Travel: পুজোর ছুটিতে ট্রেনে করে ঘুরে আসুন বিদেশ, কোথায় কীভাবে যাবেন জেনে নিন বিস্তারিত
বন্যায় বিধ্বস্ত সিকিম, উত্তরবঙ্গ। একের পর এক বুকিং বাতিল করছেন পর্যটকরা। কেউ ভয়ে তো কেউ নিরুপায় হয়। পথ ঘাট সব ভেসে গিয়েছে তিস্তার গর্ভে। যাওয়ার ইচ্ছে থাকলেও উপায় নেই। কিন্তু মন খারাপ না করে আর কোথায় যাওয়া যায় সেটা ভেবে নিন। সিকিম - উত্তরবঙ্গের একটু উপরেই রয়েছে নেপাল।
অনেকেই ভাববেন হয়তো উত্তরবঙ্গে তো ট্রেনে গাড়িতে পৌঁছে যাওয়া যেত কিন্তু নেপালে পৌছতে তো অনেক টাকা খরচ হয়ে যাবে। কিন্তু জেনে রাখুন খুব বেশি সময় লাগবে না নেপালে যেতে। উত্তরবঙ্গের মতো ট্রেনেই সেখানে পৌঁছে যাওয়া যাবে। তাও আবার নেপালের ট্রেনে।

কলকাতা থেকে ট্রেনে প্রথমে বিহারের সীমান্ত স্টেশন জয়নগরে পৌঁছতে হবে। সেখান থেকেই মিলবে নেপালের ট্রেন। জয়নগর থেকে নেপালি ট্রেন ধরে নেপালের জনকপুর শহর চলে যেতে পারবেন। বিহারের মধুবনী জেলার জয়নগর ভারতের একমাত্র স্টেশন যেখান থেকে দুটি দেশ ট্রেন পরিষেবা পরিচালনা করে
বিহারের জয়নগর স্টেশন থেকে মাত্র ১ ঘন্টা ১৫ মিনিটের যাত্রা পথ ট্রেনের। নেপালের জনকপুর পৌঁছতে নেপালের ৫টি স্টেশন পড়বে। ভাবছেন অনেক টাকা ভাড়। কিন্তু একেবারেই ভুল ভাবছেন নেপালের ট্রেনের ভাড়া ভারতের ট্রেন ভাড়ার চেয়েও কম। সাধারণ কামরায় সফরের খরচ ৩৫ টাকা আর এসি কামরায় সফরের খরচ জন প্রতি ২০০ টাকা।
জনকপুর নেপালের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর। আবার একটি নয় নেপালের তিনটি ট্রেন প্রতিদিন এই জনকপুর আর বিহারের জয়নগরের মধ্যে যাতায়াত করে। ভারতের সঙ্গে এই জনকপুরের পৌরাণিক যোগও রয়েছে। এই জনকপুরক নাকি মা সীতার বাপের বাড়ি অর্থাৎ মিথিলার রাজা জনকের রাজধানী। এবং সীতা মায়ের জন্মস্থান। সেকারণে প্রতিবছর এখানে ভারত থেকে অসংখ্য পূন্যার্থী এই জনকপুরে যান।
গতবছর এপ্রিল মাসে এই ব্রডগেজ রেললাইন চালু হয়েছে এই পথে। স্বাধীনতার আগে থেকে এখানে মিটারগেজ রেললাইন ছিল। তারপর বহুবছর এই লাইন বন্ধ ছিল। যদিও এই রেলপথ তৈরিতে নেপালকে সবরকম সহযোগিতা করেছে ভারতের কোঙ্কন রেলওয়ে। নেপালি ট্রেনের অভিজ্ঞতা নিতে চাইলে অবশ্যই এখানে আসতে পারেন। জনকপুর পৌঁছে বাসে নেপালের যেকোনো শহরে যাওয়ার বাস গাড়ি পাওয়া যায়।












Click it and Unblock the Notifications