Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থা স্থিতিশীল এবং শক্তিশালী বললেন শক্তিকান্ত দাস, দেশের জিডিপি নিয়েও বড় বার্তা

আগামিদিনে ফের একবার বাড়তে পারে রেপো রেট! এখনও পর্যন্ত রেপো রেট 6.5 শতাংশ রাখা হয়েছে। যদিও নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই মুল্যবৃদ্ধি রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে মুল্যবৃদ্ধির আঁচে পুড়ছে আমজনতা।

যদিও সুদের হার বৃদ্ধি ঠেকাতে তাঁর হাতে নেই বলেই মন্তব্য করেছেন ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্কের (আরবিআই) গভর্নর (RBI Governor) শক্তিকান্ত দাস (Shaktikanta Das)। সম্প্রতি সিআইআইয়ের একটি সভায় যোগ দেন তিনি। আর সেখানে একাধিক বিষয়ে কথা বলেন শক্তিকান্ত দাস।

ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থা স্থিতিশীল এবং শক্তিশালী বললেন শক্তিকান্ত দাস

আর সেখানে কথা বলতে গিয়ে তাঁর দাবি,, দেশের মুদ্রাস্ফীতি অনেকটাই কমেছে। কিন্তু এই সময়টা অনেকটাই চ্যালেঞ্জের। কার্যত অবহেলার কোনও সুযোগ নেই বলেই জানাচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক গভর্নর। তবে দেশের ব্যাঙ্কগুলির উপর ভরসা রয়েছে। শুধু তাই নয়, বিশ্বের পরিস্থিতির ক্ষেত্রে ভারতের ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থা স্থিতিশীল এবং শক্তিশালী বলেও এদিন মন্তব্য করেছেন শক্তিকান্ত দাস। আর এই আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক সবরকম ভাবে ব্যাঙ্কগুলিকে সাহায্য করছে বলে এদিন জানিয়েছেন তিনি। যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

অন্যদিকে ভারতের জিডিপি নিয়েও কথা বলেন আরবিআই গভর্নর। তাঁর কথায়, পরিসংখ্যান এবং পরিস্থিতি দেখে ইঙ্গিত ২০২২-২৩ আর্থিক বছরের জন্য GDP 7 শতাংশের বেশি হতে পারে। আর তা হলে তিনি কোনও ভাবেই আশ্চর্য হবেন না বলেও এদিন মন্তব্য করেছেন শক্তিকান্ত দাস। বিভিন্ন পরিসংখ্যান এবং ম্যাক্রো ফান্ডামেন্টালের ভিত্তিতে এমনটাই জানাচ্ছেন তিনি।

এই বছরের শুরুতেই 2022-23 সালের অর্থনৈতিক সমীক্ষা ভারতের জিডিপি ৭ শতাংশ হতে পারে বলে ইঙ্গিত করেছিল। ২০২৩-২৪ সালের জন্যে বেসলাইন জিডিপি বৃদ্ধি 6.5 শতাংশ হতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। এই প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়েই শক্তিকান্ত দাস বলেন, সুদের হারে বৃদ্ধি ঠেকানো আমার হাতে নেই।

আর তা পুরোপুরি ভাবে পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে। MPC পরিস্থিতির উপর দেখেই এহেন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলেও জানাচ্ছে আরবিআই। অন্যদিকে আগামী দেশে Retail Inflation-এ হার ৪.৭ শতাংশের নিচে নেমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। অন্যদিকে এদিন ফের ২০০০ টাকার নোট নিয়ে কথা বলেন শক্তিকান্ত দাস।

তাঁর কথায়, ২০১৮ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত ২০০০ টাকার নোটের চাহিদা সর্বাধিক ছিল। সেই সময় 6.73 লাখ কোটি টাকা নোট সার্কুলেশন হয়েছিল। কিন্তু ৩১ মার্চ ২০২৩ সালে এই চাহিা কমে 3.62 লাখ কোটিতে এসে দাঁড়িয়েছে। এই অবস্থায় বড়সড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তবে অন্যান্য নোট বাজারে অনেক বেশি ছেড়ে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রিজার্ভ ব্যাঙ্ক গভর্নর। ফলে ২০০০ টাকার নোটের পরিবর্তে অন্য নোট পেতে সমস্যা হবে না বলেই জানিয়েছেন তিনি।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+