Opposition Unity: কংগ্রেসই ভবিষ্যৎ, বুঝতে পেরেছেন মমতা! জোট নিয়ে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য অধীরের
"মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুঝতে পারছেন জাতীয় রাজনীতি কোনদিকে মোড় নিচ্ছে। আর তা বুঝতে পেরেই ভারতবর্ষের রাজনীতিতে কংগ্রেসের হাত ধরার চেষ্টা করছে। আগামী দিনে আমাদের কংগ্রেসকে ম্যানেজ করতেই তিনি এখন বিজেপি বিরোধী জোটে শামিল হতে চাইছেন।"
একদিন আগেই বিহারের পাটনায় কংগ্রেস-তৃণমূলসহ ১৫টি দলের জোট বৈঠক হয়েছে। তারপর একদিন কাটতে না কাটতেই প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী তোপ দাগলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। সাফ জানিয়ে দিলেন কংগ্রেসকে নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভোল বদলের কারণ কী।

অধীর চৌধুরীকে প্রশ্ন ছুড়ে দেওয়া হয়েছিল, সর্বভারতীয় স্তরে জোট হলে রাজ্যস্তরে কি জোট হওয়া সম্ভব? সেই প্রসঙ্গে অধীর চৌধুরী বলেন, আন্দাজে ঢিল মারা বলে একটি কথা আছে। তো আন্দাজে ঢিল মারার প্রশ্নের কোনো জবাব হয় না। বহরমপুরে এক সাংবাদিক বৈঠকে অধীর চৌধুরী জোট নিয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা দিলেন।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমরা সবাই ইউনাইটেড। এবার আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়ব। রাহুল গান্ধীও বলেন, আমদের সমস্ত দলের মধ্যেই মত পার্থক্য রয়েছে. তবু আমরা এক হচ্ছি বৃহত্তর স্বার্থে। বিজেপি দেশজুড়ে যে ঘৃণা-বিদ্বেষের রাজনীতি আমদানি করেছে, তার অবসান দরকার।

কিন্তু রাজ্যে অধীর চৌধুরী তৃণমূলের সঙ্গে জোট নিয়ে ব্যতিক্রমী বক্তব্য পেশ করেছেন। রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে প্রাক নির্বাচনী জোট চায় না কংগ্রেস। তা অধীর চৌধুরী একা নন, প্রদেশ কংগ্রেসের নেতৃবর্গ ঠারেঠোরে বুঝিয়ে দিয়েছেন। এখন অধীর নিদেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জোট-ইচ্ছা নিয়ে কটাক্ষ করছেন।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের সঙ্গে রাজ্যে কংগ্রেস কিছুতেই জোট করতে চায় না। বরং কংগ্রেস ও সিপিএম একরত্র হয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরোধিতা করতে চায়। তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধ লড়াই করতে চায় ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনেও। অধীর চৌধুরী তারই গৌরচন্দ্রিকা করে রাখলেন এদিন।

শুধু অধীরই নন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও একই কথা বলেছেন। তিনি কয়েকদিন আগেই এক জনসভা থেকে বলেন, সিপিএমের সঙ্গে জোট করলে রাজ্যে কংগ্রেসকে তারা ছেড়ে দেবে না। কংগ্রেসের সঙ্গে জোটে থাকবে না। তবে জাতীয় স্বার্থে তারা কংগ্রেসকে সমর্থন করবে বিজেপিকে নয়।
ফলে ২০২৪-এর নির্বাচনে রাজ্যে একের বিরুদ্ধে এক প্রার্থী হওয়া দুস্কর বাংলায়। কংগ্রেস যেমন মানছে না তৃণমূলকে, তৃণমূলও কংগ্রেসকে ছাড়বে না কোনো আসন, আবার বামেরাও যে তৃণমূলকে সমর্থন করবে না বা তৃণমূল যে বামেদের সমর্থন করবে না, তা বলাই বাহুল্য।












Click it and Unblock the Notifications