মমতা-মুকুল 'ক্রিমিনাল', তৃণমূল 'ক্রিমিনাল পার্টি', সারদা ইস্যুতে সরব গৌতম দেব

গতকাল বারাসতে সিপিএম পার্টি অফিসে বসে গৌতমবাবু উত্তেজিতভাবে বলেছেন, "মমতা আর মুকুল দু'জনই ক্রিমিনাল। সারদা গোষ্ঠীর কর্তা সুদীপ্ত সেন আর রোজভ্যালির গৌতম কুণ্ডুকে নিয়ে ওঁরা রাত ১২ টায় কালিম্পঙের ডেলোতে বৈঠক করেছেন। আসলে মমতা আর মুকুল ক্রিমিনাল টাইপ অফ পার্সোনালিটি। এঁরা মানসিকভাবেও অপরাধপ্রবণ। ক্রিমিনাল পার্টি হিসাবেই তৃণমূল ইতিহাস হয়ে যাবে। ওদের নেতারা লাইন দিয়ে যাচ্ছে, ৭-৮ ঘণ্টা করে জেরা করছে সিবিআই। মদন-ফদন কিস্যু না। মমতা সব জানেন। মুকুলও জানেন।"
প্রসঙ্গত, লোকসভা ভোটের সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের আয় নিয়ে প্রশ্ন তোলায় গৌতমবাবুর বাড়িতে রাতে হানা দিয়েছিল পুলিশ। সাংবাদিকরা সেই কথা তুলতে তিনি বলেন, "আমাকে ওরা জেলে পুরতে চেয়েছিল। পারেনি। আমি তো বলেছি, হয় মুকুল জেলে যাবেন, নয় আমি। মমতাও জেলে যাবেন।" গৌতম দেবের দাবি, এর আগে মুকুল রায় তাঁর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করলেও নিজে আদালতে হাজিরা দেননি। গৌতমবাবুর বক্তব্য, "আমি কিন্তু সেই মামলায় ১৯ বার আদালতে গিয়েছি। কারণ আমি মিথ্যে বলিনি।"
সিপিএমের এই বর্ষীয়ান নেতা বলেছেন, "রাত একটার সময় নিউ টাউনের রাস্তায় মমতা ফোন করে কুণাল ঘোষকে ডেকে পাঠাতেন। কেন? অত রাতে তো অপরাধীরা রাস্তায় থাকে।" তাঁর হুমকি, বামফ্রন্ট শেষ হয়ে গিয়েছে কি না, সেটা পুজোর পর থেকে তৃণমূল বুঝতে পারবে!
এদিকে, গৌতমবাবুর এই মন্তব্য নিয়ে ব্যক্তিগত আক্রমণ শানিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের মহাসচিব তথা শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তাঁর শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে উপহাস করে পার্থবাবু বলেন, "পাগলা গারদ কোথায় আছে, সেই একটা গান ছিল না! গানটা মনে পড়ে গেল। প্রতিবার নির্বাচন আসে আর প্রতিবারই এই নৃত্য দেখতে বয়। কেন অসুস্থ লোকটাকে টেনে আনে সিপিএম?"












Click it and Unblock the Notifications