করোনা সঙ্কটের মাঝেও সমাজসেবা করে নজির বসিরহাটে
করোনা সঙ্কটের মাঝেও সমাজসেবা করে নজির বসিরহাটে
করোনা পরিস্থিতিতে যখন চারিদিকে চলছে সামাজিক বয়কট, যখন পুলিশ, স্বাস্থ্যকর্মী, বা ডাক্তারদের বাড়ি ছাড়তে বাধ্য করছে বাড়িওয়ালারা, এবং করোনা আক্রান্ত রোগীর থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন নিজের পরিবারের সদস্যরাও। তখন এক অনন্য মানবতার নজির দেখা গেল বসিরহাটে।

করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিদের পিপিই কিট পরে হাসপাতালে ভর্তি থেকে শুরু করে বসিরহাট পৌর এলাকার ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধ - বৃদ্ধকে নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করানো, এবং মৃত রোগীকে শ্মশানে নিয়ে যাওয়া, রক্ত পরীক্ষা করার জন্য অসুস্থকে বসিরহাট জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া সবই দায়িত্বের সঙ্গে সামলাচ্ছেন বসিরহাটের সুবীর ও সুরজিৎ ওরফে বাদল - বিলু। দুই সমাজসেবীর কাজ ভরসা জুগিয়েছে স্থানীয় প্রশাসনও।
জানা গিয়েছে, বসিরহাট শহরে এখনও পর্যন্ত করোনায় ১০ থেকে ১২ জন। শহরের পার্শ্ববর্তী এলাকাতে সংখ্যাটা একটু বেশি। আক্রান্ত ৫০০ ছুঁই ছুঁই। সেই সমস্ত রোগের যাদের সামর্থ্য আছে তারা নিজেদের উদ্যোগে ভর্তি হচ্ছে কলকাতার বেসরকারি হাসপাতলে। কেউবা কলকাতা শহরের সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। কারণ বসিরহাটে এখনো পর্যন্ত করোনা চিকিৎসার জন্য কোন ব্যবস্থা নেই। যাদের সামর্থ্য নেই তারা কি করবে ?
যতটা পারছে প্রশাসন করছে। বাকিটা প্রশাসনের নজর এড়িয়ে গেলে, এগিয়ে আসছেন বসিরহাটের দুই তরুণ সমাজসেবী বাদল ও বিলু।
একজন বসিরহাট কলেজের অস্থায়ী কর্মচারী সুবীর সরকার (বিলু), অন্যদিকে বসিরহাটের ভূমিপুত্র উত্তর ২৪ পরগনা জেলার তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক সুরজিৎ মিত্র ওরফে বাদল, করোনা যুদ্ধে সামিল হয়ে নিজেই পিপিই কিট পরে করোনা আক্রান্তদের সাহায্য করতে এগিয়ে এসেছেন। সুবীর ও সুরজিৎবাবুরা নিজের উদ্যোগে কখনও কারুর বাড়িতে আবার কখনও দোকানে গিয়ে খোঁজ খবর নিচ্ছেন। করোনা পরিস্থিতিতে তাদের এই ভরসা জুগিয়েছে হাড়োয়া ও বসিরহাটের সাধারণ মানুষের মধ্যে।












Click it and Unblock the Notifications