Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

Nabanna Chalo: গুরুতর অভিযোগে গ্রেফতার ছাত্রদের চুপচাপ মুক্তি, পুলিশের উপর চাপ বাড়ালেন শুভেন্দু

Nabanna Chalo: শুভেন্দু অধিকারীর পদক্ষেপে চাপে রাজ্য পুলিশ। পরিস্থিতি এমনটাই ফের আদালতে ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হতে পারে রাজ্য সরকার তথা পুলিশ-প্রশাসনকে।

যে চারজন ছাত্রকে নিয়ে সকাল থেকে সরব ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী, তাঁদেরই চুপচাপ ছেড়ে দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলতে চেয়েছিল পুলিশ। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে মুখ পুড়ল সেই পুলিশের।

Nabanna Chalo

শুভজিৎ ঘোষ, পুলকেশ পণ্ডিত, গৌতম সেনাপতি ও প্রীতম সরকার- এই চার ছাত্রর গতকাল মধ্যরাতের পর থেকে খোঁজ মিলছিল না বলে সকালে এক্স হ্যান্ডলে লেখেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। ফোনেও তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছিল না।

ওই ছাত্রদের কোনও ক্ষতি হলে তার দায়ভার পুলিশকে নিতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন শুভেন্দু। ওই ছাত্রদের পরিবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়, কাল শুনানি। শুভেন্দুর টুইটের প্রেক্ষিতে রাজ্য পুলিশ সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখে, "নবান্ন অভিযানে 'লাশ ফেলে দেওয়ার ছক', গ্রেফতার ৪।

গত রাত থেকে চারজন পড়ুয়া নিখোঁজ, এই মর্মে এক রাজনৈতিক নেতা টুইট করে বিভ্রান্তি তৈরি করার চেষ্টা করছেন। সত্যিটা হল, কেউ নিখোঁজ নন। ওই চারজন আজকের নবান্ন অভিযানে ব্যাপক হিংসা ছড়ানোর পরিকল্পনা করছিলেন বলে আমাদের কাছে নির্দিষ্ট এবং অকাট্য তথ্যপ্রমাণ রয়েছে।

খুন এবং খুনের চেষ্টার চক্রান্ত করছিলেন ওঁরা। শান্তিরক্ষার স্বার্থে, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে ওঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে, এবং ওঁদের পরিবারের সদস্যদের সেটা জানিয়েও দেওযা হয়েছে।" যদিও শুভেন্দু দাবি করেন, পুলিশ প্রথমে ধৃতদের সঙ্গে যোগাযোগই করেনি।

আজ সন্ধ্যায় ওই চার ছাত্রকে মুক্তি দেওয়া হয়। তাঁরা ভিডিও বার্তায় জানিয়েছেন, হাওড়া স্টেশনে ছাত্র সমাজের কর্মসূচিতে আগতদের জন্য জল ও বিস্কুট দিতে গিয়েছিলেন তাঁরা। রাত ১২টা ১০ মিনিট নাগাদ তাঁদের গোলাবাড়ি থানার পুলিশ গ্রেফতার করে বেলুড়ে নিয়ে যায়। এরপর আজ সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ তাঁদের ছাড়া হয়েছে। তাঁরা মানসিকভাবে বিধ্বস্ত। রাজ্য়ের বিরোধী দলনেতার কাছে আইনি সহায়তা প্রার্থনা করেছেন এই চার ছাত্র।

এরপরই শুভেন্দু এক্স হ্যান্ডলে তীব্র কটাক্ষ করে লেখেন, রাজ্যের ডিজির কাছে আমার প্রশ্ন, যাঁদের বিরুদ্ধে খুন ও খুনের চেষ্টার ষড়যন্ত্র করার মতো সুনির্দিষ্ট ও অকাট্য প্রমাণ পুলিশের কাছে রয়েছে, তাঁদের কীভাবে তড়িঘড়ি ছেড়ে দিতে পারে পুলিশ?

শুভেন্দু লিখেছিলেন, ওই চার ছাত্রের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। পুলিশ তাঁদের আটক করে রাখতে পারে। এরপরই রাজ্য পুলিশ জানিয়েছিল, গুরুতর অপরাধে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে। সেই অধ্যায়ও স্মরণ করিয়ে পুলিশকে আরও চাপে ফেলার কৌশল নেন শুভেন্দু।

শুভেন্দুর দাবি, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশকে অমান্য করে ওই ছাত্রদের গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাঁদের পরিবার আদালতে গিয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টে শুনানি হবে। এই পরিস্থিতিতে পুলিশ যদি চুপচাপ ওই ছাত্রদের ছেড়ে দিয়ে ভাবে অপরাধ থেকে হাত ধুয়ে ফেলতে পারল তারা, তাহলে ভুল ভাবছে।

শুভেন্দু চ্যালেঞ্জের সুরে বলেন, আমি আগেও বলেছিল আদালতেই দেখা হবে। আবার সে কথাই বলছি। এটা এখানেই থামবে না। ন্যায়বিচার আমরা চাই। প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্ট অবধি যাব। অবৈধ গ্রেফতার, বাড়াবাড়ি ও অতি সক্রিয়তায় অপরাধী পুলিশ অফিসারদের শাস্তি সুনিশ্চিত করেই ছাড়ব।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+