শীতের আগেই ঢুঁ মেরে আসুন স্বপ্নসুন্দর দার্জিলিংয়ে
বাঙালি হয়ে জন্মে দার্জিলিং না ঘুরলে জীবনটাই বৃথা। সব বাঙালিই একবার না একবার জীবনে দার্জিলিং ঘুরতে যায়। আর যতদিন না যায়, যাওয়ার স্বপ্ন দেখে। [নভেম্বরে ভারতের এই জায়গাগুলি হতে পারে আপনার গন্তব্য]
শৈল শহর দার্জিলিংয়ের সৌন্দর্য ও মাদকতা এখনও একইরকমের রয়েছে। চারপাশ যতই ঘিঞ্জি হয়ে আসুক, দার্জিলিংপ্রেমী সব মানুষই এই বক্তব্য একবাক্যে মেনে নেবেন। [ভারতে অবস্থিত মিনি সুইৎজারল্যান্ড]
একদিকে চা বাগানের শোভা, অন্যদিকে আকাশচুম্বী কাঞ্চনজঙ্ঘা পর্বতের সারি। বরফ আর সবুজের সমারোহে প্রতিবছর শুধু বাঙালিরাই নয়, দেশ-বিদেশের বহু পর্যটক দার্জিলিংয়ে বেড়াতে আসেন। [ইতিহাসের জীবন্ত দলিল পশ্চিমবঙ্গের এই স্থাপত্যগুলি]
বাঙালি, লেপচা, গোর্খা সহ বহু উপজাতির বাস এই দার্জিলিংয়ে। শীতকালে এলে এখানে অনেক বরফও দেখতে পাবেন। তবে ভরা শীতে ঠান্ডা বেশ জমিয়ে পড়ে। অভ্যাস না থাকলে বেশ কষ্ট হতে পারে। [ভারতের এই দশটি অদ্ভুত মন্দির সম্পর্কে আপনি জানেন না]
তবে কড়া শীত পড়ার আগে ঘুরে আসতেই পারেন। এখন বর্ষার ঝঞ্ঝাট নেই। আকাশও পরিষ্কার পাবেন। নিচের স্লাইডে দেখে নিন, স্বপ্নসুন্দর দার্জিলিংয়ের মনমাতানো দৃশ্য। [ 'পূর্ব ভারতের স্কটল্যান্ড' শিলং]

কাঞ্চনজঙ্ঘা
বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম পর্বতশৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘার মনমাতানো দৃশ্য দেখতে দার্জিলিংয়ে আপনাকে আসতেই হবে।

দার্জিলিং চিড়িয়াখানা
'পদ্মজা নাইডু হিমালয়ান জু' নামের এই চিড়িয়াখানা ভারতের সবচেয়ে উচ্চতম স্থানে অবস্থিত চিড়িয়াখানা। এখানে স্নো লেপার্ড, রেড পান্ডা, হিমালয়ান নেকড়ে দেখতে পাবেন।

হিমালয়ান মাউন্টিয়ারিং ইনস্টিটিউট
পর্বতারোহনকে উৎসাহ দিতে ও ট্রেনিংয়ের জন্য ১৯৫৪ সালে এই 'হিমালয়ান মাউন্টিয়ারিং ইনস্টিটিউট'-এর পথ চলা শুরু হয়।

চা বাগান
দার্জিলিংয়ের চা পৃথিবী বিখ্যাত। এই চায়ের প্রায় সিংহভাগই বিদেশে রপ্তানি করা হয়। ব্রিটিশরা এখানে চা বাগান শুরু করে।

দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে
এই ট্রেনটি টয় ট্রেন হিসাবে খ্যাত। পাহাড়ি পথে নিউ জলপাইগুড়ি থেকে দার্জিলিং পর্যন্ত যায় এই ট্রেন।

ঘুম
দার্জিলিংয়ের এই ঘুম জায়গাটিও খুব বিখ্যাত। এখানের রেল স্টেশনটি দেশের মধ্যে সবচেয়ে উঁচুতে অবস্থিত।

সেন্ট অ্যান্ড্রুস চার্চ
১৮৪৩ সালে তৈরি এই চার্চটি দেশের মধ্যে অন্যতম পুরনো। ম্য়াল রোডে এটি অবস্থিত ও অন্যতম দ্রষ্টব্য স্থান।

টাইগার হিল
মাউন্ট ওভারেস্ট ও কাঞ্চনজঙ্ঘার প্য়ানোরমিক ভিউ পেতে চাইলে টাইগার হিলে আপনাকে আসতেই হবে। একইসঙ্গে এখানে ভোরে আসতে হবে সূর্যোদয় দেখতে।












Click it and Unblock the Notifications