Chandramani Eco Tourism Park: হাতে দু'দিন ছুটি? চলে আসুন কলকাতার কাছেই বর্ষা ভেজা গ্রামীণ হোম স্টেতে
সপ্তাহান্তের দু-দিন ছুটি। শুক্রবার অফিস করে বেড়িয়ে পড়া। আবার রবিবার সন্ধের মধ্যে বাড়ি ফেরা। যাঁরা এমন কোনও ছুিট কাটানোর ঠিকানা খুঁজছেন তাঁদের জন্য অপেক্ষা করছে চন্দ্রমনি ইকোট্যুরিজিম পার্ক। একেবারে কলকাতা থেকে ছিল ছোড়া দূরত্বে। যেকে খুব বেশি সময়ও লাগবে না।
হুগলির একদিকে যেমন রয়েছে চন্দননগর, শ্রীরামপুর। ডাচ শিল্পের ছোঁয়া। তেমন অন্যদিকে রয়েছে শ্রীরামকৃষ্ণ-সারদা মাসের স্মৃতি বিজরিত জয়রামবাটি-কামারপুকুর। শীতের ছুটিতে আর বিশেষ দিনগুলিতে এখানে পর্যটক এবং ভক্তদের ভিড় থাকে। কলকাতা থেকে বেশি দূরেও নয় এই জায়গাটি।

জয়রামবাটি-কামাপুকুরের কাছেই কিন্তু রয়েছে একটি অফবিট লোকেশন। যার নাম চন্দ্রমণি ইকো ট্যুরিজিম পার্ক। কামারপুকুর গ্রামপঞ্চায়েতের উদ্যোগে এই ইকোট্যুরিজিম পার্কটি তৈরি হয়েছে। জয়রামবাটি এবং কামারপুকুর থেকে মাত্র তিন কিলোমিটার দূরে সাতবেরিয়ায় রয়েছে এটি। শ্রীরামকৃষ্ণদেবের মা চন্দ্রমনিদেবীর নামে এই পার্কটির নামকরণ করা হয়েছে। পুরো পার্কটি দেখাশোনার দায়িত্বে রয়েছে কামার পুকুর গ্রামপঞ্চায়েত।
এখানে এলেই একেবারে অন্যরম হয়ে যাবে। যাঁরা জয়রামবাটি কামারপুকুর দেখতে চান তাঁরা অনায়াসেই এখান থেকে যেতে পারেন। কামারপুকুর-জয়রামবাটি ছাড়াও এখান থেকে গড়মান্দারণ, শ্রীহর, দেড়ে গ্রাম। শ্রী রামকৃষ্ণের পৈতৃত ভিঁটে রয়েছে দেড়েগ্রামে। অসম্ভব সুন্দর করে সাজিয়ে তোলা হয়েছে পার্কটি। রয়েছে সুন্দর একটি বাগান। রয়েছে একটি বড় পুকুর। কাছেই ধানের খেত।

একেবারে গ্রামীণ পরিবেশে থাকার অনন্দ পাওয়া যাবে এখানে। মাটির বাড়ি আর কটেজ রয়েছে। আগে থেকে বুকিং করে আসতে হয়। মাটির বাড়ির দেওয়াল জুড়ে ছবি আঁকা। মাটির ঘর হলেও সবরকম অত্যাধুনিক পরিষেবা রয়েছে এখানে। মাটির কটেজের বাইরের বারান্দায় বসেই অনেকটা সময় কাটিয়ে দেওয়া যায়।
এখানে আসতে গেলে অবশ্য আগে থেকে বুকিং করে আসতে হবে। স্পট বুকিংয়ের কোনও অপশন নেই। শুধু গাড়িতে নয় ট্রেনেও এখানে পৌঁছনো য়ায়। ট্রেনে গোঘাট স্টেশনে নেমে টোটো বা অটো ভাড়া করে এখানে চলে আসতে পারেন। ভাড়া দেড়শো থেকে ২০০ টাকার মধ্যে হয়ে যাবে। যাঁরা গাড়ি করে আসবেন তাঁরা অনায়াসে গুগল লোকেশন দেখে অনায়াসে আসতে পারবেন।












Click it and Unblock the Notifications