এসএসসির নিয়োগে পদ্ধতিগত জালিয়াতি! ডিজিটালাইজড রেকর্ড না রাখা নিয়ে প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টের
হাইেকার্টে না করলেও সুপ্রিম কোর্টে শেষ পর্যন্ত নিয়োগে জালিয়াতির কথা স্বীকার করে নিয়েছে স্কুল সার্ভিস কমিশন। এখানেই শেষ নয়, সব মিলিয়ে ৮৩২৪ জনের নিয়োগ অবৈধ বলেও জানিয়েছে এসএসসি। যে কারণে অবৈধ নিয়োগের কথা মেনে নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট এদিন বলেছে সেখানে পদ্ধতিগত জালিয়াতি করা হয়েছে। পাশাপাশি সর্বোচ্চ আদালত বলেছে শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মী নিয়োগ সংক্রান্ত ডিজিটালাইজড রেকর্ড রাখতে বাধ্য সরকার।
প্রসঙ্গত স্কুলের শিক্ষক ও অশিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছ্বতা বজায় রাখতে ১৯৯৮ সালে স্কুল সার্ভিস কমিশন গঠিত হয়। রাজ্যে তৃণমূল সরকার আসার সময়েও ডিজিটালাইজড রেকর্ড তিন বছরের জন্য রাখার নিয়ম থাকলেও, ২০১৬-র নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরুর সময়েই তা কমিয়ে এক বছর করে দেওয়া হয়। বিশ্লেষকরা বলছেন, সেখানেই জালিয়াতির শুরু।

- সুপ্রিম কোর্টে শুনানি
গত ২৯ এপ্রিল আংশিক শুনানির পরে এদিন অর্থাৎ ছয় মে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্রের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ গত ২২ এপ্রিল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের দেওয়া এসএসসির ২৫৭৫৩ জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশের বিরুদ্ধে শুনানি চালায়।
- সুপ্রিম কোর্টের জিজ্ঞাসা
এদিন সুপ্রিম কোর্টে শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি রাজ্যের আইনজীবীকে বলেন, সরকারি চাকরি এতটাই দুষ্প্রাপ্য, সেখানে জনগণের বিশ্বাস চলে গেলে অবশিষ্ট কিছু থাকে না। সেই সময় তিনি এই নিয়োগ প্রক্রিয়াকে পদ্ধতিগত প্রতারণা বলে মন্তব্য করেন।
- রাজ্য সরকারকে ডিজিটালাইজড ডেটা রাখতেই হবে
২০১৬-র এসএসসির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় একবছরের মধ্যে ওএমআর শিট নষ্ট করে ফেলা হয়। যার স্ক্যান কপিও রাখেনি এসএসসি। পরে অবশ্য মূল্যায়নকারী সংস্থা নাইসার এক আধিকারিকের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে হার্ড ডিস্কে সেই তথ্য পাওয়া যায়।
এদিন শুনানির সময় সর্বোচ্চ আদালত বলে, এই মামলায় ডিজিটালাইজড ডেটা দেখানোর মতো কিছু নেই রাজ্য সরকারের কাাছে। কিন্তু সরকার ডিজিটাইজড আকারে নথি সংরক্ষণ করতে বাধ্য। রাজ্য সরকার জানেও না তাদের পরিষেবা প্রদানকারী (এসএসসি) অন্য একটি সংস্থাকে (নাইসা) নিয়োগ করেছে। এখানে সরকারকে অবশ্যই নজরদারি রাখতে হবে বলে জানায় সুপ্রিম কোর্ট।
প্রসঙ্গত গত ২৯ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্ট প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে জানায়, নাইসাকে নিয়ম বহির্ভূত ভাবে ওএমআর শিটের বরাত দেওয়া এবং মিরর ইমেজ ছাড়াই ওএমআর শিট নষ্ট করা, জালিয়াতি ছাড়া কিছুই নয়।
গত ২২ এপ্রিল কলকাতা হাইকোর্টের নজিরবিহীন রায়ে বাতিল হয়ে যায় ২৫, ৭৫৩ জনের চাকরি। যার জেরে ভোটের মধ্যে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বড় ধাক্কা খায় রাজ্যের তৃণমূল সরকার। যদিও মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্য সরকার চাকরিহারাদের পাশেই রয়েছে। তারপরেই রাজ্য সরকার, এসএসসি এবং মধ্য শিক্ষা পর্ষদ সুপ্রিম কোর্টে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আবেদন করে।
-
মধ্যপ্রাচ্যে সঙ্কট! অবশেষে প্রধানমন্ত্রী মোদীকে ফোন করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প -
SIR: রাতে সাপ্লিমেন্টারি ভোটার লিস্ট প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন, কীভাবে দেখতে পাবেন অনলাইনে? -
ইরান-আমেরিকা সংঘাতে নতুন মোড়! যুদ্ধ কী থামার পথে? 'বড় উপহার' নিয়ে নতুন দাবি ট্রাম্পের, জল্পনা তুঙ্গে -
মর্মান্তিক! দিনেদুপুরে রক্তাক্ত কাণ্ড, গড়িয়ার পার্লারের ভিতরে প্রেমিকাকে কুপিয়ে খুন করে আত্মঘাতী যুবক -
সপ্তাহান্তে আবহাওয়ার বড় পালাবদল! এই দিন থেকে বাড়বে ঝড়বৃষ্টি, চড়বে পারদও -
৯ মাস সিলিন্ডারে রিফিল করাননি? বন্ধ হতে পারে আপনার গ্যাস সংযোগ! কড়া পদক্ষেপ সংস্থার, কী করবেন? জেনে নিন -
কলম্বিয়া বিমান দুর্ঘটনা: উদ্ধার ৭৭, এখনও নিখোঁজ বহু, হত আপাতত ১ -
সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়! ধর্ম বদলালে মিলবে না SC/ST সুবিধা, স্পষ্ট বার্তা শীর্ষ আদালতের -
পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় নতুন সমীকরণ, ইসলামাবাদে আমেরিকা ও ইরান বৈঠক ঘিরে জল্পনা -
ফের কালবৈশাখীর ছোঁয়া! ঝড় বৃষ্টিতে ভিজবে কলকাতা সহ গোটা বাংলা -
ভোটের আগে বড়সড় রদবদল! একসঙ্গে ৭৩ রিটার্নিং অফিসার বদলি, কড়া পদক্ষেপ কমিশনের -
রামনবমীর শোভাযাত্রায় হাইকোর্টের সবুজ সংকেত, তবে মানতে হবে কড়া শর্ত












Click it and Unblock the Notifications