মিস্ত্রী থেকে দুবাইয়ে হোটেলের মালিক! পার্থের আত্মীয় উত্থান চমকে দিচ্ছে সিবিআইকেও
শিক্ষক নিয়োগ মামলার দুর্নীতিতে নেমে বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির হদিশ পেয়েছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বান্ধবীর বাড়ি থেকে প্রায় ৫০ কোটি নগদ এবং বিপুল সম্পত্তির হদিশ পেয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। আর এই সংক্র
শিক্ষক নিয়োগ মামলার দুর্নীতিতে নেমে বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির হদিশ পেয়েছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বান্ধবীর বাড়ি থেকে প্রায় ৫০ কোটি নগদ এবং বিপুল সম্পত্তির হদিশ পেয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। আর এই সংক্রান্ত তদন্তে নেমে কার্যত চক্ষুচড়ক কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের।
বিপুল সম্পত্তির মালিক পার্থ নিজেও। রাজ্য তো বটেই, দেশের বিভিন্ন অংশে ফ্ল্যাট সহ বহু সম্পত্তি ছড়ানো ছেটানো রয়েছে বলে দাবি তদন্তকারীদের।

সম্পত্তির বহরে পিছিয়ে নেই প্রসন্ন
তবে এই সম্পত্তির বহরে পিছিয়ে নেই প্রসন্ন কুমার রায়। যিনি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ভাগ্নি জামাইও বলে পরিচিত। স্কুল সার্ভিস নিয়োগ মামলাতে শুক্রবার প্রসন্নকে গ্রেফতার করে সিবিআই। মূলত মিডলম্যান হিসাবে কাজ করত সে। অযোগ্য প্রার্থীদের নামের তালিকা প্রভাবশালীদের কাছে পাঠাত সে। এই সংক্রান্ত বেশ কিছু প্রমাণ হাতে এসেছে। আর তা আসার পরেই প্রসন্নকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। আর গ্রেফতারের পরেই প্রসন্নের বিপুল সম্পত্তি চমকে দিচ্ছে তদন্তাকারীদের।

বিলাসবহুল বাড়ি রয়েছে প্রসন্নের
একজন সাধারণ রঙ মিস্ত্রি হিসাবে কাজ শুরু করেছিলেন প্রসন্ন। এরপর ঠিকাদার হিসাবে করত সে। কিন্তু এ মুহূর্তে কয়েকশ কোটি টাকার মালিক সে। অন্তত রাহারহট নিউ টাউনের বুকে কয়েকশ কোটি টাকার ভিলা এবং বাগান বাড়ি রয়েছে। যেগুলি দেখতে এক একটি বিলাসবহুল হোটেলের মতো। এমন অন্তত পাঁচটি বাড়ি রয়েছে বলেই খবর। এছাড়াও রাজারহাটের ধাড়সার মহম্মদপুরে দশ কাঠা জমির উপর বিলাসবহুল বাড়ি রয়েছে প্রসন্নের।

প্রসন্নের হোটেল ব্যবসা রয়েছে
এখানেই শেষ নয়, প্রসন্নের হোটেল ব্যবসা রয়েছে। সেই মতো রাজ্যের উত্তর থেকে দক্ষিণ বিভিন্ন জায়গাতে একাধিক হোটেল রয়েছে। এমনকি চা বাগানের মালিক সে। দার্জিলিং, উত্তরাখণ্ড এবং পুরীতেও একাধিক হোটেলে পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠের বিনিয়োগ রয়েছে বলেও সিবিআই সূত্রে খবর। শুধু তাই নয়, দুবাইতেও পার্থ ঘনিষ্ঠ আত্মীয়ের হোটেল এবং বিনিয়োগ আছে বলেই খবর।

বিপুল পরিমাণ টাকা কীভাবে এল?
কিন্তু এই বিপুল পরিমাণ টাকা কীভাবে এল? তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে সিবিআই আধিকারিকদের। নিয়োগ কেলেঙ্কারির টাকাতেই কি বিপুল পরিমাণ এই সম্পত্তি? সেটাই এখন খতিয়ে দেখছে সিবিআই। এমনকি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের টাকাও কি এই সমস্ত ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করা হয়েছে? সেই প্রশ্নও উড়িয়ে দিতে পারছেন না তদন্তকারীদের। খুব শীঘ্রই এই সমস্ত ভিলা, বাড়িতে সবিআই তল্লাশি চালাতে পারে বলেই সূত্রে জানা যাচ্ছে। আজ প্রসন্নকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জেরা শুরু করেছে তদন্তকারী আধিকারিকরা।

তারাই লিস্ট নিয়ে আসত বলেও দাবি।
অন্যদিকে পার্থ ঘনিষ্ঠ মিডলম্যান গ্রেফতার প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন,
বাংলায় এরকম আরও খুঁজে পাওয়া যাবে। যেরকম যেরকম এজেন্সির হাতে তথ্য আসছে, সেরকম ভাবে তদন্ত এগোচ্ছে। জেলায় জেলায় এরকম লোক আছে। তারাই টাকা কালেক্ট করত বলে দাবি বিজেপি নেতার। শুধু তাই নয়, তারাই লিস্ট নিয়ে আসত বলেও দাবি।












Click it and Unblock the Notifications