সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীরা কি ১৮ মাসের বকেয়া ডিএ পাবেন? ফেব্রুয়ারিতে বড় ঘোষণার সম্ভাবনা
7th Pay Commission: কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীদের জন্য একাধিক বড় খবর। এই খবর তাঁরা ফেব্রুয়ারিতেই পেতে পারেন। দেশে কোভিডের সময় ফ্রিজ করে দেওয়া আঠারো মাসের মহার্ঘ ভাতার দাবি নিয়ে অর্থ মন্ত্রকে একটি প্রস্তাব জমা পড়েছে। সেখানে কোভিডের সময় ফ্রিজ করে দেওয়া সরকারি কর্মীদের জন্য মহার্ঘভাতা ও পেনশনভোগীদের জন্য মহার্ঘ ত্রাণের দাবি করা হয়েছে। এটা মেনে নিলে বাজেট বা পরবর্তী সময়ে সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীরা সুখবর পেতে পারেন।
একটি সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ভারতীয় প্রতীক্ষা মজদুর সংঘ কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমনকে এব্যাপারে চিঠি লিখেছে। ওই কর্মী সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মুকেশ সিং অর্থমন্ত্রকের কাছে চিঠি লিখে অনুরোধ করেছেন, ডিএ আর ডিআর-এর যে ভাতাগুলি স্থগিত করে দেওয়া হয়েছিল, তা ছেড়ে দেওয়া উচিত। অনেকেই মনে করছেন, লোকসভা নির্বাচনের আগে লক্ষ লক্ষ কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীকে আকৃষ্ট করতে মোদী সরকার এই দাবি পূরণ করতে পারে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ করা প্রয়োজন কোভিডের সময় ২০২০-র জানুয়ারি থেকে ২০২১-এর জুন পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীদের ১৮ মাসের মহার্ঘ ভাতা সেই সময় স্থগিত রাখা হয়েছিল। কেন্দ্রীয় অর্থ প্রতিমন্ত্রী পঙ্কত চৌধুরী এর আগে সংসদে লিখিত উত্তরে বলেছিলেন, ২০২০-২১ সালের আর্থিক বছরে কোভিডের সময়কার বকেয়া ডিএ ও ডিআর দেওয়া সম্ভব নয়।
অন্যদিকে, এই বছরের জানুয়ারি থেকে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীদের আরও এক কিস্তি মহার্ঘভাতা পাওনা হয়েছে। সাধারণভাবে জানুয়ারি থেকে শুরু করা মহার্ঘভাতা মার্চে আর জুলাই থেকে শুরু করা মহার্ঘভাতা সেপ্টেম্বরে ঘোষণা করা হয়। কিন্তু সামনেই রয়েছে লোকসভা নির্বাচন। ফেব্রুয়ারির শেষে কিংবা মার্চের শুরুতে তার ঘোষণা হতে পারে। সেই কারণে নির্বাচন ঘোষণার আগেই মহার্ঘভাতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করতে পারে মোদী সরকার।
ডিএ বৃদ্ধি করতে CPI-IW ডেটা বিবেচনা করা হয়। তার ওপরে ভিত্তি করে সরকার যদি ৪ শতাংশ মহার্ঘভাতা ও মহার্ঘ ত্রাণ ঘোষণা করে তাহলে তা ৫০ শতাংশে পৌঁছে যাবে। এর আগে অক্টোবরে কেন্দ্রীয় সরকার ৪ শতাংশ মহার্ঘভাতা ও মহার্ঘ ত্রাণ বৃদ্ধি করেছিল। যা ২০২৩-এর ১ জুলাই থেকে কার্যকর করা হয়েছে।
ডিএ কর্মীদের বেতনের ও অবসরপ্রাপ্তদের পেনশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এর বৃদ্ধির ফলে কর্মীদের প্রাপ্ত বেতন এবং অবসরপ্রাপ্তদের প্রাপ্ত পেনশনের ওপরে সরাসরি প্রভাব পড়ে। মূলত মুদ্রাস্ফীতির হার বিবেচনা করে সরকারি কর্মীদের ডিএ ও ডিআর বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেক্ষেত্রে মুদ্রাস্ফীতি যত বেশি হবে, কর্মীদের ডিএ ও ডিআর তত বেশি হয়।












Click it and Unblock the Notifications