ভারতের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ভোট। আপনি কি এখনও অংশগ্রহণ করেননি ?
  • search

ডাইন অপবাদে বলির নিদান! সালিশিসভার নৃশংসতা, কেটে নেওয়া হল হাতের ১০ আঙুল

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    মধ্যযুগীয় নিদান বললেও অত্যুক্তি হয়নি এই মাতব্বরিকে। বীরভূমের গ্রামে ফের ঘটল নারকীয় কাণ্ড। সালিশিসভা বসিয়ে ডাইন অপবাদে এক যুবককে বলির নিদান দেওয়া হল। অনেক কাকুতি-মিনতিতে সেই নৃশংস নিদান রদ হলেও, ঘটে গেল আর এক নারকীয় ঘটনা। বিকল্প নিদান হিসেবে যুবকের হাতের ১০টি আঙুলই কেটে নেওয়া হল তারপর

    ডাইন অপবাদে বলির নিদান! সালিশিসভার নৃশংসতা, কেটে নেওয়া হল হাতের ১০ আঙুল

    মঙ্গলবার রাতে চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা ঘটে বীরভূমের পাড়ুইয়ের হরিকেষ্টপুরে। ডাইন অপবাদে এক যুবকের হাতের আঙুল কেটে নেওয়া হয়। গ্রামের মোড়লরা সালিশিসভা ডেকে এই নির্মম সিদ্ধান্ত নেয়। অভিযোগ ওঠে ওই যুবক ডাইন। গ্রামে তার উপস্থিতিতে নানা খারাপ ঘটনা ঘটছে। তাই তাকে নিয়ে চরম সিদ্ধান্ত নিয়ে বসেছিল সভা।

    [আরও পড়ুন: 'ধর্ষণ'-এ নারাজ নাবালক, সঙ্গমে বাধা পেয়ে যৌনাঙ্গ পুড়িয়ে দিল তরুণী! অবাক-কাণ্ড]

    সেই সালিশি সভায় গ্রামের মোড়লরা সিদ্ধান্ত নেন ওই যুবককে বলি দেওয়া হবে। বলির নিদান দেওয়ার পরই যুবকের পরিবারের পক্ষ থেকে কাকুতি মিনতি করা হয়। প্রাণভিক্ষা চাওয়া হয় যুবকের। তারপর বলির নিদান রদ হয়। কিন্তু তার পরিবর্তে যুবকের হাতের সবকটি আঙুল কেটে নেওয়ার নিদান দেওয়া হয়।

    [আরও পড়ুন:ধর্ষণ ইস্যুতে আরও বিপাকে অলোক নাথ! বিস্ফোরক আরও এক অভিনেত্রী]

    সেইমতো গ্রামের মাতব্বররা ডাইন অপবাদে যুবকের ১০টি আঙুল কেটে নেয়। এই ঘটনার পর হাসপাতালে ভর্তি যুবক। এরপরই প্রশাসন তৎপর হয়ে উঠেছে। এই ঘটনায় তল্লাশি শুরু হয়েছে অভিযুক্তদের খোঁজে। তেমনই গ্রামের মোড়লরা সালিশিসভা বসিয়ে যে নৃশংসতা ঘটিয়েছে, তাতে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

    [আরও পড়ুন:সেই রাতে দর্পণের ফ্ল্যাটেই ছিল তার প্রেমিকা! ২২ দিন পর আত্মহত্যা ঘুরে গেল হত্যাকাণ্ডে]

    English summary
    Village leaders decide to sacrifice the life for slander of dyne in arbitration meeting At last the life saves but the young man lost his hand’s fingers,

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more