশের এক সিভিক কনস্টেবল গুরুতর আহত হয়। তাঁর পায়ে গুলি লাগে বলে জানা যায়। যদিও দীর্ঘ লড়াই শেষে লুকিয়ে থাকা তিন ডাকাতকেই প্যাঁচে ফেলেন পুলিশ আধিকারিকরা। আর ঘর থেকেই গ্রেফতার করে।

এমনকি যে আগ্নেয়াস্ত্র থেকে গুলি চালাচ্ছিল সেটিও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ধৃত তিনজনকেই ইতিমধ্যে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছেন পুলিশ আধিকারিকরা। তবে দিনে-দুপুরে প্রকাশ্যে একটি জনপবহুল এলাকাতে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। যদিও এই মুহূর্তে ওই হোটেলের সামনে পুলিশ পিকেটিং বসানো হয়েছে। ঘটনাস্থলে এসেছেন পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও।

অন্যদিকে হোটেলের এক কর্মী জানিয়েছেন, শুক্রবার সকালে প্রথমে দুজন আসে। তাঁরা একটি ঘর নেয়। এরপর আরও একজন এসে আরও একটি ঘর নেয়। মোট দুটি করে তিনজন লুকিয়ে ছিল বলে জানিয়েছেন ওই হোটেল কর্মী। তবে স্থানীয় মানুষজনের দাবি, আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে এলাকাতে চলছে হোটেল ব্যবসা। সারা দিন জনবহুল এলাকাতে অপিরিচিত লোকের যাতায়াত। এই বিষয়ে পুলিশের কাছে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকার মানুষজন।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+