জানেন কোথায় আছে কথা সাহিত্যিক শরৎ চন্দ্রের বাড়ি? বেড়িয়ে আসুন কলকাতার কাছেই দেউলটি থেকে
সপ্তাহান্তে ঘরের কাছে কয়েক ঘণ্টা মন ভাল করার জায়গা। শহরের কোলাহল থেকে একটু দূরে। এমন জায়গা অনেকই আছে। তবে রূপনারায়ণের পাড়ে দেউলটি তার মধ্য অন্যতম। এর আরেকটি বিশেষত্ব রয়েছে। এই দেউলটিতে রয়েছে প্রখ্যাত কথা সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ি শরৎকুঠি।

ঘরের কাছে ঘোরাঘুরি
মার্চ মাস সব অফিসেই উইকেন্ডের চাপ। তার মাঝেই সপ্তহান্তে কয়ে ঘণ্টার জন্য বেড়িয়ে আসতে কার না মন চায়। হোটেল রেস্তোরাঁ থেকে একটু দূরে যেতে যাঁরা পছন্দ করেন। তাঁদের জন্য ঘরের কাছাকাছি একাধিক জায়গা রয়েছে বেড়ানোর। তবে রূপনারায়ণ নদীর পাড়ে রয়েছে একটি মনোরকম জায়গা। তার নাম দেউলটি। রূপনারায়ণে হাওয়া খেতে খেতে বেশ কিছুটা সময় কাটিয়ে দেওয়া যায়। শীতকালে এখানে অনেকে পিকনিক করতেও আসেন।

শরৎকুঠি
অনেকেই হয়তো জানেন না এই দেউলটিতেই রয়েছে কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ি। যার নাম শরৎকুঠি। অত্যন্ত যত্ন সহকারে এই বাড়িটিকে সাজিয়ে রাখা হয়েছে। জীবনের শেষ ১২ বছর এই বাড়িটিতেই ছিলেন তিনি। এখানে বসেই তিনি রচনা করেছেন পথের দাবি, বিপ্রদাস, রামের সুমতি সহ একাধিক উপন্যাস রচনা করেছেন । একেবারে রূপনারায়ণের পাড়েই রয়েছে সেই বাড়িটি। একটা সময়ে বাড়ির একেবারে পাশেই বয়ে যেত সেই নদী।

কীভাবে যাবেন
দেউলটি কিন্তু একবেলার মধ্যেই বেড়িয়ে আসা যায়। হাওড়া স্টেশন থেকে খড়গপুর লাইনের লোকাল ট্রেনে চেপে নামতে হবে দেউলটি স্টেশনে। সেখান থেকে টোটোয় করে নামতে হবে শরৎ মোড়ে। বাড়ির পথেই রয়েছে একটি পুকুর। তাঁর বাড়ির সামনে দিয়ে গিয়েছে নদীর পাড়ে যাওয়ার রাস্তা। এই নদীর পাড়ে বসার জায়গা রয়েছে। সেখানে বসে অনেকটা সময় কাটিয়ে দেওয়া যায়। নদীর পাড়ে সবজির ক্ষেতও রয়েছে।

বাড়িতেই রয়েছে মিউজিয়াম
লালরঙের পাঁচিল দিয়ে ঘেরা রয়েছে পুরো বাড়িটি। টালির চাল রয়েছে বাড়িটিতে। সেখানে তাঁর ব্যবহৃত সব জিনিস রয়েছে। তাঁর ব্যবহৃত সব জিনিস। রয়েছে একটি চরকাও। রয়েছে ইজি চেয়ার। রয়েছে একটি ঠাকুরও। ময়ুর পুষতেন শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু এখন আর সেটা নেই। তবে খাঁচাটা রয়ে িগয়েছে। লেখকের ভাইয়ের ছেলে এখনও বাড়িটি সংরক্ষণ করে যান।
ছবি সৌ:ফেসবুক












Click it and Unblock the Notifications