বিজেপির বিরুদ্ধে কথা বললেই রাষ্ট্রশক্তি দিয়ে দমন, মণীশ গ্রেফতারিতে সরব কুণাল
বিজেপির বিরুদ্ধে কথা বলছে যারা, সেই শক্তিগুলোকে রাষ্ট্রশক্তি দিয়ে দমনের চেষ্টা করা হচ্ছে। বিজেপি তৃণমূলকে নিয়ে যা করছে, আপের মণীশকে নিয়েও সেই একই কাজ করেছে।
বিজেপিকে যাঁরা হারাতে পারে তাদের কঠোর হাতে দমন করাই লক্ষ্য ওঁদের। তাই যাঁরাই কি না বিজেপির বিরুদ্ধে কথা বলবে, তাঁদের রাষ্ট্রশক্তি দিয়ে দমন করা হবে। দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী আপ নেতা মণীশ সিসোদিয়ার গ্রেফতারিতে গর্জে উঠলেন তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক তথা মুখপাত্র কুণাল ঘোষ।

মণীশ সিসোদিয়ার গ্রেফতারির পর কুণাল ঘোষ বলেন, স্পষ্ট করেই বলা হচ্ছে বিজেপির বিরুদ্ধে কথা বলছে যারা, সেই শক্তিগুলোকে রাষ্ট্রশক্তি দিয়ে দমনের চেষ্টা করা হচ্ছে। বিজেপি তৃণমূলকে নিয়ে যা করছে, আপের মণীশকে নিয়েও সেই একই কাজ করেছে। বিজেপি এমন একটা শক্তি যারা মানুষের কাছে যাবে না, এজেন্সি দিয়ে বিভিন্ন রাজ্যের সরকারকে উত্যক্ত করবে।
তাঁর অভিযোগ, যত ২০২৪-এর লোকসভা ভোট এগিয়ে আসছে ততই বিজেপির মধ্যে রাষ্ট্রশক্তিকে ব্যবহার করে বিরোধীদের দমন করার পরিকল্পনা বাড়ছে। আর এক বছর পরেই লোকসভা নির্বাচন। তার আগে যারা বিজেপিকে হারানোর ক্ষমতা রাখে, তাদের বিরুদ্ধে এজেন্সি লাগিয়ে গ্রেফতার করছে বিজেপি।
কুণালের কথায়, তৃণমূল কংগ্রেস একুশের নির্বাচনে বিজেপিকে হারিয়ে দিয়েছিল। তাদের অভিষন্ধি চরিতার্থ করতে দেয়নি। বিজেপিকে যে হারানো যায়, সেটা করে দেখিয়েছে বাংলা, করে দেখিয়েছে তৃণমূল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে গোহারা হয়ে ফিরে যেতে হয়েছে মোদী-শাহদের। তারপর তৃণমূলকে হেয় প্রতিপন্ন করছে ইডি-সিবিআই লাগিয়ে রেখে দিয়েছে।
তিনি বলেন, তৃণমূলের মতোই আপকেও শায়েস্তা করতে বিজেপি একই পন্থা নিয়েছে। বাংলার মতোই দিল্লিতে আপের কাছে বিজেপির একই পরিণতি হয়েছে। তাই আপকে দমন করতে তাদের নেতা-নেত্রীদের বিরুদ্ধেও ইডি-সিবিআই লাগিয়ে রেখে দিয়েছে। যেখানে বিরোধী শক্তিদের বিরুদ্ধে বিজেপি এঁটে উঠতে পারছে না, সেখানেই এজেন্লি লাগিয়ে অস্থিরতা তৈরি করছে।
সম্প্রতি কোচবিহারে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের গাড়িতে হামলার ঘটনায় সুকান্ত মজুমদার থেকে শুরু করে দিলীপ ঘোষ ৩৫৬ দাবি করেছেন। তার পরিপ্রক্ষিতে কুণাল ঘোষ বলেন, ৩৫৬ বড়দের ব্যাপার। ট্রেনি সভাপতির এসব নিয়ে বলার দরকার নেই। নিজের ওয়ার্ড জিতুক। তোমাদের কাকা-জ্যাঠাদের সরকার। আসলে মানুষের সঙ্গে তো ওরা কেউই নেই। উন্নয়নে পশ্চিমবঙ্গ ফাস্ট। সেখানে 'কাল কা যোগী'র বড় বড় কথা
আর দিলীপ ঘোষকে খোঁচা দিয়ে তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতির পরামর্শদাতা তো দিলীপ ঘোষ। ফাইলটা দিলীপবাবুর কাছে আছে। এত কথা কেন? তৃণমূল রাজ্যপালকে কখনও রাবার স্ট্যাম্প ভাবেনি। রাজ্যপাল যদি বিজেপির দূতের মতো আচরণ করেন, তার জবাব দেবো। আবার বাংলার হয়ে বললে সেরকম প্রতিক্রিয়া দেবো।












Click it and Unblock the Notifications