Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

ওয়াকফ ইস্যুতে মমতার বিভ্রান্তিকর বার্তায় বিপাকে মুসলিমরাই! বড় দাবি শুভেন্দুর

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন। আজ এমনই অভিযোগে সরব হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকীরী।

তিনি বলেন, কখনও সিএএ-কে এনআরসি বলা, কখনও এসআইআর-কে এনআরসি বলা, আবার কখনও ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে ভুল তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এসবই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং বাস্তব তথ্যের সঙ্গে কোনওভাবেই সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

শুভেন্দু জানান যে, ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী যতই বড় বড় দাবি করুন, কেন্দ্রীয় সরকারের আয়োজিত স্টেকহোল্ডার বৈঠকগুলিতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রতিনিধিরা কোনও আপত্তি বা মতবিরোধ নথিভুক্ত করেননি। লখনউ ও দিল্লির চারটি বৈঠকের মধ্যে দুটিতে পশ্চিমবঙ্গের অতিরিক্ত সচিব ও সিইও উপস্থিত থেকেও সম্পূর্ণ নীরব ছিলেন। অথচ রাজ্যে ফিরে মুখ্যমন্ত্রী ধর্মীয় সম্পত্তি রক্ষার নামে বিভ্রান্তিকর বার্তা ছড়াচ্ছেন। এটি রাজ্য সরকারের দ্বিচারিতা ও রাজনৈতিক ভণ্ডামির প্রকৃষ্ট উদাহরণ।

বিরোধী দলনেতা আরও জানান যে 'উম্মিদ' (WAMSI) পোর্টালে ওয়াকফ সম্পত্তির নথিভুক্তিকরণ নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের চিঠি অক্টোবর থেকেই আসতে শুরু করে। সচিবের ২৭ অক্টোবরের চিঠি, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরণ রিজিজুর নির্দেশ-সবই স্পষ্ট ছিল। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ সরকার কার্যকর কোনও পদক্ষেপ করেনি। ফলে ৬ ডিসেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিটের সময়সীমা পেরিয়ে বহু নথি আপলোডই করা যায়নি। এর ফলে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিগুলিকে এখন আইনি লড়াইয়ের মুখোমুখি হতে হবে। তিনি বলেন, "গোটা ভারতবর্ষ যখন দ্রুত নথিভুক্তিকরণ সম্পন্ন করল, তখন কেবল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে পশ্চিমবঙ্গ পিছিয়ে রইল, আর তার সরাসরি ক্ষতি হবে মুসলিম সম্প্রদায়েরই।"

শুভেন্দু অধিকারী বলেন যে, ওয়াকফ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর উস্কানিমূলক বক্তব্য ও তাঁর দলের নেতাদের আগুনঝরা ভাষণই সাম্প্রতিক দাঙ্গার অন্যতম কারণ। মুর্শিদাবাদ, সামশেরগঞ্জ, ধুলিয়ান, বেলডাঙ্গা-বহু এলাকায় সাম্প্রদায়িক অশান্তি, দোকান লুঠ, গ্রামে আগুন লাগানো, এমনকী প্রাণহানির ঘটনাও ঘটে। বৈষ্ণবনগরে স্বাধীনতার পর সর্বাধিক হারে হিন্দু পলায়ন বাংলায় দেখা গিয়েছে। প্রশাসন ঘটনাগুলি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছে এবং মুখ্যমন্ত্রী উল্টো মুর্শিদাবাদে গিয়ে উত্তেজনামূলক ভাষণ দিয়েছেন।

তিনি স্পষ্টভাবে বলেন যে, আজকের এই সংকটের জন্য দায়ী মুখ্যমন্ত্রী নিজেই। সুযোগ থাকা সত্ত্বেও রাজ্য সরকার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ও আলোচনায় নিজেদের মতামত জানায়নি। এর ফলে আজ পশ্চিমবঙ্গের বহু ওয়াকফ প্রপার্টি নথিভুক্ত না হয়ে ঝুলে রয়েছে। "মুসলিমদের ভোটে ক্ষমতায় এসে আজ সেই মুসলিম সমাজকেই বিপদে ফেলেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, যেসব তৃণমূল নেতারা ওয়াকফ নিয়ে গরম গরম বক্তব্য রাখেন, যেসব ধর্মীয় নেতারা ভোটের সময় মুখ্যমন্ত্রীর প্রচারে অংশ নেন, তাঁদের সকলেরই উচিত এই তথ্যভিত্তিক অভিযোগের জবাব দেওয়া। তাঁর দাবি, কেন্দ্রীয় সরকার সকলের হিতকামনায় কাজ করছে, কিন্তু রাজ্য সরকার রাজনৈতিক লাভের জন্য মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+