Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

Santanu Sen: প্রমাণ দিন... আমার নামে নেত্রী মমতাকে! সাসপেন্ড হতেই অভিষেক ঘনিষ্ঠ এই নেতা বললেন...

Santanu Sen: আমার নামে ভুল বোঝানো হয়েছে নেত্রীকে। আমি নাকি আন্দোলনকে উস্কে দিয়েছি। এমন কিছুই ঘটেনি। সাসপেন্ড হতেই ফের একবার সুর চড়ালেন শান্তনু সেন। আরজি কর ইস্যুতে মুখ খুলেছিলেন এই তৃণমূল নেতা। এমনকি সংশ্লিষ্ট মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধেও সরব হয়েছিলেন। এরপরেই তৃণমূলের মধ্যে কোনঠাসা হতে শুরু করেন সাসপেন্ডেড এই নেতা।

একের পর এক পদ কার্যত কেড়ে নেওয়া হয়। প্রথমেই তৃণমুল কংগ্রেসের মুখপত্র পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় শাসকদলের প্রাক্তন এই সাংসদকে (Santanu Sen)। এরপর রোগী কল্যাণ সমিতি থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয়।

Santanu Sen and Abhishek Banerjee

শুধু তাই নয়, কলকাতা পুরসভায় একটি বিশেষ পদে ছিলেন শান্তনু সেন। আরজি কর আবহে সেখান থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয়। যা নিয়ে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়। যদিও ওই পদ কোনও দিন ছিল না বলে দাবি করেন পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম।

সময় যত গড়িয়েছে ততই কোনঠাসা হয়েছে পড়েছেন শান্তনু। শেষমেশ দলবিরোধী কাজের জন্য আজ শুক্রবার তাঁকে সাসপেন্ড করল তৃণমূল। নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশেই এহেন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে খবর। আর এই সিদ্ধান্ত সামনে আসতে কার্যত পাল্টা তৃণমূলকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন প্রাক্তন সাংসদ। তাঁর দাবি, প্রমাণ করে দিক যে আমি দলবিরোধী কাজ করেছি। আর তা করতে পারলে আমি নিজেই সরে যাব।

তাঁর কথায়, আমার নামে ভুল বোঝানো হয়েছে নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আমি নাকি আন্দোলনকে উস্কে দিয়েছি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনকালে বাংলার স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নতি হয়েছে। কিন্তু আরজি কর নিয়ে আগে থেকেই আমি সরব হয়েছিলাম। মিডিয়া এই বিষয়ে কিছুই জানত না বলে দাবি তৃণমূল নেতার। শুধু তাই নয়, যেখানে জানানোর সেখানেই জানিয়েছলেন বলেও দাবি করেন।

এই প্রসঙ্গে শান্তনুর আরও দাবি, সন্দীপ ঘোষের সময়ে আরজি কর একেবারে রসাতলে চলে গেছিল। সিবিআই এখন যে প্রশ্নগুলো তুলছে তা নিয়েই সরব হয়েছিলাম। কার্যত এই প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে নাম না করে বেশ নেতাকে এদিন আক্রণ শানান। বলেন, আমার নামে কোনও দুর্নীতি নেই। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিয়ে কেন্দ্রীয় এজেন্সিও আসেনি। তাহলে কেন এমন সিদ্ধান্ত তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তৃণমূল নেতা।

অন্যদিকে শান্তনু সেন সাসপেন্ড হতেই নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। অনেকেই বলছেন, সাসপেন্ডেড তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ট। তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড হলেও তিনিও দলের মধ্যে কার্যত কোনঠাসা। এই অবস্থায় শান্তনুকে সাসপেন্ড করে কোনও বার্তা দিতে চাইছে নেত্রী ঘনিষ্ঠরা? উঠছে প্রশ্ন।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+