অযোধ্যা পাহাড়ের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কোনটা জানেন? পাহাড়-জঙ্গলের অ্যাডভেঞ্চার যাঁদের পছন্দ তাঁরা বেড়িয়ে আসুন
অযোধ্যা পাহাড় তো ইদানিং কালে পর্যটকদের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে বসন্ত কালে আর শীতকালে। বসন্তকালে দোলের সময় অনেকেই আসেন পুরুলিয়ায় অযোধ্যা পাহাড়ে। প্রকৃতির কোলে বেশ কিছু সময় কাটিয়ে যান তাঁরা। কিন্তু কেউ কি জানেন অযোধ্যাপাহাড়ে উচ্চতম শৃঙ্খ কোনটি? যাঁরা অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরিজমে বিশ্বাসী তাঁরা বেড়িয়ে আসুন এখান থেকে।

চেমটাবুরু
একটা না জানা না শোনা নাম। কিন্তু জায়গাটা পরিচিত। অযোধ্যা পাহাড়ের নাম সকলেই শুনেছেন। এই পাহাড়ে একাধিক শৃঙ্গ রয়েছে। তার মধ্যে চেমটাবুরু সর্বোচ্চ শৃঙ্গ। অযোধ্যা পাহাড় আসলে দলমা পাহাড়ের একটা অংশ। ছোটনাগপুর মালভূমিক একটি সম্প্রসারিত অংশ এই অযোধ্যাপাহাড় আর বাঘমুণ্ডি। এখানে সাধারণত পর্বোতারোহীরা আসে ট্রেক করতে। অনেক স্কুল কলেজ থেকে ছাত্রছাত্রীরা আসে ট্রেক করতে।

অযোধ্যা পাহাড়ের অফবিট জায়গা
অযোধ্যা পাহাড়ের একাধিক অফবিট জায়গা রয়েছে। তারমধ্যে রয়েছে চেমটাবুরু একটি। এই অযোধ্যাপাহাড়কে ঘিরে আবার পৌরানিক কাহিনীও রয়েছে। পৌরানিক কাহিনী অনুযায়ী অযোধ্যা পাহাড়ের একটা সময়ে রাম-সীতা একসঙ্গে বনবাসে যাওয়ার সময় এখানে এসেছিলেন। বেশ কিছুটা সময় নাকি এখানে কাটিয়ে গিয়েছেন গিয়েছেন। এখানে শিকার উৎসব খুব জনপ্রিয়। আদিবাসীরা বৈশাখ পূর্ণিমায় এখানে শিকার উৎসব করে থাকেন।

কীভাবে যাবেন
পুরুলিয়ায় একাধিক জায়গায় যাওয়া যায়। তারমধ্যে এই চেমটাবুরু আসতে হলে প্রথমে ট্রেনে আসতে হবে ঝালদা। সেখান থেকে গাড়িতে বা ট্রেকারে এই চেমটাবুরুতে নামতে হবে। তারপরে পাহাড়, জঙ্গল কাটিয়ে উঠতে হবে অযোধ্যা পাহাড়ের সেই সর্বোচ্চ শৃঙ্গ চেমটাবুরুতে। মূলত অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরিজিম যাঁদের পছন্দ তাঁরা ভিড় করেন এই চেমটাবুরুতে। অন্য পর্যটকরাও আসেন। তবে চেমটাবুরুর পাদদেশেই জঙ্গলে ঘুরে বেড়িয়ে িকছুটা সময় কাটিয়ে চলে যান।

আর কি দেখার আছে
চেমটাবুরুতে আরও অনেক কিছু দেখার আছে। একদিকে যেমন রয়েছে জনপ্রিয় মুরুগুমা ড্যাম। রয়েছে তুরগা বাঁধ এবং বামনি নদীর জলপ্রপাত। একটা সময় মাওবাদী দৌরাত্মের কারণে এখানে পর্যটকরা আসতে ভয় পেতেন। সেই সময় এখন পার হয়ে িগয়েছে। এখন সকলেই আনাগোনা করেন। গ্রামবাসীরাও নির্বিঘ্নে জীবন কাটান। পর্যটকদের আনাগোনাও বেড়েছে। পর্যটন শিল্পকে চাঙ্গা করে তুলতে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে স্থানীয় গ্রামবাসীদের উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে।
ছবি সৌজন্য: ফেসবুক












Click it and Unblock the Notifications