ইউনিটেকের প্রাক্তন মালিকের স্ত্রী প্রীতি চন্দ্র অর্থ তছরুপের মামলায় গ্রেফতার
ইউনিটেকের প্রাক্তন মালিক সঞ্জয় চন্দ্রের স্ত্রী প্রীতি চন্দ্রকে মানি লন্ডারিং মামলায় গ্রেফতার করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সঞ্জয় চন্দ্রের বাবা ৮০ বছর বয়সী রমেশ চন্দ্রকেও এই মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে।
ইউনিটেকের প্রাক্তন মালিক সঞ্জয় চন্দ্রের স্ত্রী প্রীতি চন্দ্রকে মানি লন্ডারিং মামলায় গ্রেফতার করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সঞ্জয় চন্দ্রের বাবা ৮০ বছর বয়সী রমেশ চন্দ্রকেও এই মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে। কর্নোস্টি ম্যানেজমেন্টের রাজেশ মালিকের বিরুদ্ধেও প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। উল্লেখ্য ইউনিটেকের প্রাক্তন মালিক সঞ্জয় চন্দ্রও এখন কারাবন্দি।

চলতি বছরের গোড়ার দিকে ইউনাইটেক গ্রুপের প্রাক্তন মালিক সঞ্জয় চন্দ্র এবং অজয় চন্দ্রের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের বিভিন্ন ধারায় ফৌজদারি মামলা দায়ের করে। অভিযোগ, তারা অবৈধভাবে সাইপ্রাস এবং কেম্যান আইসল্যান্ডের কাছ থেকে ২ হাজার কোটি টাকা সরিয়ে নিয়েছেন। এই ক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত মোট ৫০৬৩.০৫ কোটি টাকা তছরূপের অভিযোগ উঠেছে।
সঞ্জয় চন্দ্র গ্রেফতার হওয়ার পর রাজেশ মালিক ইউনেটেক গ্রুপের প্লটের উত্তরাধিকারী হিসেবে কাজ করছিলেন। নয়ডায় অস্তিত্বহীন প্লট বিক্রি করে মানুষকে ঠকিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। মার্চ মাসে মুম্বইয়ের ৩৫টি স্থানে, ইউনিটেক গ্রুপের দিল্লি অফিসে, শিবালিক গ্রুপ, ত্রিকর গ্রুপ এবং কার্নোস্টি গ্রুপের বেশ কয়েকটি স্থানে অভিযান চালায় ইডি।
জুলাই মাসে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট ৫৮.৬১ কোটি টাকা মূল্যের একটি লন্ডন হোটেল সংযুক্ত করে মানি লন্ডারিং তদন্তে। বেড অ্যান্ড ব্রেকফাস্ট নামে এই হোটেলটির মালিকানা কার্নোস্টি গ্রুপের। যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইবর্নশর্ন লিমিটেড নামে একটি কোম্পানির সহযোগী ওই সংস্থাটি।
ভারতে এবং বিদেশে চন্দ্র পরিবারের সম্পত্তির মোট মূল্যা প্রায় ৬০০ কোটি টাকা। রমেশ চন্দ্র এবং তাঁর দুই ছেলে সঞ্জয় এবং অজয় চন্দ্রের বিরুদ্ধেও কানাড়া ব্যাঙ্কের ১৯৮ কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে। গত বছর নভেম্বরে দায়ের করা অভিযোগে ব্যাংক বলেছিল যে ইউনিটেক ১৯৭১ সাল থেকে তাদের গ্রাহক ছিল এবং বিভিন্ন ঋণ সুবিধা গ্রহণ করেছিল। একাধিক পেমেন্টে খেলাপিও ছিল তাদের বিরুদ্ধে।
দুই মাস আগে, চন্দ্র ভাইদের দিল্লির তিহার কারাগার থেকে মুম্বইয়ের আর্থার রোড এবং তালোজা কারাগারে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট সুপ্রিম কোর্টকে বলেছিল, এটি দক্ষিণ দিল্লির গ্রিন পার্কে একটি গোপন ভূগর্ভস্থ অফিস খুঁজে পেয়েছিল, যা তারা ব্যবহার করছিল প্যারোল বা জামিন পাওয়া সাক্ষীদের প্রভাবিত করতে।
সুপ্রিম কোর্ট এরপর তাদের স্থানান্তরের আদেশ দেয়। সংস্থাটি তাদের রিপোর্টে বলেছে, তিহার কারাগারের কর্মীদের সঙ্গে তাদের যোগসাজোশ ছিল। কর্মীদের নানা কাজে ব্যবহার, জেলের নিয়ম ভঙ্গ এবং আদালতের এক্তিয়ার ক্ষুণ্ন করার ব্যাপারে তাদের যোগসাজশের কথা উল্লেখ করা হয়েছে অভিযোগে।












Click it and Unblock the Notifications