পানিহাটি কাউন্সিলর খুনের অস্ত্র পাঠিয়েছিলে কে? পাটনা থেকে গ্রেফতার আরও ১
পানিহাটি কাউন্সিলর খুনের অস্ত্র পাঠিয়েছিলে কে? পাটনা থেকে গ্রেফতার আরও ১
পানিহাটি পুরসভার অনুপম দত্ত খুনের ঘটনায় বিহারের পাটনা থেকে আরও একজনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ধনঞ্জয় কুমার নামে এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই ব্যক্তিই কাউন্সিলকে খুন করার জন্য অস্ত্র সরবরাহ করেছিল বলে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। ট্রানজিট রিমান্ডে ইতিমধ্যেই তাঁকে ব্যারাকপুরে নিয়ে আসা হয়েছে। ধনঞ্জয় কুমারকে জেরা করে আরও তথ্য প্রকাশ্যে আসবে বলে মনে করছেন গোয়েন্দারা।

গত ১২ মার্চ সন্ধেবেলায় চায়ের দোকানের সামনে গুলিকরে খুন করা হয়েছিল পানিহাটি পুরসভার নবনির্বাচিত ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অনুপম দত্তকে। আততায়ীরা বাইকে করে এসে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে অনুপম দত্তকে। সঙ্গে সঙ্গে মাটিতে লুটিয়ে পড়েছিলেন তিনি। পুলিশ আতাতীদের ধরার আগেই স্থানীয় বাসিন্দারা তৎপর হয়ে হোগলা বনে লুকিয়ে থাকা শম্ভুনাথ পণ্ডিতকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছিল। ব্যক্তিগত কারণ না রাজনৈতিক কারণে খুন হয়েছেন অনুপম দত্ত এই নিয়ে তীব্র ধোঁয়াশা তৈরি হয়।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে প্রমোটিং নিয়ে শম্ভুনাথ পণ্ডিতের সঙ্গে বিবাদে জড়িেয়ছিলেন অনুপম দত্ত। ঘটনার দিল তিনিই নীল রঙের শার্ট পরে বাইকে করে এসে গুলি চািলয়েছিলেন অনুপম দত্তকে লক্ষ্য করে। এই ঘটনার পরে শম্ভুনাথ পণ্ডিতকে জেরা করে আরও ২ জনের নাম জানতে পারে পুলিশ। গত মঙ্গলবার সুজিত পণ্ডিত এবং প্রসেনজিৎ পণ্ডিত নামে আরও ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
তাঁদের জেরা করেই সম্ভবত বিহারের পাটনা থেকে ধনঞ্জয় কুমার নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুিলশ। ব্যারাকপুর আদালত তাঁকে ৬ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে এই ধনঞ্জয়ই পাটনা থেকে খুনের অস্ত্র সরবরাহ করেছিল শম্ভুনাথ পণ্ডিতকে। এই নেপথ্যে আরও কারও হাত রয়েছে কিনা তা জানার চেষ্টা করছে তদন্তকারীরা।
এদিকে পুরসভা ভোটের পর একের পর এক জায়গায় খুনের ঘটনা ঘটেছে। পানিহাটিতে কাউন্সিলর খুনের পর ঝালদায় কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দুকেও গুলি করে প্রকাশ্য রাস্তায় খুন করা হয়। তারপরেই আবার বীরভূমে টিএমসি নেতা ভাদু শেখকে গুলি করে খুন করা হয়। তারপরেই আবার বগটুইয়ে নারকীয় গণহত্যা। ৯ জনকে পুড়িয়ে হত্যা করার মত ঘটনা ঘটেছে। রাজ্যের আইন প্রশাসননিয়ে প্রশ্ন তুেল সরব হয়েছে বিরোধীরা। তাঁরা রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির দাবি জানিয়েছে। এরই মধ্যে তিনটি খুনের ঘটনার সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট।












Click it and Unblock the Notifications