Travel: ফুলে ঢাকা পাহাড়ি উপত্যকায় হিমেল পরশে কাটিয়ে আসুন কটা দিন, ঘুরে আসুন উত্তরবঙ্গের এই অচেনা ডেস্টিনেশনে
তাপপ্রবাগে জ্বলছে কলকাতা। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে দুঃসহ গরম। তাপপ্রবাহ শুরু হয়ে গিয়েছে চৈত্র মাসেই। গরমে হাঁসফাস পরিস্থিতি গোটা কলকাতা শহরের। তাপমাত্রা ৩৮ িডগ্রি পার করে গিয়েছে। তার উপরে ভোটের উত্তাপ। সকাল থেকে প্রতিদিন মিটিং-মিছিল লেগেই রয়েছে।
সব মিলিয়ে একেবারে নাজেহাল দশা বললে ভুল হবে না। এই গরমে বাঁচতে হলে পাহাড় ছাডা় উপায় নেই। কাজেই পয়লা বৈশাখের ছুটিতে আর কলকাতায় কাটাতে চাইছেন না যাঁরা তাঁরা বেড়িয়ে পড়ুন পাহাড়ে। ব্যাহ গুছিয়ে একবার শিলিগুড়ি স্টেশনে নামতে পারলেই হল।

তারপরে যেদিকে দুচোখ যায় পাহাড়ের কোনও না কোনও জায়গা পেয়েই যাবেন। যাঁরা একটু অচেনা জায়গায় যেতে চান তাঁদের জন্য অপেক্ষা করছে যোগী ঘাট। যোগী ঘাট জায়গাটি পর্যটকদের পরিচিত না হলেও যোগা ঘাট ব্রিজটা কিন্তু অনেকেই চেনেন। এই যোগীঘাট হল সিটংয়ের খুব কাছের একটি জায়গা আর যোগী ঘাট ব্রিজটি তৈরি হয়েছে রিয়াং নদীর উপর। পর্যটকরা সিটং যান এই যোগী ঘাট ব্রিজের উপর দিয়ে। এখানে পর্যটকদের প্রায় ছবি তুলতে-রিলস বানাতে দেখা যায়।
কিন্তু অনেকেই হয়তো জানেন না এই যোগীঘাট ব্রিজের কাছেই রয়েছে একটি সুন্দর থাকার জায়গা। এইগ্রামটি যোগীঘাট নামেই পরিচিত। একেবারে আনকোড়া পাহাড়ি গ্রাম বললে ভুল হবে না। হোমস্টেতে যাওয়ার রাস্তাটিও পুরোপুরি পাকা নয়। একটু পাকদণ্ডি বেয়ে উঠে যেতে হয়। যাঁরা পাহাড়ি রাস্তায় চলতে ভালবাসেন তাঁদের জন্য এই হোমস্টেতি সেরা জায়গা।
এখান থেকে সিটং, অহলদিরাম সহ একাধিক জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র সহজেই ঘুরে আসা যায়। আবার নিিরবিলিতে কটা দিন এখানেও কাটিয়ে দিতে পারেন। যেখানে কোলাহল মুক্ত নির্ভেজাল ছুটি কাটাতে পারবেন সকলে। সারাদিন গ্রামের পথে পথে ঘোরা। কুলকুল বেগে বয়ে যাওয়া নদীতে স্নান সেরে পাহাড়ি খাবারে উদরপুর্তি। এর থেকে ভাল পয়লা বৈশাখ হতে পারে না এই গরমে। যখন কলকাতায় সকলে এসির জন্য পাগল তখন আপনি একেবারে ন্যাচেরাল এসিতে দিন কাটাচ্ছেন।












Click it and Unblock the Notifications