Chandrayaan-3: চন্দ্র মহাকাশযানকে জিএসএলভি রকেটে প্রতিস্থাপন করল ইসরো, প্রহর গোনা শুরু উৎক্ষেপণের
Chandrayaan-3: আবারও চাঁদে পাড়ি দিচ্ছে ইসরো। তার জন্য প্রস্তুতি সারা। ইসরোর চন্দ্রযান-৩ আগামী ১৩ জুলাই উৎক্ষেপণ হবে শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্র থেকে। সেই লক্ষ্যে ইসরো চন্দ্র মহাকাশযানকে স্থাপিত করল ভারতের সবথেকে বড়ো রকেট জিএসএলভি-তে।
ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশন বা ইসরো চাঁদে পাড়ি দেওয়ার আগে তাদের মহাকাশযান ধারণকারী পেলোড ফেয়ারিংকে জিওসিঙ্ক্রোনাস লঞ্চ ভেহিকেল মার্ক থ্রি-র সঙ্গে জুড়ে দিয়েছে। ভারতের সবচেয়ে ভারী রকেটের সঙ্গে পেলোড ফেয়ারিংয়ের জুড়ে দেওয়ার কাজ শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টারে করা হয়েছিল।

ইসরো চন্দ্রযান-৩ মিশনে পৃথিবীর একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহ চাঁদের ভূতত্ত্ব অন্বেষণ করবে। ৩৯০০ কিলোগ্রামের মহাকাশযানটি প্রথমে ইউআর রাও স্যাটেলাইট সেন্টারে রকেটের পেলোড ফেয়ারিংয়ে আবদ্ধ করা হয়েছিল। তারপরে রকেটের উপরে একত্রিত হওয়ার জন্য স্থানান্তরিত করা হয়েছিল।
এভাবেই রকেটটি পৃথিবীর কক্ষপথের বাইরে ঠেলে দেবে চন্দ্র মহাকাশযানটিকে। মহাকশযানটিকে পৃথিবী থেকে প্রায় ৩,৮৪,০০০কিলোমিটার দূরে চাঁদের কক্ষপথে স্থাপন করবে। ১৩ জুলাই চাঁদে পাড়ি দেওয়ার সম্ভাব্য দিন। তবে কোনো বাধা উপস্থিত হলে ১৯ জুলাই পর্যন্ত সময়ে রযেছে বলে জানান ইসরো প্রধান এস সোমনাথ।
এই নিয়ে চাঁদে তৃতীয়বার পাড়ি দিতে চলেছে ইসরো। চন্দ্রযান-২-এর ব্যর্থতা ঢেকে চন্দ্রযান ৩-এর সফল উৎক্ষেপণের আশায় এবার প্রহর গোনা শুরু হল। ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো এবার চাঁদের বুকে সাফল্য আনতে কোমর বেঁধেছে। চন্দ্র মিশনকে সাফল্যের ঠিকানায় পৌঁছে দিতে তৈরি তারা।

গত সপ্তাহে ইসরো চন্দ্রযান থ্রি মিশন লঞ্চের দিনক্ষণ ঘোষণা করেছিল। ১৩ জুলাই অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান সেন্টার থেকে তা পাড়ি দেবে চাঁদের উদ্দেশে। জিএসএলভি হেভি-লিফ্ট লঞ্চ ভেহিকেল ব্যবহার করে এই উৎক্ষেপণ হবে। সেই লক্ষ্যেই এদিন তা জিএসএলভি রকেটের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হল।
১৩ জুলাই দুপুর আড়াইটেয় রকেটটি চন্দ্রযান-৩ নিয়ে মহাকাশে পাড়ি দেবে। এটি ইসরোর তৃতীয় উদ্যোগ। প্রথম মিশনে চাঁদকে প্রদক্ষিণ করতে সক্ষম হলেও, চন্দ্রযান ২-এর বিক্রম ল্যান্ডার চাঁদে অবতরণের পরই ধ্বংস হয়ে যায়। সেই তিক্ততা নিয়েই শুরু হচ্ছে চন্দ্রযান ৩-এর যাত্রা।
এইবার সবচেয়ে ভারী ভেহিকেলের মাধ্যমে উৎক্ষেপণ হবে চন্দ্রযান ৩-এর। এই ভেহিকেলকে মার্ক-থ্রি বা জিএসএলভি এমকে থ্রি-ও বলা হচ্ছে। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো ভারতের চন্দ্র মিশনে চন্দ্রযান-৩ উৎক্ষেপণের জন্য বিশেষ এই ব্যবস্থা করেছে এবার।












Click it and Unblock the Notifications