বর্ষীয়ান বামপন্থীদের সঙ্গে কথা বলেছেন শুভেন্দু? কোন অভিজ্ঞতা নেবে বিজেপি?
বসে যাওয়া বর্ষীয়ান বামপন্থীদের সঙ্গে চাইছেন শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপির যুব সম্প্রদায় ও পঞ্চায়েত নেতাদের পথ দেখানোর জন্য তাদের প্রয়োজন। এই আহ্বান শুভেন্দু অধিকারী করেছেন। খেজুরিতে শুভেন্দু অধিকারীর সভা ছিল। এই সভা ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে ও যথেষ্ট জলঘোলাও হয়েছিল।
কলকাতা হাইকোর্টের অনুমতিতে সভা করেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ক্ষোভ তুলে ধরেন। রাজ্যের বিরোধী দলের নেতাকে সাসপেন্ড করা হয়েছে বিধানসভা থেকে। আগামী লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাসপেন্ড করা হবে। সাধারণ মানুষ লোকসভা ভোটে তৃণমূল কংগ্রেসকে সাসপেন্ড করবে। এই আহ্বান জোর গলায় করেছেন শুভেন্দু।

আগামী দিন থেকে যত সভা শুভেন্দু অধিকারী করবেন, রাজ্যজুড়ে সেই সব সভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাসপেন্ড করার আহ্বান জানানো হবে। তাৎক্ষণিকভাবেই এই বক্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এমনই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। খেজুরিতে মানুষের গণঅভ্যুত্থান হয়েছে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর পুলিশের বিরুদ্ধে মানুষ এরপর গণঅভ্যুত্থান করবেন। আগামী দিনে গণ-আন্দোলন হবে। এমনই দাবি করেছেন শুভেন্দু। পূর্ব মেদিনীপুরের বহু পঞ্চায়েত বিজেপি পেয়েছে। পঞ্চায়েত চালানোর জন্য অভিজ্ঞতা দরকার। তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে আন্দোলনের রূপরেখা তৈরি করতেও অভিজ্ঞতা প্রয়োজন। লোকসভা ভোটের আগে জমি তৈরি করতে চাইছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। আরও একবার বামপন্থীদের দিকে হাত বাড়িয়েছেন তিনি।
শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, বর্ষীয়ান বহু সিপিএম নেতা কর্মী রয়েছেন। তারা এখন আর দলের হয়ে পথে নামেন না। জমি আন্দোলন, পঞ্চায়েত তৈরির ক্ষেত্রে তাদের বড় ভূমিকা ছিল। সেই সব মানুষগুলোর সঙ্গে তার কথাবার্তা চলছে। বর্ষীয়ানদের থেকে শিক্ষা নেওয়া হবে।
কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরীর সম্পর্কেও কটাক্ষ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তার পুঁথিগত শিক্ষা তেমন নেই। তবে অনেকবারের সাংসদ। তাই তিনি সম্মান করেন অধীর চৌধুরীকে। কিন্তু তিনি কংগ্রেসের পুতুল। ওই দলের আসল মালিক সনিয়া গান্ধী।
মহুয়া মৈত্রকে সমর্থন করা নিয়ে কটাক্ষ করেছেন শুভেন্দু। কংগ্রেসের তরুণ নেতা কৌস্তুভ বাগচী অধীর চৌধুরীকে বক্তব্য দিয়ে দিয়েছেন। পরিষ্কার এই কথা বলেন রাজ্যে বিরোধী দলনেতা। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে আগামী দিনে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান অধীর চৌধুরী। কিন্তু বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় সেই ডাকে সাড়া দেবেন না। এমনই মনে করেন তিনি।
শুভেন্দু অধিকারীর সভার আগে বোমাতঙ্ক ছড়িয়েছিল এলাকায়। তবে তেমন কোনও বড় অঘটন ঘটেনি। শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে রীতিমতো আক্রমণ করেছেন বিরোধী দলনেতা। বিজেপি সভার অনুমতি পায় না। পুলিশ প্রশাসন সভা অনুমতি দেয় না। তাই নিয়েও সরব হয়েছেন শুভেন্দু।












Click it and Unblock the Notifications