বিস্ফোরণ কাণ্ডের তদন্তে অগ্রগতি হয়নি, মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে বিস্ফোরক চিঠি প্রাক্তনমন্ত্রী-সহ আহতদের পরিবারের
নিমতিতা (nimtita) বিস্ফোরণের পরে কেটে গিয়েছে প্রায় তিনমাস। ৫ মে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নতুন করে শপথ নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (mamata banerjee)। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে সেই বিস্ফোরণের তদন্ত এগোতে পারেনি পুলিশ। এমনটাই
নিমতিতা (nimtita) বিস্ফোরণের পরে কেটে গিয়েছে প্রায় তিনমাস। ৫ মে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নতুন করে শপথ নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (mamata banerjee)। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে সেই বিস্ফোরণের তদন্ত এগোতে পারেনি পুলিশ। এমনটাই অভিযোগ করে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন প্রাক্তন মন্ত্রী জাকির হোসেন(jakir hossain) এবং সব আহতের পরিবার। মুখ্যমন্ত্রীকে দেওয়া চিঠিগুলিতে দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি করা হয়েছে।

১৭ ফেব্রুয়ারি রাতে বিস্ফোরণ
১৭ ফেব্রুয়ারি রাত ১০টার সময় মুর্শিদাবাদের নিমতিতা স্টেশনে বিস্ফোরণ হয়। স্টেশনের বাইরে গাড়ি থেকে নেমে ট্রেন ধরতে ২ নম্বর স্টেশনে ঢুকছিলেন তৎকালীন মন্ত্রী। সেই সময় বিস্ফোরণ হয়। মন্ত্রী-সহ ২৮ জন আহত হন। তৎকালীন মন্ত্রীকে রাতেই কলকাতায় এনে এসএসকেএম-এ ভর্তি করানো হয়। এরপর তিনি দীর্ঘদিন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। সেখানে তাঁর ৮ বার অপারেশনও হয়। এখনও তিনি স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারেন না। অন্যদিকে বাকি আহত ২৭ জনের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা এখনও খারাপ।

রাজ্যের তিনটি সংস্থাকে দিয়ে তদন্ত
রাজ্য সরকারের তরফে সিআইডি-সহ তিনটি সংস্থাকে দিয়ে তদন্ত শুরু করানো হয়। পুলিশের তরফে ৩০৭, ৩২৬, ১২০বি, ৩/৪ বিস্ফোরক আইনে মামলা শুরু করা হয়। সিআইডি তদন্তে সুতির বাসিন্দা দুজন ধরা পড়ে। কিন্তু এই বিস্ফোরণ মামলার সেরকম কোনও তদন্ত হয়নি।

তদন্তে এনআইএ-ও
পরবর্তী সময়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নির্দেশ দেয় এনআইএকে তদন্ত করতে। কলকাতায় এনআইএ-র ডেপুটি সুপার বীরেন্দ্র সিং-এর নেতৃত্বে তদন্ত শুরু হয়। এনআইএ এখনও পর্যন্ত ২৫ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে বলে সূত্রের খবর। পাশাপাশি তল্লাশি চালিয়ে বেশ কিছু নথি এবং ইলেকট্রনিক জিনিসপত্র পাওয়া গিয়েছে। এনআইএ সূত্রে দাবি করা হয়েছে, যেসব সব জিনিস তল্লাশিতে পাওয়া গিয়েছে, তা জঙ্গিরাই ব্যবহার করে। তাই এনআইএর তরফে তদন্তে জঙ্গি নাশকতার ধারা জুড়ে দেওয়া হয়েছে।

দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি
এব্যাপারে জাকির হোসেন বলেছেন, তাঁর পায়ের অবস্থা ভাল নয়। তাঁকে অন্যের সাহায্য নিয়ে চলতে হয়। তাঁর থেকেও খারাপ অবস্থায় দিন কাটছে এই বিস্ফোরণে আহতদের অনেকের। কেননা এই বিস্ফোরণে কারও হাত, কারও পা, কারও দুই-ই বাদ পড়েছে। সেই কারণে মুখ্যমন্ত্রীকে দেওয়া চিঠিতে তিনি দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি করেছেন। পাশাপাশি বাকি ২৭ জনের পরিবার যাতে বিচার পায় সেই আবেদনও তিনি করেছেন। সূত্রের খবর অনুযায়ী, আদালা করে চিঠি পাঠিয়েছে ২৭ জনের পরিবারের সদস্যরাও।












Click it and Unblock the Notifications