বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেমে জোটের মূল শক্তিকেই ‘রক্তাক্ত’ করছে তৃণমূল, উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন
বিজেপি বিরুদ্ধে জোটে শান দিতে সোনিয়া গান্ধী যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডেকে বৈঠক করছেন, তখন এক দিক দিয়ে কংগ্রেস ভেঙে নিজেদের শক্তি বাড়িয়ে চলেছে তৃণমূল।
বিজেপি বিরুদ্ধে জোটে শান দিতে সোনিয়া গান্ধী যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডেকে বৈঠক করছেন, তখন এক দিক দিয়ে কংগ্রেস ভেঙে নিজেদের শক্তি বাড়িয়ে চলেছে তৃণমূল। স্বভাবতই প্রশ্ন উঠেছে, তৃণমূল যদি কংগ্রেস ভাঙতেই থাকে, তবে বিজেপির বিরুদ্ধে জোট শক্তিশালী হবে কী করে। নিজেদের মধ্যে দল ভাঙানোর খেলা চললে শক্তিশালী হবে প্রতিপক্ষ বিজেপিই!

‘বন্ধু' কংগ্রেসকেই ভাঙাতে শুরু করে দিয়েছে তৃণমূল
সম্প্রতি কংগ্রেস আবার ক্ষয়িষ্ণু হতে শুরু করেছে ত্রিপুরায়। বাংলায় বিজেপিকে হারানোর পর তৃণমূল এখন পাখির চোখ করেছ ত্রিপুরা-বিজয়ে। এই লক্ষ্য নিয়ে ত্রিপুরায় পা দিয়েই বিজেপির আগে 'বন্ধু' কংগ্রেসকেই ভাঙাতে শুরু করে দিয়েছে তৃণমূল। তার ফলে কংগ্রেসের একটা বড় অংশ দল ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছে। আরও অনেকে লাইন দিয়ে রয়েছে।

কংগ্রেস ক্ষয়িষ্ণু শক্তিতে পরিণত হতে চলেছে ত্রিপুরায়
সুবল ভৌমিক-সহ ত্রিপুরা কংগ্রেসের আটজন নেতা সম্প্রতি তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেছেন। ফলে ত্রিপুরায় পা রেখেই শক্তি বাড়াতে শুরু করেছে তৃণমূল। আর কংগ্রেস ক্ষয়িষ্ণু শক্তিতে পরিণত হতে চলেছে। এদিন আবার কংগ্রেসের কা্র্যনির্বাহী সভাপকতি পীযুষকান্তি বিশ্বাস শনিবার ইস্তফা দিয়েছেন। তিনিও তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একটা বড় অংশ।

বিপরীতপন্থী কাজ, বিজেপির সুবিধা করে দিচ্ছে তৃণমূল
কংগ্রেসের সঙ্গে একদিকে সখ্যতার বার্তা দিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে জোটকে শক্তিশালী করে তোলার বার্তা, অন্যদিকে কংগ্রেস ভেঙে নিজেদেরে শক্তিশালী করা- দুই বিপরীতপন্থী কাজ করে প্রকারান্তরে বিজেপির সুবিধা করে দিচ্ছে তৃণমূল। ত্রিপুরায় কংগ্রেসে ভাঙনের পর একাংশ এমনটাই দাবি করেছেন। তাঁরা তৃণমূলের এই দোরোখা নিয়মে বীতশ্রদ্ধ।

বিজেপিকে হারাতে ত্রিপুরায় গিয়ে কংগ্রেসকে নিঃস্ব করছে তৃণমূল
তৃণমূল মুখে বলছে বিজেপির বিরুদ্ধে তাঁরা জোটবদ্ধ হয়ে লড়াই করবে। অন্যদিকে তাঁরা কংগ্রেস ভাঙাচ্ছে। এরপর কংগ্রেস কী করে বিশ্বাস করবে তৃণমূলকে। পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেসকে শেষ করে দিয়েছে তৃণমূল। এখন বিজেপির শাসন উৎখাত করতে ত্রিপুরায় গিয়ে কংগ্রেসকে নিঃস্ব করে দিতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস।

সুদীপ রায় বর্মন দল ছাড়ার পর থেকেই কংগ্রেস ক্ষয়িষ্ণু
সুদীপ রায় বর্মন কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল হয়ে বিজেপিতে যোগ দেন ২০১৭-য়। সুদীপ রায় বর্মন দল ছাড়ার পর থেকেই ত্রিপুরায় কংগ্রেস ক্ষয়িষ্ণু শক্তিতে রূপান্তরিত হতে শুরু করেছিল। মাঝে প্রদ্যোৎ মাণিক্য দেববর্মার হাত ধরে কংগ্রেস ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিল, কিন্তু তিনি কংগ্রেস ছাড়ার পর আরও সংকট তৈরি হয়। সেই সংকেটের সময়ই কংগ্রেসের হাল ধরেছিলেন পীযুষকান্তি বিশ্বাস। কিন্তু তিনিও থাকলেন না।

তৃণমূল বুঝিয়ে দিতে চাইছে উত্তর-পূর্বে তারাই মূল কংগ্রেস
সেই তৃণমূল এসে কংগ্রেসকে ভেঙে শক্তিশালী হচ্ছে। পীযুষকান্তি বিশ্বাস দল ছাড়ার পর ত্রিপুরায় কংগ্রেসের অবস্থা অনেকটাই করুণ হয়ে গেল। কংগ্রেসকে নিঃশেষ করার কারিগর তৃণমূলই। তৃণমূল যেন বুঝিয়ে দিতে চাইছে উত্তর-পূর্বে তারাই মূল কংগ্রেস। ঘাসফুলই প্রধান শক্তি, হাত শিবির ক্ষয়িষ্ণু উত্তর-পূর্বে।

তৃণমূল যদি হাত বাড়ায়, কংগ্রেস কি শক্ত করে ধরবে
কংগ্রেসকে ভেঙে নিঃস্ব করে দেওয়ার পর তৃণমূল যদি হাত বাড়ায়, তাহলে সেই হাত তাঁরা দেশের স্বার্থে কতটা শক্ত করে ধরবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েই যায়। শুক্রবারই সোনিয়া গান্ধীর ডাকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ বিরোধী ১৯টি দলের প্রতিনিধিরা মিলিত হয়েছিলেন বিজেপির বিরুদ্ধে জোট গড়ে লড়াই চালানোর উদ্দেশ্যে।

তৃণমূলের হাতে ফের ভাঙল কংগ্রেস, জোটে প্রশ্ন
সেখানে সোনিয়া গান্ধী বলেছিলেন, প্রত্যেক দলেরই জোটে সামিল হতে ক্ষুদ্র কিছু স্বার্থহানি ঘটে। কিন্তু দেশের স্বার্থে একটা বৃহত্তর উদ্দেশ্যে চরিতার্থ করতে আমাদের ক্ষুদ্ধ সমস্যাগুলি দূরে ঠেলে সবাইকে একজোট হতে হবে। সকলেই এই কথায় সম্মতি জানান। এমনকী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ছোটখাটো স্বার্থ দেখলে হবে না, সবাই আসুন বিজেপির বিরুদ্ধে আমরা সম্মিলিতভাবে লড়ব। কিন্তু তারপরেই তৃণমূলের হানায় রক্ত ঝরল কংগ্রেসের। ফের ভাঙল কংগ্রেস।

প্রদেশ সভাপতি পীযুষকান্তির কংগ্রেস ত্যাগের পর
ত্রিপুরায় টুইট করে কংগ্রেস ছাড়েন খোদ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি (কার্ষকরী) পীযুষকান্তি বিশ্বাস। সম্প্রতি তিনি তৃণমূলের উপর বিজেপির হামলার ঘটনার নিন্দা করেছিলেন। তারপর তাঁর এই কংগ্রেস ত্যাগের ঘোষণা। আবার পীযুষকান্তি বিশ্বাসের কংগ্রেস ত্যাগের পর তাঁর সমর্থনে টুইট করেছেন সদ্য কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়া সুস্মিতা দেব।

তৃণমূলে না রাজনৈতিক সন্ন্যাসে পীযুষকান্তি?
কংগ্রেস থেকে ইস্তফা দেওয়া পীযুষকান্তি দেবের বক্তব্য রিটুইট করে তৃণমূল নেত্রী সুস্মিতা দেব লিখেছেন- আপনি কঠিন সময়ে কাজ করেছেন, ভবিষ্যতের জন্য শুভেচ্ছা। এই ছোট্ট একটা কথাতেই তিনি ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে দিয়েছেন পীযুষকান্তির। যদি পীযুষকান্তি বিশ্বাস তৃণমূলে যোগদানের জল্পনা উড়িয়ে বলেছেন তিনি রাজনীতি থেকে সন্ন্যাস নিচ্ছেন।
-
চিপকে হার চেন্নাই সুপার কিংসের, সহজেই জিতল শ্রেয়স আইয়ারের পাঞ্জাব কিংস -
ইরান-আমেরিকা যুদ্ধ চরমে, গত ২৪ ঘণ্টায় চারটি মার্কিন যুদ্ধবিমানে হামলা, নিখোঁজ চালক -
অধীর চৌধুরীর প্রচারে উত্তেজনা বহরমপুরে, কংগ্রেস-তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ -
মমতার হেলিকপ্টারের সামনে উড়ল রহস্যময় ড্রোন, মালদহে উত্তেজনা -
শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন ঘিরে অশান্তির ঘটনায় ৩৮ জনকে তলব পুলিশের -
ভোটারদের সুবিধার্থে রাজ্যজুড়ে ৪,৬৬০টি নতুন বুথ তৈরির সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের -
ভবানীপুরে অশান্তির জেরে চার পুলিশ আধিকারিককে সাসপেন্ড নির্বাচন কমিশনের -
'বাংলাকে বৃদ্ধাশ্রম বানাতে দেব না', বাংলার ক্রীড়া পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তুলে উন্নয়নের ডাক লিয়েন্ডার পেজের -
ইরান যুদ্ধের মাঝেই মাথায় হাত শাহবাজ শরিফের, এপ্রিলেই আমিরশাহীকে ৩৫০ কোটি ডলার ঋণ শোধ দিচ্ছে পাকিস্তান -
খড়্গপুর সদরের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিলীপ ঘোষের, সঙ্গী শুভেন্দু অধিকারী -
জ্বালানি সংকট! বাংলাদেশে অফিস ও দোকানের সময় কমানোর পাশাপাশি বিয়ের আলোকসজ্জাতেও বিধিনিষেধ -
বামফ্রন্টের ইস্তেহার প্রকাশ! বিনামূল্যে বিদ্যুৎ, প্রতি পরিবারে স্থায়ী চাকরি সহ একাধিক প্রতিশ্রুতির ঘোষণা বিমান বসুর












Click it and Unblock the Notifications