মমতার ‘স্ফূর্তিবাজ’-তোপে বিদ্ধ মোদী! প্রতারকদের মাথায় ‘ছাতাধরা’দের নিশানা
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ব্যাঙ্কের টাকা নিয়ে পালিয়ে যাওয়া প্রতারকদের মাথার ছাতা কারা, তা সবার আগে খুঁজে দেখা দরকার। জানা দরকার কে প্রশ্রয় দিয়েছে প্রতারকদের।
স্ফূর্তিবাজদের সরকার প্রোটেকশন দিচ্ছে প্রতারকদের। মুর্শিদাবাদের সরকারি জনসভা চাঁছাছোলা ভাষায় কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকারকে আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ব্যাঙ্কের টাকা নিয়ে পালিয়ে যাওয়া প্রতারকদের মাথার ছাতা কারা, তা সবার আগে খুঁজে দেখা দরকার। জানা দরকার কে বা কারা প্রশ্রয় দিয়েছে প্রতারকদের।

এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, 'পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কে যে জালিয়াতি ধরা পড়েছে, তা নোটবন্দির এক বছর আগে থেকেই পরিকল্পনা করা হয়েছিল। কিছু লোককে সেই কারণেই নিয়োগ করা হয়েছিল বিভিন্ন ব্যাঙ্কে। শুধু পিএনবি নয়, অনেক ব্যাঙ্কই রয়েছে প্রতারিত হওয়ার তালিকায়। কেঁচো খুঁড়লেই কেউটে বেরিয়ে পড়বে।'
মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, এমন একটি বিল আনছে এই স্ফূর্তিবাজদের সরকার যে, মানুষের টাকার কোনও সুরক্ষা থাকবে না। তাঁর কথায়, 'যারা কোনও কাজ করে না শুধু কথা বলে বেড়ায়, টিভিতে মুখ দেখানোই যাঁদের কাজ, তাদের আমরা বিশ্বাস করি না। চাটুকারিতা করে বক্তৃতা দিয়ে খোনও ভালো কাজ করা যায় না।'
এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রের সরকারকে পরামর্শ দেন, 'বাংলাকে মডেল কর, সারা ভারতের মানুষকে বিনা পয়সাও পরিষেবা দাও। তবেই বুঝব তোমরা কিছু করার চেষ্টা করছে। তোমাদের কাজ করার মতো মানসিকতা রয়েছে। তা তোমরা পারবে না। কারণ তোমরা কাজ করতেই জানো না। আমাদের দেশের দুর্ভাগ্য যে, এ দেশে বিজেপির মতো একটা দল ক্ষমতায় রয়েছে।'
তিনি আরও বলেন, 'কেন্দ্রের শাসক দল মানুষকে পরিষেবা দিতে পারে না। মানুষকে অন্ধকারে রেখে পার্টি অফিস তৈরি করাই এঁরা গর্বের কাজ বলে মনে করে। আবার তা নিয়ে গর্ব করে। রাজনৈতিক দল কখনও অ্যাসেট নিয়ে গর্ব করে না।' এরপরই মমতা বিজেপির বিরুদ্ধে ত্রিপুরা ভোটে টাকা ছড়ানোর অভিযোগ করেন।
তিনি বলেন, 'ত্রিপুরা নির্বাচনে সব খবর রেখেছি। গণতন্ত্র কখনও টাকার কাছে বিক্রি হয় না। মানুষ কখনও একটা রাজনৈতিক দলকে দেখতে চায় না কোটি কোটি টাকা নিয়ে বসে থাকে। মা-মাটি-মানুষের পাশে যাঁরা থাকে, মানুষ শুধু তাঁদেরই বিশ্বাস করে।'












Click it and Unblock the Notifications