Suvendu On Saayoni: ভাইপোর শাগরেদ কুন্তল ওই ভদ্রমহিলাকে...! সায়নীকে নিয়ে এ কী বললেন শুভেন্দু?
Suvendu Adhikari On Saayoni Ghosh: তৃণমূল কংগ্রেসের যুব সভানেত্রী সায়নী ঘোষকে শুক্রবার নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।
সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, বিগত ১০ বছরের আয়কর রিটার্ন, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের যাবতীয় নথি, স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির বিবরণ জমা দিতে বলা হয়েছে। পঞ্চায়েত ভোটের প্রচারে ব্যস্ত থাকার কারণ দেখিয়ে সায়নী শুক্রবার সিজিও কমপ্লেক্সে যাবেন কিনা সেটা দেখার।

সায়নী ঘোষকে তলব প্রসঙ্গে এদিন প্রশ্ন করা হয়েছিল রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি আজ পটাশপুরে বলেন, "এইসব লোকদের সম্পর্কে মন্তব্য করতে রুচিতে বাঁধে। ভাইপোর শাগরেদ কুন্তল (কুন্তল ঘোষ) এই ভদ্রমহিলাকের বিরাট ফ্ল্যাট, গাড়ি দিয়েছে। চুরির উচ্ছিষ্টের ভাগ পেয়েছেন সায়নী, এটা নিয়ে সন্দেহ নেই।"
শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, শুধু ডাকলেই হবে না। এদের ভেতরে ঢোকাতে হবে। কুন্তলের থেকে সায়নীর পাওয়া ফ্ল্যাট, গাড়ি সিজ করা হোক। তারপর সেগুলি নিলামে তুলে বিক্রি করে, সেই টাকা সরকারি কোষাগারে জমা করা হোক বলেও মন্তব্য শুভেন্দু অধিকারীর।

সুর চড়িয়েছেন বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পণ্ডা। তিনি ফেসবুক বার্তায় সায়নীকে নিশানা করে শঙ্কুদেব বলেন, শিবলিঙ্গে কন্ডোম পরিয়েছিলেন, সিপিআইএম থেকে লাফিয়ে চলে এসেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসে। যে ভাষায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করেছিলেন, তারপরেও ফুল সেটিং। জানতে চাই, কুন্তলের সঙ্গে আপনার কী সম্পর্ক? কেন অ্যাকাউন্টে এত আর্থিক লেনদেন?

শঙ্কুদেব এদিন সায়নীর উদ্দেশে বলেন, নির্বাচনে কুন্তলকে নিয়েই ত্রিপুরায় গিয়েছিলেন। পুরো খরচাই কুন্তল দিয়েছিলেন। আপনাদের ব্যক্তিগত খরচও নাকি কুন্তল চালান। কোন ধরনের অভিনয়ের ছক কষছেন ইডির সামনে? এই অভিনয়, জারিজুরি বাংলার যুবসমাজের চোখের জলের কাছে কিছু নয়।

সায়নীর বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স বলা পার্টি (পড়ুন তৃণমূল কংগ্রেস) কখন ব্যবস্থা নেবে, কখন তাঁকে পদ থেকে সরানো হবে, সেই প্রশ্নও তোলেন শঙ্কুদেব। শঙ্কুদেব বলেন, যাঁকে যুবসমাজের মুখ করা হয়েছে তিনি মানুষের ভাবাবেগ থেকে ভবিষ্যৎ চুরি করেছেন। তাঁকে পদ থেকে সরানো হোক, অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

শঙ্কুদেব ইডির বিরুদ্ধে প্রয়োজনে আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইডি যদি সায়নীকে ডেকে দই-মিষ্টি খাইয়ে ছেড়ে দেয় তাহলে ইডির বিরুদ্ধে আন্দোলন হবে। বাংলার যুবসমাজ বঞ্চিত হবে আর কিছু লোক ইডি অফিসে গিয়ে ড্যাং ড্যাং করে ঘুরে বেড়াবে, এটা চলতে পারে না। এনাফ ইজ এনাফ! ইডি ব্যবস্থা না নিলে আইনত শেষ দেখে ছাড়ব।












Click it and Unblock the Notifications