ভাড়ের চায়ে মেজাজে চুমুক রাজ্যপালের, গঙ্গার ঘাট পরিদর্শন করলেন চতুর্থীর সকালে
গঙ্গার ধারের রাস্তার পাশেই চায়ের দোকান। সেখানেই বেশ মেজাজে এক ভাড় চা। পুজোর সকালে এ যেন এক আলাদাই মেজাজ। কী ভাবছেন? হ্যাঁ। ঠিক এমনই মেজাজে দেখা গেল রাজ্যপালকে। গঙ্গার ঘাটের আশপাশ ঘুরে দেখলেন তিনি।
পুজোর দিনগুলিতে রাজভবনের ঘেরাটোপে থাকতে চান না রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। মঙ্গলবার রাতে তিনি পৌঁছে গিয়েছিলেন শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবের পুজো মণ্ডপে। বুধবার সকালেও তিনি বেরিয়ে পড়েছেন। কলকাতার গঙ্গার ঘাটগুলি পরিদর্শণ করার জন্য তিনি যান।

বাঙালির সব থেকে বড় উৎসব দুর্গাপুজো। সেই পুজোতে বহু মানুষের ভিড়, উৎসাহ। গোটা রাজ্য মেতে উঠেছে দুর্গাপুজোয়। রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসও পুজো নিয়ে যথেষ্ট উৎসাহী। তিনিও বেরিয়ে পড়েছেন রাজভবন থেকে।
চতুর্থীর সকালে রাজ্যপাল বেরিয়ে পড়লেন। সোজা চলে গেলেন গঙ্গার ঘাটগুলো পরিদর্শনে। পাঞ্জাবি, পাজামা। গলায় মানানসই উত্তরীয়। গঙ্গার ঘাটগুলি ঘুরে দেখলেন। মধ্যে চাও খেলেন দোকানে দাঁড়িয়ে। হ্যাঁ। ঠিকই শুনলেন।
গঙ্গার পাড়ের রাস্তার ধারেই দোকান। সেখান থেকেই মাটির ভাড়ে চা নিলেন রাজ্যপাল৷ বেশ মেজাজ করেই সেই চা খেলেন। এ যেন এক বাঙালিয়ানায় ডুব দেওয়া। বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে বাঙালির আবেগ সাংস্কৃতিক মানসিকতা ও বিশ্বব্যাপী উৎসবের আনন্দকে ছড়িয়ে দেওয়ার কথা জানালেন রাজ্যপাল।
এদিন সকালে গঙ্গার একাধিক ঘাট পরিদর্শন করেন তিনি। গঙ্গার ঘাটগুলির বর্তমান অবস্থা কী। দুর্গাপুজোর আচার অনুষ্ঠানের পাশাপাশি বিসর্জনের জন্য ঘাটগুলি কতটা প্রস্তুত রয়েছে? পর্যাপ্ত আলো ও পরিকাঠামো ব্যবস্থা রয়েছে কী না। এই সমস্ত কিছু খতিয়ে দেখেন রাজ্যপাল।
অন্যদিকে, বিসর্জন প্রক্রিয়া চলাকালীন কীভাবে গঙ্গাকে দূষণমুক্ত রাখা যায়? সেজন্য প্রশাসনিক কী কী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে? তাও খতিয়ে দেখেন তিনি। রাজভবনের পক্ষ থেকে গঙ্গার ঘাটে উপস্থিত বেশ কিছু বয়স্ক মানুষের হাতে উপহারও তুলে দিলেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications