Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

Ramayana: তাঁর শক্তিকে ভয় পেতেন স্বয়ং ইন্দ্রও! তাও কেন যুদ্ধে নিহত হন কুম্ভকর্ণ?

মহর্ষি বাল্মীকি রচিত রামায়ণ হল ভারতের প্রাচীন মহাকাব্য। না জানি কত না গল্পকথা প্রচলিত রয়েছে এই মহাকাব্যের প্রতিটি চরিত্র ঘিরে। এর প্রতি পরতে পরতে রয়েছে আলাদা আলাদা কাহিনী। এই মুহূর্তে অযোধ্যা বা শ্রী রামকে ঘিরে তুমুল চর্চা হলেও পর্বপর্য অনুযায়ী প্রাচীন বৈদিক যুগ থেকেই চর্চায় থেকেছে এই মহা রচনা।

বিষ্ণু এবং তাঁর দশাবতারের মধ্যে ত্রেতা যুগে জন্ম নিয়েছিলেন রাম। মূলত তাঁকে ঘিরে এই মহাকাব্য আবর্তিত হলেও রামায়ণ অসম্পূর্ন থাকে রাবণ এবং তাঁর পার্শ্ববর্তী চরিত্রগুলি ছাড়া। তাঁদের মধ্যেই অন্যতম কুম্ভকর্ণ। সকলের কাছে তিনি তাঁর ঘুমের জন্য বিখ্যাত হলেও মহা বীর ছিলেন লঙ্কাপতি রাবণের এই ভাই। আসলে কে ছিলেন তিনি জানেন?

Ramayana

কুম্ভকর্ণ নামের মানে

চরিত্র পরিচয়ের প্রথমেই উল্লেখ হয় নামের। সেক্ষেত্রে কুম্ভকর্ণ হলেন আক্ষরিক অর্থে যার কর্ণ বা কান কুম্ভ বা কলসির মতো। মহাকাব্য রামায়ণে উল্লেখিত একটি অন্যতম খলচরিত্র। মহাকাব্যে বর্ণনা করা হয়েছে তিনি বছরের অধিকাংশ সময় ঘুমিয়ে কাটাতেন। তাঁর সেই গভীর নিদ্রা ভাঙার জন্য রীতিমত ঢাক, ঢোল বাজাতে হত। আসলে যুবক অবস্থায় তিনি একবার ব্রহ্মার ধ্যান করেছিলেন অজয় হওয়ার বর পাওয়ার জন্য। কিন্তু সেই বর পেলে কারও হাতেই তিনি বোধ হতেন না, তাই দেবী সরস্বতীর মায়ায় তাঁর মুখ থেকে ইন্দ্রাসন চাওয়ার বদলে নিদ্রাসন বের হয়। আর সেই থেকেই ঘুম তাঁর সঙ্গী হয়ে ওঠে।

ইন্দ্র বিজয় ও পরাক্রম

রামায়ণে কুম্ভকর্ণকে সুচরিত্র এবং দক্ষ যোদ্ধা হিসাবে বর্ণনা করা হয়েছে। তিনি রাম-রাবণ যুদ্ধের এক পর্যায়ে নিজের শক্তি প্রদর্শনের জন্য বহু বানরসৈন্যকে হত্যা করেন৷ তিনি এতটাই ধার্মিক, বিচক্ষন ও অজেয় ছিলেন যে স্বয়ং দেবরাজ ইন্দ্র ও তার শক্তির প্রতি ঈর্ষান্বিত ছিলেন৷ কুম্ভকর্ণ একজন দানব হলেও, তাঁর আচরণ ছিল অত্যন্ত ভাল। তিনি তাঁর পরিবারের প্রতি ভীষণ যত্নশীল ছিলেন। এমনকি অকারণে তিনি কাউকে আঘাত করতেন না। রামায়ণ অনুযায়ী হিংসার বিরুদ্ধে ছিলেন। কুম্ভকর্ণ নারদ মুনির কাছ থেকে দার্শনিক পাঠ নিয়েছিলেন।

Ramayana

পূর্বজন্ম ও অভিশাপ!

রাবণের ভাই বা খোল চরিত্র হলেও আসলে কুম্ভকর্ণ ছিলেন বিষ্ণুর দ্বাররক্ষক বিজয়ের অবতার৷ জয় ও বিজয় শ্রীবিষ্ণুর বাসস্থান বৈকুন্ঠের দ্বার রক্ষক ছিলেন। প্রাথমিকভাবে অমর বরপ্রাপ্ত হলেও অভিশাপের ফলে তিনি পৃথিবীতে রাক্ষস রূপে জন্ম নেন। ব্রহ্মার চার মানসপুত্র সনক, সদানন্দ, সনাতন, সনৎকুমার বিষ্ণুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এলে জয় ও বিজয় জানান ভগবানের নিষেধ যাতে এখন কেউ বৈকুন্ঠে ঢুকতে না পারে। ক্রোধের বশে তাঁদের অভিশাপ দেন চার কুমার। আর সেই মতই পুর্বনির্ধারিত জন্মের দ্বিতীয় জন্মে জয় রাবণ হিসাবে এবং বিজয় তার ভাই কুম্ভকর্ণ হিসাবে জন্মগ্রহণ করেন৷

কর্তব্যপরায়ণতা ও কুম্ভকর্ণ

মহা পরাক্রমশালী কুম্ভকর্ণ ছিলেন অত্যন্ত নিষ্ঠাবান পুত্র, ভাই ও প্রিয়জন। কুম্ভকর্ণ ও তার প্রথম পত্নী বজ্রমালার কুম্ভ ও নিকুম্ভ নামে দুই পুত্র সন্তান ছিল। এরপর তিনি সহ্যাদ্রির ডাকিন্যা অঞ্চল অর্থাৎ বর্তমান ওড়িশা রাজকুমারী কর্কটীকে বিবাহ করেন৷ তাঁদের ভীমাসুর নামে একটি পুত্রসন্তান হয়৷ রাম-রাবণ যুদ্ধে তাঁর পরাজয় হবে জেনেও জন্মভূমি ও ভাইয়ের সম্মান রক্ষায় তিনি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। সেখানেই তাঁর পূর্বজন্মের কথা মনে পরে। এবং বীর বিক্রমে যুদ্ধ করতে করতেই রামের হাতে মুক্তি লাভ করেন কুম্ভকর্ণ।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+