Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

বেলডাঙা হিংসা নিয়ে টানাপোড়েন! 'এনআইএ তদন্তে হস্তক্ষেপ নয়', রাজ্যের আবেদনে কী জানাল সুপ্রিম কোর্ট?

মুর্শিদাবাদের বেলডাঙার অশান্তির ঘটনায় এনআইএ (NIA) তদন্তের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। কিন্তু আজ শীর্ষ আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, এই মুহূর্তে এনআইএ (NIA)-র তদন্তে তারা কোনও হস্তক্ষেপ করছে না। তবে, বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন (Unlawful Activities Prevention Act)-এর ১৫ নম্বর ধারা প্রয়োগ করা ঠিক হয়েছে কি না, সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে কলকাতা হাই কোর্ট।

এর আগেও বেলডাঙা হিংসা নিয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল কলকাতা হাই কোর্টে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও এই বিষয়ে মামলা করেছিলেন। প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয় যে, কেন্দ্র চাইলে NIA তদন্ত করতে পারে। রাজ্য সেই নির্দেশকেই চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে যায়।

আজ প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চে এই শুনানি হয়। আদালত জানিয়ে দেয় যে, প্রায় এক মাস আগে NIA তদন্তভার নিয়েছে। সেইসঙ্গে এফআইআরও দায়ের হয়েছে। তবে বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন (Unlawful Activities Prevention Act)-এর ১৫ নম্বর ধারা প্রয়োগের যৌক্তিকতা নিয়ে এখনই কোনও মত দিচ্ছে না শীর্ষ আদালত। NIA-কে হাই কোর্টে মুখবন্ধ করা একটি খামে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। সেই রিপোর্টে জানাতে হবে প্রাথমিকভাবে বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন (Unlawful Activities Prevention Act) প্রয়োগের মতো উপাদান আছে কি না।

শুনানিতে NIA দাবি করে যে, হাই কোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও রাজ্য পুলিশ সমস্ত নথি দেয়নি। রাজ্যের তরফ থেকে জানানো হয় যে, ইতিমধ্যেই ৩৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এখনও কারও জামিন হয়নি।

বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন (Unlawful Activities Prevention Act)-এর ধারা ১৫ নিয়ে বিচারপতি বাগচী মন্তব্য করেন যে, "সমস্ত উত্তেজনাপূর্ণ ঘটনার সাথেই দেশের অর্থনৈতিক নিরাপত্তার হুমকি কখনও জুড়ে দেওয়া যায় না। বিস্ফোরক ব্যবহার অথবা অর্থনৈতিক ক্ষতির স্পষ্ট প্রমাণ যদি না থাকে তাহলে এই ধারা প্রয়োগ প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে। আর সেই সিদ্ধান্ত হাই কোর্টই নেবে।"

উল্লেখ্য, ঝাড়খণ্ডে কাজ করতে গিয়ে গত মাসে মুর্শিদাবাদের ৩০ বছর বয়সী এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু হয়। আর সেই মৃত্যুকে কেন্দ্র করেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল বেলডাঙা। মৃত ওই যুবকের দেহ গ্রামে পৌঁছনোর পর পরই বিক্ষোভে ফেটে পড়েন গ্রামবাসীরা। ভাঙচুর, রেল অবরোধ, জাতীয় সড়ক অবরোধ ও সাংবাদিকদের মারধরের মতো ঘটনাও ঘটে। পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য লাঠিচার্জ করতে হয় পুলিশকে। তারপরেই তদন্ত শুরু হয়ে যায়। পরে হাই কোর্টের নির্দেশে এই মামলাটি NIA-র হাতে যায়।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+