Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

তুরস্কের ভূমিকম্প-বিধ্বস্ত এলাকায় প্রাণ খুঁজছে নাসার ফাইন্ডার, হৃদস্পন্দন শুনে চলছে উদ্ধারকার্য

হাইতিতে ২০১০ সালের বিধ্বংসী ভূমিকম্পের পরে ক্যালিফোর্নিয়ার নাসার জেট প্রপালশান ল্যাবরেটরির একটি দল ওই ডিভাইস তৈরি করেছিল।

তুরস্কের ভূমিকম্প-বিধ্বস্ত এলাকায় প্রাণের সন্ধানে এবার নয়া প্রযুক্তি কাজে লাগাতে চাইছেন উদ্ধারকারীরা। নাসার হার্টবিট শনাক্তকারী প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে তুরস্ক ওএ সিরিয়ার ভূমিকম্প বিধ্বস্ত এলাকায় প্রাণ খোঁজার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নাসা জানিয়েছে, তাদের নয়া প্রযুক্তির ডিভাইসগুলি গত সপ্তাহেই তুরস্কে পাঠানো হয়েছে।

প্রাণের সন্ধান খুঁজছে নাসা

প্রাণের সন্ধান খুঁজছে নাসা

নাসার উন্নত প্রযুক্তি আরও জীবনের সন্ধান দেবে বলে মনে করছে। নাসার ওই ডিভাইস জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় মৌলিক প্রক্রিয়াগুলির দ্বারা সৃষ্ট শরীরের উত্তেজনা শনাক্ত করতে পারে। ভূমিকম্প-পীড়িত তুরস্কে তাই ওই ডিভাইস ব্যবহার করে উদ্ধারকার্য চালানো হবে। দুর্যোগ মোকাবিলায় উদ্ধারকারী দলগুলির সুবিধা হবে প্রাণের সন্ধান পেতে।

নাসার ফাইন্ডার ডিভাইসে প্রাণের সন্ধান

নাসার ফাইন্ডার ডিভাইসে প্রাণের সন্ধান

ডিজাস্টার ইমার্জেন্সি রেসপন্সের খুঁজতে সিদ্ধহস্ত নাসার ফাইন্ডার নামক ডিভাইসগুলি। তা ধ্বংসস্তূপের নীচে বা তুষারপাতের মধ্যে বেঁচে থাকা ব্যক্তিদেরও খুঁজে বের করতে পারে। মাইক্রোওয়েভ রাডার সেন্সর ব্যবহার করে দূর থেকে তাদের হৃদস্পন্দন এবং শ্বাস-প্রশ্বাস শনাক্ত করতে পারে নাসার 'ফাইন্ডার' ডিভাইস।

ধ্বংসাবশেষের মধ্যে কাজ করছে নাসার ডিভাইস

ধ্বংসাবশেষের মধ্যে কাজ করছে নাসার ডিভাইস

নাসা জানিয়েছে, নয়া প্রযুক্তির এই ডিভাইসগুলি তুরস্কে পাঠানোর পর প্রায় এক সপ্তাহ কাল ধরে তা ধ্বংসাবশেষের মধ্যে কাজ করছে। তুরস্ক ও সিরীয় সীমান্ত লাগোয়া শহরগুলিতে একের পর এক বিধ্বংসী ভূমিকম্পের ফলে হাজার হাজার ভবন ভেঙে পড়েছে। সেই ভবনে চাপা পড়ে গিয়েছে কত প্রাণ। অনেককে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। অনেকের মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে।

তবুও কেউ জীবিত রয়েছেন কি না

তবুও কেউ জীবিত রয়েছেন কি না

গত ৬ ফেব্রুয়ারি তুরস্কে দুটি অতি মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। এখন পর্যন্ত ৪০ হাজারেরও বেশি মানুষ এই ভূমিকম্পে প্রাণ হারিয়েছেন। বিপর্যয়ের পর কেটে গিয়েচে ১০ দিন। এখনও উদ্ধারকারীরা এই ধ্বংসস্তূপের মধ্যে প্রাণ খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এখন ধ্বংসাবশেষ থেকে নির্গত হচ্ছে দুর্গন্ধ। তবুও কেউ জীবিত রয়েছেন কি না, তার সন্ধান চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

২০১০ সালের বিধ্বংসী ভূমিকম্পের পরে

২০১০ সালের বিধ্বংসী ভূমিকম্পের পরে

নাসার ফাইন্ডার প্রযুক্তি ব্যবহার করে ১৪ ফেব্রুয়ারি শেষ এক প্রাণ খুঁজে পেয়েছিলেন উদ্ধারকারীরা। হাইতিতে ২০১০ সালের বিধ্বংসী ভূমিকম্পের পরে ক্যালিফোর্নিয়ার নাসার জেট প্রপালশান ল্যাবরেটরির একটি দল ওই ডিভাইস তৈরি করেছিল। সেই প্রযুক্তিটি তুরস্কে প্রয়োগ করা হচ্ছে। একইসঙ্গে কিছু স্যাটেলাইটকে ক্ষতির পরিমাণ মূল্যায়ন করতে ব্যবহার করা হচ্ছে এবং ক্ষতিগ্রস্থ অঞ্চলের ছবি সংগ্রহ করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে রয়েছে নাসা

ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে রয়েছে নাসা

এ প্রসঙ্গে নাসার প্রশাসক বিল নেলসন বলেন, "তুরস্ক এবং সিরিয়ায় ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে রয়েছে নাসা। নাসার হৃদয় ও মন জুড়ে রয়েছে ভূমিকম্পের ভয়াবহতা। আকাশে আমাদের চোখ থাকলেও আমাদের বিশেষজ্ঞদের দল ভূমিকম্পবিধ্বস্ত এলাকায় মূল্যবান তথ্য সরবরাহ করার জন্য কঠোর পরিশ্রম করতে উদ্যোগী হয়েছে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+