Turmeric Side Effects: বেশি পরিমাণে হলুদ খেলে শরীরে হতে পারে এই সমস্যাগুলি, জানেন কি
বহু যুগ ধরে রান্নার কাজে ব্যবহার হয়ে আসছে হলুদ, হলুদ মূলত মশলা হিসেবেই ব্যবহার করা হয়। আবার আয়ুর্বেদিক চিকিৎসাশাস্ত্রে কিন্তু ওষুধ হিসাবেও হলুদ ব্যবহার করা হয়ে থাকে। হলুদের রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ, তা আমরা সকলেই জানি। আবার বিয়ে থেকে পুজো নানান ধর্মীয় কাজেও হলুদ ব্যবহার করা হয়।
হলুদে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট , অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য থাকে। যে ব্যক্তি রোজ হলুদ খান, তার শরীর ভালো থাকে, হলুদে কারকিউমিন নামক এক প্রকার যৌগ থাকে, এটি খেলে বাতের রোগ কমবে, আপনার মানসিক চাপ অনেকটাই কমবে, তবুও অত্যাধিক পরিমাণে হলুদ খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য একদমই ভালো নয়।

- কত পরিমাণ হলুদ খাওয়া ভালো
চিকিৎসকেরা বলছেন, ৪০০ থেকে ৬০০ মিলিগ্রাম হলুদ আপনি খেতে পারেন রোজ, তবে মেপে হলুদ খাওয়া দরকার কিন্তু মেপে আমরা হলুদ খাই না, ৪০০ থেকে ৬০০ মিলিগ্রামের বেশি হলুদ খেলে শরীরের নানান সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে, এমনকি মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।
- পেট খারাপ
যদি আপনি প্রচুর পরিমাণে হলুদ খান তাহলে আপনার পেট খারাপ হতে পারে, কারণ এতে কারকিউমিন থাকে, যা আপনার অন্ত্রে নানান সমস্যার সৃষ্টি করে। এতে অ্যাসিড হওয়ার সম্ভাবনা প্রচুর থাকে, হতে পারে ডায়রিয়াও।
- মাথা ব্যথা হয়
যে ব্যক্তি রোজ প্রচুর পরিমাণে হলুদ খান, তাঁর মাথা ব্যথা হয়, মাথা ঘোরে, কারণ, কারকিউমিন ৪০০ মিলিগ্রাম বা তার বেশি খেলে মাথা ঘোরার সম্ভাবনা থাকে প্রায় সকলেরই।
- বমি বমি ভাব লাগে
যারা প্রচুর পরিমাণে হলুদ খান, তাদের পেটের সমস্যা দেখা যায়। তাদের সব সময়ই পেট ভার ভার লাগে, এমনকি তাদের পেটে পাথর হতে পারে। শুধু তাই নয়, বমি বমি ভাব তাদের লেগেই থাকে।
- কারা এড়িয়ে চলবেন হলুদ খাওয়া
যেকোনো গর্ভবতী মহিলা বা যারা সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়াচ্ছেন সেইসব মায়েদের হলুদ এড়িয়ে চলাই ভালো, নাহলে আপনার শরীরে জটিল রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।
- কেন হলুদ শুধু মুখে মাখবেন না?
অনেকেই ত্বক ভালো রাখতে এবং উজ্জ্বল রাখতে মুখে হলুদ মাখেন, এটি মাখা ভালো তবে শুধুমাত্র হলুদ মাখবেন না। এর সঙ্গে দুধ বা দই মিশিয়ে পেস্ট করে মুখে মাখতে পারেন। তাতে সামান্য জল দেবেন। তাহলে আপনার মুখ আরো বেশি পরিষ্কার এবং উজ্জ্বল হবে, যদি পারেন নারকেল তেল দিয়েও মাখতে পারেন।
- কিডনিতে পাথর হয়
হলুদ প্রচুর পরিমাণে খেলে কিডনিতে পাথর সৃষ্টি হতে পারে। আসলে হলুদের ভেতরে অক্সালেট থাকে, এই অক্সালেট দেহে ক্যালসিয়ামকে দ্রবীভূত করার পরিবর্তে বাধার সৃষ্টি করে। আর একারণেই কিন্তু কিডনিতে পাথর হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।












Click it and Unblock the Notifications