Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

Mythology: নিজের ছেলের হাতেই মৃত্যু হয়েছিল অর্জুনের মতো মহাবীরের, কী ঘটেছিল সেদিন

অর্জুন কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধ পর্যন্ত কোথাও হারের মুখ দেখেননি। জীবনের প্রতিটি সংগ্রামে তিনি ছিলেন বিজয়ী বীর। কিন্তু তাঁকে একবার হারতে হয়েছিল। এমনকী তাঁর মৃত্যুও হয়েছিল সেই সংগ্রামে। আর তাঁকে হারিয়ে দিয়েছিলেন তাঁর ছেলেই। এমন ঘটনা রয়েছে মহাভারতের উত্তর পর্বে।

কিন্তু অর্জুনের মতো কুরুক্ষেত্র-জয়ী মহাবীরকে কী করে পরাজিত করলেন বব্রুবাহন? কী করে তিনি অর্জুনকে হারাতে সক্ষম হলেন? এর পিছনে রয়েছে এক গল্প। আসলে কুরুক্ষেত্রে কৃতকর্মের ফলেই তাঁকে হারতে হয়েছিলেন নিজের ছেলের কাছে। আবার অর্জুন তারপর বেঁচেও উঠেছিলেন। সে ছিল এক আশ্চর্য কাহিনি।

image of arjun

কুরুক্ষেত্র যুদ্ধ শেষে হস্তিনাপুরের সিংহাসনে বসেছিলেন রাজা যুধিষ্ঠির। তারপর তিনি স্থির করেন অশ্বমেধ যজ্ঞ করবেন। অশ্বমেধ যজ্ঞের ঘোড়াকে ছেড়ে দেওয়া হল। আর তাকে অনুসরণ করতে শুরু করল অর্জুন। শর্ত এই ঘোড়া যেসব রাজ্যে যাবে হয় তারা বশ্যতা স্বীকার করে নেবে, নতুবা তাদের অর্জুনের সঙ্গে যুদ্ধ করতে হবে।

যুধিষ্ঠিরের নির্দেশ ছিল বিভিন্ন প্রদেশরে রাজাদের সঙ্গে যথাসম্ভব যুদ্ধ এড়িয়ে মৈত্রী স্থাপন করা। অশ্বমেধের ঘোড়া বেরনোর পর প্রথম সেই ঘোড়া আটকায় ত্রিগর্তদেশে। সেখানকার রাজা সূর্যবর্মা ঘোড়াকে আটকে অর্জুনের মৈত্রী প্রস্তাব এড়িয়ে যান। অর্জুন তাঁকে যুদ্ধে হারিয়ে তাঁরা রাজ্য দখল করেন।

তারপর প্রাগজ্যোতিষপুরে রাজা বজ্রদত্তকে হারান অর্জুন। সিন্ধু প্রদেশে জয়দ্রথের পুত্ররা তাঁকে আক্রমণ করেছিলেন, অর্জুনের কাছে তাঁরা পরাজিত হন। এরপর অর্জুমনের দ্বিগ্বিজয়ী রথ প্রবেশ করে মণিপুরে। মণিপুরের সিংহাসনে তখন রাজা বব্রুবাহন। এই বব্রুবাহন হলেন অর্জুন আর চিত্রঙ্গদার পুত্র।

অর্জুনের অশ্বমেধের ঘোড়া আটকান বব্রুবাহন। তারপর তাদের মধ্যে শুরু হয় মহাসংগ্রাম। অর্জুনের ছোড়া তিরের আঘাতে বব্রুবাহন কাহিল হয়ে পড়েন। বিপর্যস্ত বব্রুবাহন তখন নিজেকে রক্ষার পথ খুঁজে পাচ্ছিলেন না। অর্জুনের তীরের আঘাতে মূর্ছা যাচ্চিলেন বারবার। জেগে উঠে আবার যুদ্ধ করছিলেন। পরাজিত হচ্ছিলেন।

image of arjun

এই অবস্থায় বব্রুবাহনের মনে পড়ে গঙ্গার দেওয়া অস্ত্রের কথা। যে অস্ত্রে তিনি সংকটকালে পরিত্রাণ পেতে পারেন। দেবী গঙ্গার দেওয়া সেই অস্ত্র প্রয়োগ করতেই অর্জুন মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তিনি সংজ্ঞা হারান। চিরনিদ্রায় যেতে বসেন। আসলে এই অস্ত্র মা গঙ্গা প্রদান করেছিলেন অর্জুনকে মারার জন্যই।

কারণ কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে অর্জুন অন্যায় পথে শিখণ্ডিকে এনে ভীষ্মকে পরাজিত করেছিলেন। তারপর তাঁকে শরশয্যা প্রদান করেছিলেন। এতে ক্ষুণ্ণ হন ভীষ্ম-জননী গঙ্গা। তিনি তখন থেকেই পরিকল্পনা করেছিলেন অর্জুনের বিরুদ্ধে বদলা নেওয়ার। সেইমতো বব্রুবাহনের সঙ্গে যুদ্ধ আবশ্যকে জেনে তাঁকে ওই অস্ত্র প্রদান করেছিলেন।

এদিকে বব্রুবাহনের সঙ্গে যুদ্ধে অর্জুনের মৃত্যুর খবর পেয়ে তখন চিত্রাঙ্গদা ছুটে আসেন। পুত্র বব্রুবাহনের সামনে আসে আসল সত্য। তিনি জানতে পারেন অর্জুন তাঁর পিতা। এরপর অর্জুনকে রক্ষার জন্য নাগলোক থেকে সঞ্জীবন মণি আনা হয়। সেই সঞ্জীবন মণির স্পর্শে অর্জুন পুনর্জীবন লাভ করেন। তারপর পিতা-পুত্রের পরিচয় হয়। অবশেষে অর্জুন ফের দিগ্বিজয়ে বের হন।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+