ED attacked in Sandeshkhali: গণতন্ত্রে এই ধরনের বর্বরতাকে রোখা উচিত! সরকারকে বার্তা রাজ্যপাল বোসের
ED attacked in Sandeshkhali: সন্দেশাখালিতে আক্রান্ত এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট! আর এই ঘটনায় তোলপাড় রাজ্য প্রশাসন। ক্ষুব্ধ খোদ রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। ঘটনার পরেই মুখ্যসচিব এবং স্বরাষ্ট্রসচিবকে রাজভবনে তলব করলেন তিনি।
শুধু তাই নয়, যেভাবে ইডির আধিকারিকদের উপর হামলা হয়েছে তা উদ্বেগজনক বলেও বার্তা দিয়েছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (C. V. Ananda Bose)। এই বিষয়ে সরকার ব্যবস্থা না নিতে পারলে সংবিধান উপযুক্ত ব্যবস্থা করবে বলেও কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে।

সন্দেশখালির ঘটনা (ED attacked in Sandeshkhali) নিয়ে যখন রাজনৈতিক বিতর্ক তুঙ্গে সেই সময় এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। কেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (C. V. Ananda Bose) এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করছেন না তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি। বলেন, রাজ্যপাল কেন ঘোষণা করেছেন না যে এই রাজ্যে সাংবিধানিক পরিকাঠামো ভেঙে পড়েছে ? এমনই প্রশ্ন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতির। যদি তদন্তকারীরা মার খান তাহলে তদন্ত কীভাবে হবে ? প্রশ্ন বিচারপতির।
আর এহেন মন্তব্যের কিছুক্ষণ পরেই এই ইস্যুতে কড়া বার্তা দেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। স্পষ্ট জানান, বাংলায় জঙ্গলরাজ চলছে। প্রশাসনিক ব্যর্থতা নিয়েও সরকারকে কড়া বার্তা দেন রাজ্যপাল। বলেন, "সরকারের উচিত গণতন্ত্রে এই ধরনের বর্বরতাকে রোখা। কিন্তু সরকার যদি তার প্রাথমিক দায়িত্ব পালন করতে না পারে, তবে দেশের সংবিধান উপযুক্ত পদক্ষেপ করবে।" যা খবুই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
অন্যদিকে রাজভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার পরেই মুখ্যসচিব এবং স্বরাষ্ট্রসচিবকে রাজভবনে তলব করা হয়েছে। সন্দেশখালির ঘটনা (ED attacked in Sandeshkhali) নিয়ে সরকার কি ব্যবস্থা নিচ্ছে সে বিষয়ে তাদের কাছ থেকে তথ্য নেবেন রাজ্যপাল বোস। এমনটাই রাজভবন সূত্রে জানা গিয়েছে। শুধু তাই নয়, এরপরেই বিস্তারিত রিপোর্ট স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে পাঠাতে পারেন তিনি। তবে সন্দেশখালির ঘটনায় কেন্দ্রীয় এজেন্সির উপরেই দায় চাপিয়েছে তৃণমূল।
এক ভিডিও বার্তায়, তৃণমূলের যুব নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য (Debangshu Bhattacharya) বলেন, সন্দেশখালির ঘটনার জন্য দায়ী কেন্দ্রীয় এজেন্সি স্বয়ং। রাজ্যপাল থেকে শুরু করে বিরোধীদের এই ঘটনার ব্যাকগ্রাউন্ড জানা নেই। কোন জায়গা কতটা স্পর্শকাতর সেটা রাজ্য পুলিশের জানার কথা। কেন্দ্রীয় এজেন্সির এসব জানার কথা নয়। রাজ্য পুলিশের সঙ্গে আলোচনা করা উচিত ছিল কেন্দ্রীয় এজেন্সির। কেন্দ্রীয় এজেন্সি কেন রাজ্য সরকারের কাছ থেকে আগে তথ্য সংগ্রহ করেনি? প্রশ্ন তৃণমূল নেতার।












Click it and Unblock the Notifications