Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

Rajinikanth: বাস কন্ডাক্টর থেকে সুপারস্টার, হয়ে ওঠার এই জার্নির নামই রজনীকান্ত!

রজনীকান্ত, দক্ষিণী ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির অভিভাবক। ভারতীয় সিনেমার অন্যতম বড় নাম। ৭৪ বছর বয়সেও যেন সেই দাপট ধরে রেখেছেন তিনি। তার আকর্ষণীয় পর্দায় উপস্থিতি এবং অত্যাশ্চর্য অভিনয়ের কারণে তিনি আজ আলাদায় মার্জিনে রয়েছেন। তাঁর ফ্যান সংখ্যাও সেরকমই বিস্তার করে রয়েছে দেশ ও বিদেশে।

এমনই অবস্থা যে দেশের বহু জায়গাতেই রজনীকান্তকে ভগবান জ্ঞানে পুজো পর্যন্ত করা হয়। এই সম্মান কিন্তু ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির কেউই এখনও পর্যন্ত পাননি। তবে এই সম্মান কিন্তু একদিনে আসেনি। একটা সময় ছিল যখন থালাইভা কে কেউই চিনত না।

Rajinikanth

মধ্যবিত্ত পরিবার থেকেই উঠে এসেছেন রজনীকান্ত। জন্ম সূত্র থেকেই কিন্তু তিনি রজনীকান্ত নন, তাঁর বাবা-মার দেওয়া নাম ছিল শিবাজি রাও গায়কোয়াড। একজন পুলিশ কনস্টেবলের ছেলে ছিলেন তিনি। মা ছিলেন সাধারণ গৃহিণী। তবে মাত্র ৯ বছর বয়সেই নিজের মা কে হারানোর যন্ত্রণা পান রজনীকান্ত।

ফলে ছোট থেকেই জীবন সংঘর্ষের সাথে পরিচিত হয়ে গিয়েছিল তাঁর। আর্থিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছিল সেই ছোট বয়সেই। তবে তিনি হাল ছাড়েননি। অভাব-অনটনের মধ্যেই নিজের স্কুলের পড়া শেষ করেন অভিনেতা। তারপর পরিবারের দেখভাল করতে কুলি হিসাবে কাজ শুরু করেন।

কিছু প্রাথমিক সংগ্রামের পর, অবশেষে তিনি বেঙ্গালুরু ট্রান্সপোর্ট সার্ভিসে বাস কন্ডাক্টরের চাকরি নেন। এই বছরগুলিতে তার সংগ্রাম তাকে সামনের পথের জন্য প্রস্তুত করছিল। রজনীকান্ত কন্ডাক্টর থাকাকালীন মাঝেমাঝেই অভিনয়ের পাঠ নিতেন হলে গিয়ে। জমানো টাকা থেকে কিছু কিছু বাঁচিয়ে সিনেমা দেখার চেষ্টা করতেন। তাছাড়া তাঁর মধ্যে ছোটোর থেকেই ছিল অভিনয়ের সত্ত্বা। এরপর সেই সূত্র ধরেই মাদ্রাজ ফিল্ম ইনস্টিটিউটে যোগ দেন রজনীকান্ত।

বলা যেতে পারে এটিই তাঁর জীবনের টার্নিং পয়েন্ট। এই অভিনয়ের দক্ষতার জন্যেই কে বালাচন্দর, একজন বিশিষ্ট চলচ্চিত্র নির্মাতা, তাকে লক্ষ্য করেছিলেন এবং অবশেষে তাকে 'অপূর্ব রাগাঙ্গাল' (১৯৭৫) নামে ছবিতে প্রথম সুযোগ দেন।

রোমান্টিক ড্রামায় তাকে নেতিবাচক চরিত্রে দেখা যায় আর তাঁর মধ্যেকার অন্য এক অসাধারণ সত্ত্বা প্রকোট পায়। কেবি তাকে তামিল শিখতে সাহায্য করেন এবং শিবাজি গণেশনের সাথে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য একটি নতুন স্ক্রিন নাম গ্রহণ করতে বলেন। তাঁর উপদেশ অনুসরণ করেই শিবাজি রাও গায়কোয়াড হয়ে ওঠেন 'রজনীকান্ত'।

তারপরে, তিনি 'আভারগাল' এবং 'মুন্দ্রু মুদিচু'র মতো চলচ্চিত্রে নেগেটিভ চরিত্রে ধরা দেন। দেখা যায় দর্শকরা তাঁকে স্থায়ী ভাবে মেনে নেয় এই সকল চরিত্রে। ১৯৮০-এর দশকে রজনীকান্তকে 'বিল্লা', 'থি' এবং 'পোলাধবন' চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে একজন দুঁদে তারকা হিসেবে আবির্ভূত হতে দেখা যায়।

এই চলচ্চিত্রগুলি তাকে পর্দায় 'angry young man' লুকে প্রতিষ্ঠিত করে দেয়, যা সাধারণ মানুষেরও নজরে পড়ে। 'নান মহন আল্লা'ও তার জন্য একটি স্মরণীয় মুক্তি হিসেবে প্রমাণিত হয়েছিল কারণ এটি তাকে তার আসল জাদুর সাথে পরিচিতি করায় তাঁর ফ্যানেদের। যত সময় যেতে থাকে ততোই নিজেকে ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে পরীক্ষা করতে থাকেন থালাইভা।

এরপর ১৯৮৩-তে তাঁর নতুন সফরনামা শুরু হয় বিটাউন ইন্ডাস্ট্রিতে। আন্ধা কানুন (১৯৮৩) দিয়ে রজনীকান্তও বলিউডে প্রবেশ করেন। এরপর গ্রেফতার, চালবাজ এবং হামের মতো চলচ্চিত্র দিয়ে বলিউডে প্রভাব বিস্তার করেন। এছাড়াও তিনি 'জন জনি জনার্ধন'(১৯৮৪) তে ট্রিপল ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন, যেটি বক্স অফিসে ভাল ব্যবসা করেছিল।

বলিউডে অল্প সময়ের মধ্যেই বিশাল দাপট দেখালেও রজনীকান্ত এখানে থাকতে চাননি। তিনি তাঁর কলিউডেই মনোনিবেশ করতে চেয়েছিলেন। তাই দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রিকেই তিনি বেছে নেন। ১৯৯০-র দশকে 'বাশা' (১৯৯৫) ছবিতে অভিনয়ের জন্য তাঁর জন্যে ট্যাগ ধার্য হয়। যেখানে বলা হয়, 'রজনী ম্যানিয়া রানিং ওয়াইল্ড'। আসলে চলচ্চিত্রটিতে তাকে একজন ডন হিসেবে দেখানো হয় এবং তার খোঁচা সংলাপ ও আচরণের মাধ্যমে দর্শকদের আকৃষ্ট করার

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+