Sheikh Shahjahan Arrested: ভোররাতেই কোর্ট লকআপে শেখ শাহজাহান, সন্দেশখালিতে জারি হল ১৪৪ ধারা
Sheikh Shahjahan Arrested: নজর এড়িয়ে ভোররাতে গ্রেফতার শেখ শাহজাহান! ঠিক কোথা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। এমনকি পুলিশের তরফেও এই বিষয়ে কোনও তথ্য দেওয়া হয়নি। তবে সবার নজর এড়িয়ে একেবারে ভোর পাঁচটা নাগাদ বারাসাত আদালতে নিয়ে যাওয়া হয় তৃণমূলের 'বেতাজ বাদশা'কে। রাখা হয়েছে কোর্ট লকআপে।
বিক্ষোভের আশঙ্কাতেই কার্যত পুলিশের এহেন নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত বলে জানা গিয়েছে। এর আগে শেখ শাহজাহানের অনুগামী শিবু হাজরা সহ বেশ কয়েকজন আদালতে তোলা হলে জনরোষ আছড়ে পড়ে। আর তা সামলাতে হিমশিম খেতে হয় পুলিশ প্রশাসনকে। আর সেদিকে তাকিয়ে এহেন ব্যবস্থা বলে মনে করা হচ্ছে।

শুধু তাই নয়, গোটা বসিরহাট আদালত চত্বর ঘিরে রাখা হয়েছে পুলিশের তরফে। বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। যে লকআপে সন্দেশখালির 'বেতাজ বাদশা'কে রাখা হয়েছে সেখানে কাউকে ঘেঁষতে দেওয়া হচ্ছে না। পুলিশ আধিকারিকরা মনে করছেন, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের তরফে বিক্ষোভ দেখানো হতে পারে আদালতের বাইরে। আর তাই আদালতের বাইরের রাস্তা জুড়েও মোতায়েন রয়েছে র্যাফ এবং বাহিনী।
অন্যদিকে সন্দেশখালি জুড়েও বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। গত কয়েকদিন ধরে শেখ শাহজাহানের গ্রেফতারের দাবিতে উত্তাল হয়েছে সন্দেশখালি। পথে নেমে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন মহিলারা। তবে শেখ শাহজাহানের গ্রেফতারের পর বিক্ষোভের আগুন নতুন করে জ্বলে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা।
আর সেই আশঙ্কা থেকেই সন্দেশখালি জুড়ে নিরাপত্তার চাদর পুলিশের। প্রত্যেকটি মোড়ে পুলিশের তরফে মোতায়েন করা হয়েছে ব্যারিকেড। রয়েছেন মহিলা পুলিশকর্মীরাও। পাশাপাশি নতুন করে ২৩ টি জায়গায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে বলে খবর।
#WATCH | Sandeshkhali violence | TMC leader Sheikh Shahjahan arrested by West Bengal Police. He will be presented before Basirhat Court today.
— ANI (@ANI) February 29, 2024
Visuals from the Court premises. #WestBengal pic.twitter.com/ZYoXYeMMH6
অন্যদিকে বেতাজ বাদশার বাড়ির সামনেও বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। চলছে পুলিশের টহল। যদিও গোটা এলাকা জনমানবশূন্য বলে জানা যাচ্ছে। অন্যদিকে সন্দেশখালিতে তৃণমূল নেতার নামে যে বাজার রয়েছে সেখানেও পুলিশের তৎপরতা নজর পড়ছে। এমনকি দমকলের বাহিনীকেও সেখানে মোতায়েন করা হয়েছে। জনরোষের আগুন যদি বাজারে এসে পড়ে আর তা যাতে দ্রুত নেভানো সম্ভব হয় সেজন্যেই প্রশাসনের তরফে এই ব্যবস্থা বলে জানা গিয়েছে।
পুলিশের দাবি, কাউকে আই হাতে তুলে নিতে দেওয়া হবে না। এই বিষয়ে কড়া নজরদারি চালানো হবে বলে পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications