Nabanna Chalo: নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী, কালীঘাট থেকে উত্তরকন্যায় নিরাপত্তা জোরদার, কন্টেনার নিয়ে খোঁচা শুভেন্দুর
Nabanna Chalo: পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজের ডাকা নবান্ন চলো অভিযান নিয়ে জমায়েত। জেলা থেকে প্রচুর ছাত্র-ছাত্রী আসছেন। পুলিশও পরিস্থিতি মোকাবিলায় তৎপর।
এরই মধ্যে এদিন সকালে নবান্নে পৌঁছেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন থেকে শুরু করে উত্তরবঙ্গে উত্তরকন্যায় নিরাপত্তা জোরদার করা হলো। নজিরবিহীন ঘটনা দেখা গেল শহরের রাজপথে। যেখানে মিছিল ঠেকাতে ক্রেন দিয়ে রাস্তায় রাখা হলো কন্টেনার।

পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজের নবান্ন চলো-র আঁচ যাতে না পড়ে, সেজন্য কালীঘাট এলাকায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা। মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে যাওয়ার রাস্তার কাছেই কালীঘাট ব্রিজ। ব্রিজের গোটাটাই গার্ডরেল দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছে। হাওড়া ব্রিজও শুনশান। যানবাহন না পেয়ে হেঁটেই গন্তব্যে যেতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।
কোনওরকম ঝুঁকি নিতে নারাজ শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশ। শিলিগুড়ির সন্নিকটে রযেছে মিনি সচিবালয় উত্তরকন্যা। নবান্নর পাশাপাশি বিক্ষোভকারীরা উত্তরকন্যায় তাঁদের অভিযান চালাতে পারেন বলে আশঙ্কা করছে শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশ।
সেই কারণে শিলিগুড়ির তিনবাত্তি মোড়ে বিক্ষোভকারীদের যাতে আটকে দেওয়া যায় তার জন্য সমস্ত রকম ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশের তরফে। বিশাল পুলিশবাহিনী মোতায়েন করার পাশাপাশি ব্যারিকেড থেকে জল কামান- সব ধরনের ব্যবস্থাই রাখা হয়েছে। তিনবাত্তি মোড়ে উপস্থিত রয়েছেন মেট্রোপলিটন পুলিশের সমস্ত আধিকারিকরা।
শুভেন্দু অধিকারী বলেন, তিনজন ছাত্রের সাংবাদিক বৈঠক আর কয়েকজন ইউটিউবারের ডাকের কাছে প্রশাসন পুরোপুরি আত্মসমর্পণ করেছে। প্রতিবাদীদের আটকাতে গার্ডেনরিচ থেকে কন্টেনার রাস্তায় বসানো হয়েছে, যা নজিরবিহীন। অরাজনৈতিক কর্মসূচি ঠেকাতে কয়েক কোটি টাকা খরচ করেছে সরকার।
শুভেন্দু জানান, তিনি হাওড়ায় রেলের গেস্ট হাউসে থাকবেন। নবান্ন চলোর ডাক দেওয়া ছাত্র সমাজের পাশেই তিনি রয়েছেন। আন্দোলন দমনের চেষ্টা হলে, কাউকে মারধর করা হলে রাস্তায় নেমে অবরোধের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, ইতিমধ্যেই ১০০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। চারজন ছাত্র নিখোঁজ ছিলেন। তাঁদের পরিবারকেও আগে খবর দেয়নি পুলিশ। সকলকে মুক্ত করানোর বিষয়ে আইনি সহায়তা প্রদান করা হবে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা হিসেবে তিনি যা করণীয় সব কিছুই করবেন।
এদিকে, রাস্তায় ক্রেন দিয়ে কন্টেনার রাখা নিয়ে খোঁচা দিতে ছাড়েননি বিজেপির প্রাক্তন সাংসদ তথা ন্যাশনাল এগজিকিউটিভ মেম্বার স্বপন দাশগুপ্ত। এক্স হ্যান্ডলে তিনি লিখেছেন, কলকাতার রাস্তা পুলিশ কেন কন্টেনার রাখছে? পুলিশ কি ভাবছে বিক্ষোভকারীরা ট্যাঙ্ক নিয়ে নবান্নে হামলা করবেন?












Click it and Unblock the Notifications